চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চরফ্যাশন উপজেলা কমিটিতে নিজের অজান্তে নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সরকারি কর্মকর্তা মো. সফিউল্লাহ জগলু। এ ঘটনায় তিনি চরফ্যাশন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সফিউল্লাহ জগলু বলেন, গত ১০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে এনসিপির চরফ্যাশন উপজেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। ৫ অক্টোবর ভোলা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব স্বাক্ষরিত কমিটির তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সফিউল্লাহ জগলু লালমোহন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (প্রাণী স্বাস্থ্য) হিসেবে কর্মরত। বর্তমানে তিনি ডেপুটেশনে চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি জানার পর ভোলা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। এ সময় তাঁকে জানানো হয়, ভুলবশত তাঁর নাম কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পরে তাঁর নাম বাদ দিয়ে আবু বাছেদ সিকদারকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করে সংশোধিত কমিটি ঘোষণা করা হয়।
সফিউল্লাহ জগলু বলেন, তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা। তাঁর অজান্তে রাজনৈতিক দলের কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও জাতীয় পত্রিকায় এ-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এতে তিনি সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছেন বলে দাবি করেন। এ ঘটনায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অংশ হিসেবে তিনি থানায় জিডি করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে ভোলা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমান বলেন, চরফ্যাশন উপজেলায় তিন দিনের জন্য সাত সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। পরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সময় সফিউল্লাহ জগলুর নাম রাখা হয়নি। অসাবধানতাবশত তাঁর নাম উপজেলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, সফিউল্লাহ জগলু কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য তাঁদের কাছে কোনো আবেদন করেননি। এমনকি এনসিপির কমিটিতে তাঁর নাম থাকার বিষয়েও তিনি অবগত ছিলেন না।




