গৌরনদীর জনপদের চেহারা পাল্টে দিয়েছে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন

মোঃ হানিফ সরদার, গৌরনদী (বরিশাল) সংবাদদাতা

বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় গ্রামগুলোর ছোট ছোট রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও মাদ্রাসা-মসজিদের মাঠ ভরাট হওয়ায় সৌন্দর্য বৃদ্ধি। গ্রামীণ জনপথ উন্নয়নে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার কাজে গ্রামের মানুষের মুখে মুখে প্রশংসা কুড়িয়েছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ।
গ্রামীণ অবকাঠাম কাবিখা -কাবিটা (টিআর) কর্মসূচির ২৪-২৫অর্থ বছরের আওতায় প্রাপ্ত বরাদ্দে ২কোটি ২৫লক্ষ টাকায় তিনি উপজেলার ৩১৪ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন। মসজিদ মাদ্রাসা ও স্কুলের মাঠ ভরাট গ্রামের ছোট ছোট রাস্তা নির্মাণ, রাস্তা সিসি ঢালাই সহ কালভার্ট ব্রিজের অ্যাপ্রোচ মাটি ভরাট করা হয়। প্রকল্পগুলোর কাজ দৃষ্টিনন্দন হওয়ায় সাধারণ জনগণ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার প্রশংসা করেন। এলাকার বয়োজোষ্ঠ মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রকল্পের অধীনে যতগুলো কাজ হয়েছে তা জনগণের চোখে পড়েনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি মেম্বার জানান, দলীয় সরকারের সময় দলীয় লোকজনের মাধ্যমে কাজ করার কারনে আশানুরূপ কাজ হতো না। এবার দলীয় সরকার না থাকায় ইউএনও স্যার এলাকা ঘুরে ঘুরে প্রকল্প দেখে কাজ করিয়েছেন। ফলে কাজগুলো চোখে পড়ার মত হয়েছে। তাদেরকে ধন্যবাদ দিতেই হবে।

উপজেলার প্রকল্প গুলো ঘুরে দেখা গেছে প্রকল্পের কাজ উপযুক্ত ব্যক্তিকে দিয়ে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সদস্য নির্বাচন করা সভাপতিদের নিজস্ব হিসাব নাম্বারে অর্থ ছাড়ের বিশেষ ব্যবস্থা করে কাজ সম্পন্ন করে প্রকল্প সভাপতি হিসাব নাম্বারে অর্থ দেওয়া হয়। ফলে কেউ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায় নাই। ইউপি সদস্য আলেয়া বেগম বলেন, গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের কোন বিকল্প নেই এ সব প্রকল্পে কাজ জনগণের ভোগান্তি মুক্ত করার একমাত্র প্রকল্প। এলাকাবাসী মনে করেন,  এভাবে কাজ করতে পারলে দুই থেকে তিন বছর পরে প্রকল্প নেওয়ার আর জায়গা থাকবে না অথচ বিগত সময় সরকার গুলো এরকম কাজ দেখাতে পারেনি।

মাহিলারা ইউনিয়ন ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আব্দুর রহিম সরদার জানান, বর্তমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোঃ সালাউদ্দিন দক্ষতায় পারদর্শী। তিনি কাজের গুনগত মান রক্ষা করে উপযুক্ত ব্যক্তিকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য করেছেন। প্রকল্প কাজের বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতিদের নিজস্ব হিসাব নম্বরে অর্থ ছাড়ের বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, প্রকল্পে কাজগুলো চোখে পড়ার মতো, প্রকল্প বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরির দিক নির্দেশনায় উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ সালাউদ্দিন প্রকল্প কাজে শতভাগ সফল করেছেন।

উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, যেসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সরজমিনে গিয়ে কাজের আগে ছবি তুলছি এবং কাজের মান যাচাই করে ছবি তুলে অর্থ ছাড় করেছি। কাজ না করে অর্থ নেওয়ার কোন সুযোগ নাই।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Scroll to Top