বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
বরগুনা জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর দুটি পৃথক কক্ষ থেকে মা ও দুই মেয়ের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ৭ দিন পর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত ইতি রানীর স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে বরগুনা সদর থানায় মামলাটি করেন।
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার (৯ জুন) গভীর রাতে মামলাটি দায়ের করা হয়।
লাশ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা দেয়, দুই মেয়েকে হত্যার পর ইতি রানী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। এ ঘটনায় পুলিশ একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। তবে শুরু থেকেই নিহতদের স্বজনরা এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে আসছিলেন।
ঘটনার পরেরদিন ৪ জুন বিকেলে বরগুনা পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচিও পালন করা হয়। একই সঙ্গে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ নিয়ে যাওয়ার সময়ও স্বজন ও এলাকাবাসী বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করেন।
নিহত পরিচ্ছন্নতাকর্মী ইতি রানীর স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, মঙ্গলবার রাতে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা করেছি। এর আগে থানায় মামলা করতে গেলে অন্য আরেকজনকে মামলার বাদি হতে বলেন, এবং আদালতে গেলেও মামলা নিতে চায়নি।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, নিহত ইতি রানীর স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলাটি তদন্তাধীন। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। জাগো নিউজ




