মুফতি আব্দুল কাদির মাসুম
১. তাফসিরে তাহেরী
কলকাতা আলিয়ার শায়খুততাফসির মাও তাহির রহ.’র লেখা এটি। অত্যন্ত সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে কথাগুলোকে। আয়াতের অনুবাদও বেশ সুন্দর। তাফসিরটি ৫ খন্ডে সমাপ্ত।
২. তাফসিরে নুরুল কুরআন
বাংলা ভাষায় লেখা সবচে’ বৃহৎ তাফসির এটি। ৩০ খন্ডে। লিখেছেন মাও. আমিনুল ইসলাম রহ.। তিনি সালাফ খালাফের তাফসিরগ্রন্থ থেকে চয়ন করে অনেক তথ্য ও তত্ত্ব সন্নিবেশিত করেছেন।
আধুনিক কয়েকটি আরবী ও উর্দু তাফসির থেকে এটি অনেক ভালো।
৩. কোরান শরিফ বঙ্গানুবাদ ও বিস্তৃত তাফসির
‘নুরুল কুরআন’ ও ‘তাহেরী’ এ দু’টির আগে ‘কোরান শরিফ বঙ্গানুবাদ ও বিস্তৃত তাফসির’ নামে মাও আব্দুল হাকিম রহ. এর তাফসিরটা বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্যতার শীর্ষে ছিলো। এটি সর্বমহলে উচ্চ প্রশংসিতও হয়েছিলো। বড় সাইজে দু’খন্ডে ছেপেছিল কোরান মঞ্জিল বাবু বাজার ঢাকা। এ তাফসিরটি মূলত লেখা হয়েছিল জনসাধারণের জন্যে। কিন্তু সবার কাছেই পছন্দনীয় হয়ে গিয়েছিল।
৪. হক্কানী তাফসির
আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী রহ. এর লেখা। খুব উন্নতমানের মূল্যবান তাফসির এটি। পাতায় পাতায় জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় ভরা। এ পর্যন্ত শুধু সুরা বাকারা ও আমপারা ২ খন্ডে ছেপে এসেছে। বাকীগুলোও বের করার প্রক্রিয়া চলছে।
৫. তাফসিরে বুরহানুল কুরআন
এটি যাত্রাবাড়ীর হযরত মাও. মাহমুদুল হাসান সাহেব দা. বা. এর লেখা তাফসির। খুব উন্নত কাগজ ও ছাপায় ৬ খন্ডে প্রকাশিত হয়েছে। অনেক জায়গায় খুব চমৎকার চমৎকার কথা এনেছেন। এটি একটি সহজবোধ্য তাফসির। পড়তে অনেক ভালো লাগে।
৬. তাফসিরে আনওয়ারুল কুরআন
এটি তালিবুল ইলমের জন্য লেখা। বৃহৎ সাইজে ৬ খন্ডে। তরজমায়ে লফযী ও বা-মুহাবারাহ তরজমা দেয়া হয়েছে। লুগাত বর্ণনা করা হয়েছে এবং নির্ভরযোগ্য তাফসিরউৎসসমূহ থেকে আলোচনা আনা হয়েছে।
লেখকের ফেসবুক পোস্ট থেকে লেখাটি সংগ্রহ করা হয়েছে।




