বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
ভোলায় হঠাৎ ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে অন্তত অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি আংশিক ও সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। উপড়ে পড়েছে বহু গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি। এতে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং সড়ক যোগাযোগও সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
শনিবার (২৩ মে) দুপুর ১২টার পর সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে প্রবল বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই ঝড়ের তাণ্ডবে টিনের চাল উড়ে যায়, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা হিরণ মিয়া তার ভাষ্য, ঝড়ের সময় তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তার বাড়ির সামনে থাকা একটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিনের চালা উড়ে গিয়ে দূরের বিলে পড়ে। বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ছিটকে আশপাশের জমিতে ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে তার বাড়ির কয়েকটি ফলজ গাছও ভেঙে যায়।
অপর বাসিন্দা খোকন জানান, প্রবল বাতাসে একটি বড় গাছ তার বসতঘরের ওপর ভেঙে পড়ে। এতে ঘরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বিকট শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর মাতাব্বর বললেন, গুপ্তমুন্সি–পরানগঞ্জ সড়কের পাশে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা একত্রে গাছ সরানোর কাজ শুরু করেন।
এলাকাবাসী জানান, ঝড়ে অন্তত ১০টি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে এবং আরও অর্ধশতাধিক ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ লাইন ছিঁড়ে পুরো এলাকা অন্ধকারে রয়েছে। পাশাপাশি সবজি ক্ষেত ও পেঁপে বাগান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছে কৃষক।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত সরকারি সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আগামীর সময়




