উজিরপুর প্রতিনিধি
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। সারাদেশের মতো বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নেও জমে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দোয়া, সমর্থন ও মতামত চাওয়ার মাধ্যমে নিজেদের প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন।
বড়াকোঠা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন।
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করেছেন আনোয়ার হোসেন। তিনি হাফেজ শাহাদাত সমাজ উন্নয়ন পাঠাগারের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। তিনি পিরোজপুর জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক অর্থ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বড়াকোঠা ইউনিয়ন শাখার আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন।
কেন চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন এবং আগামী দিনে কী পরিকল্পনা রয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি মানুষের অনুরোধে এবং দলীয় সিদ্ধান্তে প্রার্থী হয়েছি। মানুষের পাশে থেকে কাজ করার মাধ্যমে তাদের ভালোবাসা অর্জন করতে পেরেছি। তাদের এই ভালোবাসাকে পুঁজি করে বড়াকোঠাবাসীর উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, একটি সুন্দর, সুষ্ঠু, মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত জনমুখী ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলা আমার লক্ষ্য। পাশাপাশি পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বড়াকোঠা ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই।
আনোয়ার হোসেন বলেন, বড়াকোঠার সাধারণ মানুষ যদি আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নয়, একজন সেবক হিসেবে নির্বাচিত করেন, তাহলে আমি আমার ওপর অর্পিত গুরুদায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করব। বড়াকোঠাবাসীর উন্নয়ন ও কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেকে নিয়োজিত রাখব, ইনশাআল্লাহ। ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বড়াকোঠা ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।




