বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মাদরাসা থেকে ছাত্ররা পাস করে বের হচ্ছেন। ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আজকে আমরা ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে পারছিনা। কওমি শিক্ষার্থীদের সেই ইকুইভ্যালেন্ট ডিগ্রি নেই। আমরা সেই জায়গায় ৯ হাজার শিক্ষক পদ খালি থাকার পরেও আমরা নিয়োগ দিতে পারছিনা।
আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) সিলেট অঞ্চলের এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ কথা বলেন তিনি। সিলেট সরকারি মহিলা কলেজে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, এই সমস্যা কী একদিনে সৃষ্টি হয়েছে। ভেবে দেখুন? সব কিছু মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এবং প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন যে রকম দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
মন্ত্রী বলেন, সেই সময় আমার সুযোগ হয়েছিলো ওনার কাছে থাকার। আমি ছাত্রদল করতাম এবং একটি হলের দুইবার ভিপি ছিলাম। সেই সময় দেখেছি শহীদ রাষ্ট্রপতি শিক্ষার কী ব্যাপক পরিবর্তন করেছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি ১৬ দিনে জন্য শিক্ষামন্ত্রী হয়ে আপনাদের (শিক্ষকদের) এমপিও চালু করেছিলেন ৫০ শতাংশ দিয়ে। আমি কাজ করেছিলাম বেগম খালেদা জিয়ার সাথে। আমি দেখেছি তিনি শিক্ষাকে কতোটা ভালোবাসেন এবং সেই সময় শিক্ষার যে পরিবর্তন আসছিলো সেটা যদি বিগত ১৭-১৮ বছরে ধরে রাখতে পারতাম তাহলে আজ শিক্ষার এই ধস নামতো না।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের নৈতিক শিক্ষা মোটেই নেই। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা পুঁথিগত হলেও কর্মজীবনে নৈতিক শিক্ষার অবহেলা দেখতে পাচ্ছি। সেজন্য আমরা স্কুল- কলেজগুলোতে নৈতিক অর্থাৎ ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার চেয়েছিলাম।




