বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে ১৪ অক্টোবরের ঘটনা পর্যালোচনা করে সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দিয়েছে কেন্দ্র; সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমের তত্ত্বাবধানে কার্যক্রম পরিচালনা এবং ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটিকে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ওই দিন সন্ধ্যায় মহানগর জামায়াতের কমিটি গঠন নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে মহানগর জামায়াত সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে এবি পার্টির মহানগর কমিটির আহ্বায়ককে দল থেকে অব্যাহতি দয়ো হয়েছে।
জামায়াতের দলীয় সূত্র জানিয়েছে, কুমিল্লা মহানগরী শাখা কার্যালয়ে গত ১৪ অক্টোবর সংঘটিত ঘটনা ও উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াত কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনা বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা শেষে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে ৬৩ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা মহানগরী সংগঠন পরিচালিত হবে। এ দায়িত্ব পালন করবেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।
এ ছাড়া ১৪ অক্টোবরের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।
কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জামায়াতের আমিরের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।




