বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে ২৪ ইসরাইলি সেনাকে হত্যা করেছে গাজা উপত্যকার প্রতিরোধ যোদ্ধারা। বিশেষ করে হামাসের সামরিক শাখা আল কাসসাম ব্রিগেডসের হামলায় নিহত হয়েছে বেশি সংখ্যাক দখলদার সেনা। সর্বশেষ সেমাবারও জাবালিয়া ক্যাম্প এলাকায় ৫ সেনাকে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ওই অভিযানের দায় স্বীকার করে আল কাসসাম ব্রিগেডস বলেছে, জাবালিয়ার অপারেশনে তাদের যোদ্ধারা একদল সেনাকে লক্ষ্য করে শক্তিশালী বিস্ফোরক দিয়ে হামলা চালিয়েছে। আল কাসাসিব নামের মহল্লায় ১০ জন সেনার একটি দল একটি বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গেলে ওই হামলা চালানো হয়। হামলায় ৫ সেনা নিহত ও বাকিরা আহত হয়।
এছাড়া একই দিন আরেকটি জটিল অপারেশন চালানোর কথা জানিয়েছে আল কাসসাম, যেখানে তাদের যোদ্ধারা একজন সেনাকে স্নাইপারের গুলিতে হত্যা করেছে এবং একটি পদাতিক দলকে লক্ষ্য করে দুটি হামলা চালিয়েছে। হামলায় নিশ্চিতভাবেই হতাহত হয়েছে সেনারা।
জাবালিয়া ক্যাম্পের কাছে আল কাসাসিব এলাকায় আরেকটি পদাতিক বাহিনী একটি বাড়ির ভেতর আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করলে সেখানেও হামলা চালিয়েছে আল কাসসাম যোদ্ধারা। এছাড়া বেইত লাহিয়া এলাকায় সাত জন সেনার একটি দলের ওপর দুর্গ বিধ্বংসী টিবিজি শেল নিক্ষেপ করেছে। পাশাপাশি খুব কাছ থেকে রাইফেল ও গ্রেনেড দিয়েও হামলা করা হয় তাদের ওপর।
এদিন প্রতিরোধ যুদ্ধের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে আল কাসসাম ব্রিগেডস। ভিডিওতে দেখা গেছে একজন বয়স্ক মানুষ যুদ্ধে যোগ দিয়েছেন। গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় বাড়িতে বসে মরার চেয়ে যুদ্ধ করে দখলদার সেনাদের হত্যা করতে চান তিনি। এরপর দুজন হামাস যোদ্ধার সাথে হামলায় যোগ দেন ওই লোকটি। এ সময় ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকটি ট্যাংকের ওপর আল ইয়াসিন রকেট ও টিবিজি শেল দিয়ে হামলা চালান তারা। ইসরাইলি ট্যাংকে আগুন ধরার সাথে সাথে আল্লাহু আকবার বলে ধ্বনি শোনা যায়।




