বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
এপ্রিল মাসের পর জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমানে সরকার জ্বালানিতে ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে। তবে এপ্রিল মাসে দাম না বাড়লেও পরবর্তীতে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
জ্বালানি ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত করতে একটি ডিজিটাল অ্যাপ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কে কতটুকু জ্বালানি নিচ্ছে বা পাচ্ছে, সেই তথ্য অ্যাপে সংরক্ষণ করা হবে। আজ থেকেই এর পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে।
জ্বালানি সরবরাহ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, দেশে পেট্রোল বা অকটেনের ঘাটতি নেই; তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ সুযোগে কেউ কেউ অবৈধ মজুত ও পাচারের মতো কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে, যার বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এদিকে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দেওয়া এক বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে আগামী মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হবে কি না সে বিষয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বলেন, জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের একটি নিয়ম রয়েছে এবং তা প্রতি মাসে পর্যালোচনা করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সম্ভাব্য সব উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করছে উল্লেখ করে টুকু বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি ঠেকাতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৪ টন ডিজেল মজুত রয়েছে। এ ছাড়া এপ্রিলের মধ্যে ১ লাখ ৩৮ হাজার টন ডিজেল, ৭১ হাজার ৪৪৩ টন অকটেন এবং ৩৬ হাজার টন পেট্রোল আমদানি করা হবে। এশিয়া পোস্ট




