ডেস্ক রিপোর্ট
ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক বাংলাদেশিসহ ৩ জন নিহত হয়েছে। নিহত বাংলাদেশি আহমদ আলী ওরফে সালেহ আহমেদের (৫৫) বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখায়।
রোববার (১ মার্চ ) রাতে নিহতের স্বজনরা সালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সালেহ আহমেদ বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে বসবাস করেন। সেখানে তিনি পানির গাড়ি চালাতেন। শনিবার তিনি নিয়মিত কাজে বের হয়েছিলেন। সন্ধ্যায় ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে ছালেহ আহমেদসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সালেহ আহমেদের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শেলি বেগম জানান, শনিবার থেকেই তারা সালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর শুনছিলেন, তবে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। তবে রোববার দুপুরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা নিহতের সহকর্মীরা মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
কীভাবে মারা গেলেন জানতে চাইলে তিনি জানান, তারা শুনেছেন ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা স্বজনরা হাসপাতালে মরদেহ দেখার জন্য যাচ্ছেন।
বড়লেখার স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলার মো. শাহজাহান নিহতের পরিচয় ও পরিবারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর শুনে তিনি দুপুরে তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তাকে হারিয়ে দিশেহারা নিহতের স্ত্রী-সন্তানরা।
এ বিষয়ে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান বলেন, সালেহ আহমেদ আজমান শহরে পানির গাড়ি চালাতেন এবং শনিবার সন্ধ্যায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে তিনি নিহত হন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা নিহতের স্বজনরা মরদেহ দেখার জন্য বর্তমানে হাসপাতালের প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত রয়েছেন।




