সাইফুল ইসলাম সাঈফী, বিশেষ প্রতিনিধি
নাজিরপুরের রামারপোল বাজারে সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশন- নাজিরপুরের স্থায়ী কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যায় ফিতা কেটে ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে এই কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
ফাউন্ডেশনের সভাপতি মু. আব্দুল্লাহ আহাদ ভূইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মোঃ জালাল উদ্দীন ভূইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামারপোল ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ মনির হোসইন, রামারপোল ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মোঃ আব্দুল মালেক, কয়ারিয়া ঈদগাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ আরিফুর রহমান ভূইয়া, রামারপোল ফাজিল মাদ্রাসার বাংলা প্রভাষক মোঃ নিজাম উদ্দিন, খালেক স্মৃতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জসীম উদ্দীন ভূইয়া, আলিমাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ মাসুম বিল্লাহ, এ.বি.আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ রাহাত ভূইয়া, বিশিষ্ট ব্যাংকার মোঃ শামীম হোসাইন, সাবেক ইতালী প্রবাসী মোঃ আনিসুর রহমান ভূইয়া, বাটাজোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী ইংরেজী শিক্ষক মোঃ মিরণ হোসেন, ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মোঃ বায়জিদ হোসাইন, ফাউন্ডেশনের সদস্য মোঃ শরীফুল ইসলাম, মোঃ শহীদ তালুকদার, মোঃ হাফিজুর রহমানসহ বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিব, বাজারের ব্যবসায়ী বৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ।
ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিগত সময়ে ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন সফলতার চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি আগামী দিনে নাজিরপুর ইউনিয়নকে একটি আদর্শ, মডেল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৩টি যুগান্তকারী উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন।
ইতোমধ্যে সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশন নাজিরপুর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও মেডিসিন বিতরণ, ফ্রি চক্ষু শিবির, যুবকদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, রাস্তা ও খেলার মাঠ সংস্কার, বৃক্ষরোপণ, মাদক বিরোধী আলোচনা সভা, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, খাদ্য সহায়তা, ক্রীড়া টুর্ণামেন্টসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সভাপতি মু. আব্দুল্লাহ আহাদ ভূইয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, যুবসমাজ চাইলে ইউনিয়নের সকল সমস্যা দূর করে একটি আলোকিত ইউনিয়ন গড়তে পারে। একদল উদ্যমী যুবকের হাত ধরে নাজিরপুরে ইতোমধ্যে অনেক ভালো কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের এই উদ্যোগগুলোর মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে মাদকের ছোবল থেকে বাঁচানো এবং একটি সুদমুক্ত, আলোকিত সমাজ গঠন করা।
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আলেম-ওলামা এবং বিপুল সংখ্যক যুবকের উপস্থিতিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। পরিশেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং ফাউন্ডেশনের সফলতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।




