বরিশাল জার্নল ডেস্ক
গত শনিবার রাতে ইরান অনুভূত হওয়া একটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের পর দেশটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছে- এমন গুঞ্জন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার জের ধরে বিভিন্ন দেশের কিছু গণমাধ্যমও বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। অবশ্য প্রথম সারির আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে তেমন কোন খবর পাওয়া যায়নি।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সেমনান প্রদেশের আরাদান শহরে গত শনিবার রাতে এই ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৪ দশমিক ৫। স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ভূমিকম্পটি ঘটে এবং এর কেন্দ্রস্থল ছিল মাটি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, তেহরান থেকে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক পরীক্ষার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও অফিশিয়ালি এর পক্ষে বা বিপক্ষে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানে ভূমিকম্পটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের খুব কাছে ঘটেছে। তাই এটি ভূমিকম্প- নাকি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষার কারণে সৃষ্ট কম্পন- এই নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। অনেকে বলছেন, ইরানের ভূমিকম্পটি ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা হতে পারে কারণ এর কেন্দ্র ছিল মাটি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।
যদিও অনেকে আবার বলছেন, চলমান তীব্র রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার কারণেই মানুষ পারমাণবিক পরীক্ষার গুঞ্জন ছড়াচ্ছে।
কিছু সংবাদ মাধ্যম বলছে, ইরানে কম্পনের কয়েক মিনিট পর ইসরাইল থেকেও ভূমিকম্পের খবর পাওয়া গেছে। যদিও দুই দেশের মধ্যে প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার দূরত্ব রয়েছে। যে কারণে ইরান ও ইসরাইলের ভূকম্পনের উৎস পৃথক হতে পারে।
অনেক বছর ধরেই ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। পশ্চিমা বিশেষজ্ঞরা আগেই বলেছেন, দেশটি এক বা দুই সপ্তাহের পদক্ষেপে অস্ত্র তৈরি করে ফেলতে পারে। তবে ইরানে সরকার বারবরাই বলেছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শুধুমাত্র বেসামিরক কাজের জন্য। ##




