বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুকে পাঁচটি মামলায় ঝালকাঠির কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তাকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন ঝালকাঠি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন।
ঝালকাঠি থানার পাঁচটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গত ১ জুন রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাসুদ মধু ঝালকাঠি শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার আব্দুল মন্নানের ছেলে। ২০২১ সালের ৩০ অক্টোবর ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পান তিনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত) সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক, বিএনপি অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগসহ ঢাকার একটি এবং ঝালকাঠি থানার পাঁচটিসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজায় অংশ নেন দলীয় নেতারা। ধানমন্ডি থানার ১২ নম্বর রোডের তাকওয়া মসজিদে পাশে তারা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের একত্রিত করে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল। দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য মিছিল করে দেশ বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে তারা। মাসুদ মধুকে সেখান থেকে আটক করে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এ ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিঠুন সিংহ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল মাসুদ মধুসহ নামধারী ছয়জন আরও ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার ১ নম্বর আসামি মাসুদ মধু। মাসুদকে সেই মামলায় ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ঘটনার পর ঝালকাঠি থানায় মাসুদ মধুর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চায় ধানমন্ডি থানা।
ঝালকাঠি থানায় পাঁচটি মামলার তথ্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ধানমন্ডি থানার একটি মামলায় আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ঝালকাঠিতেও পাঁচটি মামলা রয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে ঝালকাঠির মামলাগুলোতে দৃশ্যমান গ্রেপ্তার (শোন অ্যারেস্ট) দেখানো হয়েছে। সেই মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঝালকাঠির আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
বাংলা নিউজ