‘গুপ্ত’ শব্দ নিয়ে উত্তেজনা, ছাত্রদল নেতার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

সম্প্রতি দেশব্যাপী গুপ্ত শব্দের ব্যবহার ও তা নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা কর্মীদের মধ্যে সংঘাতের ঘটনায়। এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন মঞ্জু। তিনি বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া ফেসবুকে পোস্টে গুপ্ত শব্দ নিয়ে দেশের মধ্যে হওয়া হানাহানিকে দেশের জন্য অশনি সংকেত বুঝাতে গিয়ে লিখেছেন –

আমাদের উন্নয়নের পিছনে প্রধান বাঁধা হচ্ছে চেতনা আর এ-ই চেতনার কারণে শুধু ইতিহাস নিয়ে পড়ে থাকাটাই আমাদের স্বভাব যার ফলে ইতিহাস তৈরি করা বা রাষ্ট্রের তেমন কোন অগ্রগতি হচ্ছে বলে মনে হয় না?

ভেবে দেখুন আমরা কোথায় পড়ে আছি রাষ্ট্র কতটা ঋণগ্রস্ত হয়ে আছে আমরা বা আমাদের নাগরিকদের সুরক্ষা দক্ষতা অর্জনে বিগত সময় গুলোতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করছে তাঁদের কি অবদান।

আজ সত্যি নিজের অনূভুতি’টা প্রকাশ করছি আমাদের দেশে যে বা যাহারা ক্ষমতার মসনদে বসে ছিলো সবাই তাঁদের আখের গোছানো নিয়ে ব্যাস্ত ছিলো দেখুন ব্যাংকগুলো তাঁদের দখলে মানে ইচ্ছে অনুযায়ী ঋণ নেওয়া অর্থ পাচার সহ শতসহস্র দুর্নীতি এ-ই ধরুন ০৫ তারিখের পরে নেতারা রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেলো আবার কিছু কিছু নেতারা কর্মীদের ভুলে গিয়ে সরকারি দপ্তর ম্যান্টেইন করে প্রচুর কামিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলেছে।

আর এদিকে আমরা অবুঝ প্রাণী গুলো গুপ্ত বলে বলে রাজপথে হানাহানি করি এবং দেখা যায় সর্বোচ্চ টেম্পু স্ট্যান্ড দখল নিতে নিজেরা নিজেরা কত কি কান্ড করে ফেলি। আসলে নেতারা এখানেই পলিটিক্স টা খেলে, তারা ও চায় এরা আমাদের গাড়ির পিছনে দৌড়াদৌড়ি করুক আর টেম্পু স্ট্যান্ডের চাঁদাবাজি নিয়ে মারামারিতে লিপ্ত থাকুক এ সুযোগে তারা সরকারি দপ্তরের আসল মজা লুপে নিক।

০৫ তারিখ পরবর্তী সময়ের কাবিখা টি-আর সহ সরকারি কত শত হাজার কোটি দূর্নীতি হইছে ভেবে দেখেছেন?

ভাই, এসব দ্বন্দ্ব না করে দয়া করে দেশের স্বার্থে দেশের উন্নয়নে নিজ ভাগ্য বদলে পরিশ্রমী হোন। দেখেন দেশ স্বাধীন হলো ৫৫/৫৬ বছর আর আমরা সে-ই পিছনের ইতিহাস নিয়ে কত কি করছি?

আচ্ছা তারা তো শেখ মুজিব আর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়কাল থেকেই রাজনীতিটা করে আসছে তাহলে এখন আবার এ-তো সমস্যা কেন?

তারা ও তো স্বৈরাচার কর্তৃক আমাদের মতো নির্যাতিত তারা তাদের কর্মদক্ষতা দিয়ে এগিয়ে বর্তমানে মেধায় তারা স্ট্যান্ড করছে একে পরে এক? এটা আমাদের জন্য গৌরবের কারণ দিন শেষে তারা আমাদের দেশের সন্তান।

আরেকটা বিষয় তুলে ধরছি, তারা খুব শীগ্রই সরকার গঠন করবে কারণ তারা তাদের কর্মীদের দক্ষ করে ঘরে তুলে চাকরিসহ সকল প্রয়োজনে গুরুত্ব দেয় যেমনঃ একটা ওয়ার্ডের কর্মীদের যেভাবে গুরুত্ব সহকারে খোঁজ খবর নেয় অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে সেখানে বিএনপির সমর্থক অগণিত হওয়ায় কোন তোয়াক্কা পর্যন্ত করে ন।

আবার দেখা যায় তাদের অনেকাংশে যেমনঃ হসপিটাল ব্যাংকসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে তাদের সদস্যরা গুরুত্ব পায় সুযোগ সুবিধা নেয়। আর বিএনপির কি প্রতিষ্ঠান আছে তারা কি করে ইত্যাদি?

যাক ভাই তারা ও দেশের নাগরিক দেশ এবং আইন তাদের রাইটস দিয়েছে তারা তাদের দল করুক বা নিয়ম মেনে যা খুশি। অযথা গুপ্ত বলে বলে কি হবে গুপ্ত লিখতে তো আগে জানতে হবে বা এর ইতিহাস??”

এদিকে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের এই ফেসবুক পোস্টে নেটিজেনরা তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন- আজাদ হোসাইন কমেন্টে লেখেন, আপনি ঠিকই বলেছেন, একটি জাতি যখন শুধুমাত্র অতীতের গৌরব বা বিতর্ক নিয়ে পড়ে থাকে, তখন বর্তমানের সুযোগগুলো হাতছাড়া হয়ে যায়।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Scroll to Top