সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির মৃত্যু: পাঁচ চিরকুটে জীবন-যন্ত্রণার ছায়া

জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়

বরিশালের সাংবাদিকতা অঙ্গনে পুলক চ্যাটার্জি ছিলেন পরিচিত একটি নাম। দীর্ঘ সময় ধরে সংবাদ সংগ্রহ, সম্পাদনা, ব্যুরো পরিচালনা এবং সহকর্মীদের সঙ্গে পেশাগত সম্পর্ক—সব মিলিয়ে সাংবাদিকতার সঙ্গে তাঁর ছিল দীর্ঘ পথচলা। অথচ সেই সাংবাদিকের জীবনের শেষ অধ্যায়টি লেখা হলো এমন এক সংবাদকক্ষে, যেখানে তিনি একসময় অসংখ্য মানুষের জীবন, সমাজের অসংগতি ও সময়ের নানা গল্প লিখেছেন।

১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর প্যারারা রোডের একটি থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি হাতে লেখা চিরকুটও উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণের জন্য আইনগত প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্তের বিষয়টি তখনও চলমান ছিল।

কিন্তু একজন সাংবাদিকের মৃত্যু শুধু একটি মৃত্যুর খবর নয়। বিশেষ করে যখন মৃত্যুর আগে তিনি পাঁচটি আলাদা চিরকুট রেখে যান, তখন সেই চিরকুটগুলোকে শুধু আবেগের দলিল হিসেবে দেখলে পুরো ঘটনাটিকে বোঝা সম্ভব হয় না। বরং সেখানে একজন মানুষের দীর্ঘদিনের শারীরিক যন্ত্রণা, কর্মহীনতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সামাজিক সংকোচ এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ—সবকিছুর ছায়া একসঙ্গে দেখা যায়।

শেষ বিকেলের ঘটনাপ্রবাহ

ঘটনার আগের দিনও পুলক চ্যাটার্জি পরিচিত কর্মপরিবেশের কাছেই ছিলেন। সাবেক কর্মস্থলের কার্যালয়ের একটি চাবি তাঁর কাছে ছিল। চাকরি না থাকলেও মাঝেমধ্যে তিনি সেখানে যেতেন, বসতেন, পরিচিত পরিবেশে সময় কাটাতেন। এই তথ্যটি ঘটনাটির সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিকগুলোর একটি।

ঘটনার দিন দুপুরে তিনি ওই কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা সহকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তাঁর স্ত্রী ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে না পেয়ে সহকর্মীকে বিষয়টি জানান। সন্ধ্যায় সহকর্মী কার্যালয়ে গিয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয় এবং দরজা খুলে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে ভাবার মতো—একজন মানুষ চাকরি হারানোর পরও কেন পুরোনো কর্মস্থলের সঙ্গে এমনভাবে যুক্ত থাকেন? শুধু অভ্যাসের কারণে? নাকি কর্মজীবনের সঙ্গে গড়ে ওঠা দীর্ঘ সম্পর্কের কারণে? নাকি সেই জায়গাটিই তাঁর কাছে জীবনের পরিচিত শেষ আশ্রয়গুলোর একটি হয়ে উঠেছিল?

এর উত্তর হয়তো তদন্তে পুরোপুরি পাওয়া যাবে না। তবে ঘটনাপ্রবাহটি অন্তত একটি বিষয় সামনে আনে—কর্মজীবন একজন মানুষের কাছে শুধু বেতন বা পদ নয়; অনেক সময় সেটিই হয়ে ওঠে তাঁর পরিচয়, সামাজিক অবস্থান, আত্মমর্যাদা এবং প্রতিদিনের বেঁচে থাকার একটি কাঠামো।

পাঁচ চিরকুট—একটি মৃত্যুর ভেতরে বহু স্তরের গল্প

ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত পাঁচটি চিরকুটের বিষয়বস্তু পাশাপাশি রাখলে বোঝা যায়, মৃত্যুর আগে পুলক চ্যাটার্জি তাঁর চারপাশের মানুষ এবং নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে আলাদাভাবে ভেবে গিয়েছিলেন। একটি ছিল স্ত্রী ও মেয়েকে ঘিরে, একটি ছোট ভাইকে উদ্দেশ্য করে, একটি পরিচিত সাংবাদিক সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে, একটি দীর্ঘদিনের সহকর্মীর উদ্দেশে এবং আরেকটি প্রশাসনের জন্য।

প্রশাসনের উদ্দেশে লেখা অংশে তিনি তাঁর শারীরিক অসুস্থতা ও দীর্ঘদিনের রোগযন্ত্রণার কথা উল্লেখ করেছেন। সুস্থ হওয়ার জন্য চিকিৎসা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন, এমনকি ভারতের ভেলোরেও চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন—এমন কথাও উঠে এসেছে। তাঁর ভাষ্যের সারকথা ছিল, দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা তাঁর স্বাভাবিক জীবনযাপন ও সামাজিক চলাফেরাকে সংকুচিত করে দিয়েছিল।

এই জায়গাটিই পুরো ঘটনাটির বিশ্লেষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ, ঘটনাটিকে যদি শুধু চাকরি হারানোর ফল হিসেবে দেখা হয়, তাহলে চিরকুটে থাকা অসুস্থতা ও দীর্ঘদিনের শারীরিক যন্ত্রণার বিষয়টি উপেক্ষিত থেকে যায়। আবার শুধু অসুস্থতার কারণে ঘটেছে বললেও কর্মহীনতা, পাওনা অর্থ এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর উদ্বেগকে ব্যাখ্যা করা যায় না।

অর্থাৎ, এখানে একটি মাত্র কারণ খুঁজে পাওয়া সহজ হলেও বাস্তবতা সম্ভবত তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল।

চাকরি হারানো—কিন্তু শুধু চাকরির গল্প নয়

২০২৩ সালের মে মাসে পুলক চ্যাটার্জি চাকরি হারান। এরপর তিনি নিয়মিত কর্মজীবনের বাইরে চলে যান। পরিচিত সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি মাঝে মাঝে পুরোনো অফিসে যেতেন এবং সেখানে সময় কাটাতেন।

কর্মজীবনের দীর্ঘ সময় পার করার পর হঠাৎ চাকরি হারানো একজন মানুষের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা বোঝার জন্য আলাদা কোনো পরিসংখ্যানের প্রয়োজন হয় না। বিশেষ করে যখন বয়স, পারিবারিক দায়িত্ব, চিকিৎসা ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা—সবকিছু একই সময়ে সামনে থাকে।

তবে এখানেও সতর্ক থাকা জরুরি।

পুলক চ্যাটার্জির স্ত্রী জানিয়েছেন, চাকরি হারানোর পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন; কিন্তু শুধু চাকরি হারানোর কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেবেন—এমনটা পরিবার ভাবেনি। এই বক্তব্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বাইরে থেকে একজন মানুষের কষ্টের যে কারণটি সবচেয়ে দৃশ্যমান মনে হয়, তার ভেতরে হয়তো আরও অনেক অদৃশ্য কারণ কাজ করে।

তাই পুলকের মৃত্যুকে শুধু ‘চাকরি হারানোর পর হতাশা’ দিয়ে ব্যাখ্যা করা দায়িত্বশীল বিশ্লেষণ হবে না।

বরং চাকরি হারানো, দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা, চিকিৎসার চাপ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়ার অনুভূতি এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা—এই সবকিছুকে পাশাপাশি রেখে ঘটনাটিকে দেখতে হবে।

চিরকুটে সবচেয়ে বেশি ছিল পরিবার

পাঁচটি চিরকুটের সবচেয়ে মানবিক দিকটি সম্ভবত তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে ঘিরে লেখা অংশ।

মেয়েকে তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে বলেছেন, গান শেখার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন। স্ত্রীকে নিজের অনুপস্থিতির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন এবং ছোট ভাইয়ের সহায়তায় থাকার কথা বলেছেন। ছোট ভাইকেও স্ত্রী ও মেয়ের দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ করেছেন। নিজের ব্যাংক হিসাব ও মুক্তিযুদ্ধের ভাতাসহ আর্থিক বিষয়গুলো নিয়েও তিনি নির্দেশনা দিয়ে গেছেন।

এখানে একজন বাবার শেষ চিন্তাটি খুব স্পষ্ট—নিজের জীবনের শেষ মুহূর্তেও তাঁর ভাবনায় ছিল মেয়ের ভবিষ্যৎ।

একজন মানুষ যখন নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আর কোনো পরিকল্পনা করছেন না, তখনও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে নির্দেশনা রেখে যান—এই বৈপরীত্যটি গভীরভাবে নাড়া দেয়।

এটি আমাদের আরও একটি কঠিন বাস্তবতার সামনে দাঁড় করায়। অনেক সময় মানুষ নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ না করেও পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা করতে থাকে। বাইরে থেকে তাকে স্বাভাবিক মনে হতে পারে, অথচ ভেতরে সে হয়তো দীর্ঘদিন ধরে ভয়, হতাশা কিংবা অসহায়তার সঙ্গে লড়াই করছে।

পুরোনো অফিসের চাবি—একটি প্রতীকি প্রশ্ন

পুলক চ্যাটার্জির কাছে তাঁর সাবেক কর্মস্থলের একটি চাবি ছিল। চাকরি চলে যাওয়ার পরও সেই চাবি তাঁর কাছে থেকে যায়। তিনি মাঝেমধ্যে অফিসে যেতেন। সংবাদপত্র পড়তেন, সহকর্মীদের সঙ্গে সময় কাটাতেন।

চাবিটি তাই এখানে শুধু একটি ধাতব বস্তু নয়; এটি হয়ে উঠেছে তাঁর অতীত জীবনের সঙ্গে বর্তমানের একটি প্রতীকী সংযোগ।

যে জায়গায় একসময় তাঁর পেশাগত পরিচয় ছিল, সেখানে চাকরি না থাকলেও তিনি ফিরে যেতেন। হয়তো সেখানে তাঁর পরিচিত মানুষ ছিল, পরিচিত চেয়ার ছিল, পরিচিত সংবাদপত্র ছিল, ছিল বহু বছরের কর্মজীবনের স্মৃতি।

সেই জায়গাতেই শেষ পর্যন্ত তাঁর জীবনের শেষ অধ্যায়টি ঘটেছে—এটি নিছক একটি ঘটনাচক্র বলেই শেষ করে দেওয়া যায় না। এর মধ্যে একজন মানুষের কর্মজীবন, পরিচয় এবং হারিয়ে যাওয়া অবস্থানের গভীর মনস্তাত্ত্বিক প্রতিফলন খুঁজে পাওয়া যায়।

পাঁচটি চিরকুট আসলে কী বলে?

তথ্যগুলো পাশাপাশি রেখে বিশ্লেষণ করলে আমার কাছে যে চিত্রটি স্পষ্ট হয়, তা হলো—পুলক চ্যাটার্জির জীবনের শেষ পর্যায়ে একাধিক চাপ একসঙ্গে কাজ করছিল।

একদিকে দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা ও চিকিৎসার চেষ্টা। অন্যদিকে কর্মহীনতার বাস্তবতা। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সামাজিকভাবে নিজেকে পিছিয়ে পড়া মনে করা এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ।

কিন্তু এই সবকিছুর কোনটি কতটা প্রভাব ফেলেছিল, তা নিশ্চিত করে বলা এখনই সম্ভব নয়। কারণ মৃত্যুর আগে একজন মানুষের মানসিক অবস্থার সম্পূর্ণ ছবি শুধু কয়েকটি চিরকুট বা স্বজনদের বক্তব্য দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না।

এ কারণেই তদন্তের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ আত্মহত্যার সন্দেহ করলেও বিষয়টি তদন্তাধীন ছিল এবং ময়নাতদন্তসহ আইনগত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর চূড়ান্ত কারণ নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দলও কাজ করেছে।

একজন সাংবাদিকের মৃত্যু আমাদের কী প্রশ্ন রেখে গেল?

পুলক চ্যাটার্জির মৃত্যু শুধু একজন প্রবীণ সাংবাদিকের চলে যাওয়া নয়; এটি সাংবাদিক সমাজের জন্যও কয়েকটি প্রশ্ন রেখে গেছে।

একজন দীর্ঘদিনের সাংবাদিক চাকরি হারানোর পর কতটা নিরাপদ থাকেন?

কর্মজীবন শেষ বা চাকরি হারানোর পর সাংবাদিকদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তার কোনো কার্যকর কাঠামো আছে কি?

দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে একজন কর্মহীন সাংবাদিক কোথায় দাঁড়ান?

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—একজন সহকর্মী যখন ধীরে ধীরে ভেঙে পড়েন, তখন তাঁর চারপাশের মানুষ কতটা তা বুঝতে পারেন?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর হয়তো পুলক চ্যাটার্জির মৃত্যুর তদন্তে পাওয়া যাবে না। কিন্তু সাংবাদিক সমাজকে এগুলোর উত্তর নিজেদের মধ্যেই খুঁজতে হবে।

কারণ একটি সংবাদপত্রের অফিস শুধু খবর তৈরির জায়গা নয়। সেখানে মানুষের জীবনের বহু বছর কেটে যায়। সম্পর্ক তৈরি হয়, পরিচয় তৈরি হয়, স্বপ্ন তৈরি হয়। সেই সম্পর্কের জায়গা থেকে কাউকে যখন হঠাৎ বিচ্ছিন্ন হতে হয়, তখন তার প্রভাব শুধু অর্থনৈতিক নয়—মানসিক ও সামাজিকও হতে পারে।

শেষ কথা

পুলক চ্যাটার্জির মৃত্যুকে ঘিরে এখন সবচেয়ে জরুরি হলো—তথ্য, তদন্ত এবং মানবিকতার প্রতি দায়িত্বশীল থাকা।

তাঁর রেখে যাওয়া চিরকুটগুলোকে কেবল আবেগের উপকরণ বানিয়ে দেখলে চলবে না। সেগুলোর ভেতরে যে অসুস্থতা, কর্মহীনতা, অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের ইঙ্গিত রয়েছে, সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

একই সঙ্গে তাঁর মৃত্যুকে কোনো একক কারণের ফল হিসেবে চিহ্নিত করার তাড়াহুড়োও ঠিক হবে না।

একজন সাংবাদিক সারাজীবন অন্য মানুষের জীবনের অজানা গল্প খুঁজে বের করেন। পুলক চ্যাটার্জিও হয়তো তেমনই অসংখ্য মানুষের গল্প লিখেছেন। কিন্তু নিজের জীবনের শেষ সময়ে তাঁর ভেতরে কী চলছিল, তার পুরো গল্প হয়তো আর কোনোদিন জানা যাবে না।

শুধু পাঁচটি চিরকুট, কিছু স্মৃতি, কিছু অসমাপ্ত দায়িত্ব আর একটি পুরোনো অফিসের চাবি পড়ে রইল।

আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি রয়ে গেল—

একজন মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয় শুধু একটি কারণ, নাকি বহুদিন ধরে জমে থাকা অসংখ্য অদৃশ্য কষ্ট একসময় একসঙ্গে ভারী হয়ে ওঠে?

পুলক চ্যাটার্জির মৃত্যু সেই প্রশ্নটিই আমাদের সামনে নতুন করে রেখে গেল।

যে সংবাদকক্ষে তিনি একসময় অন্য মানুষের জীবনের গল্প লিখতেন, শেষ পর্যন্ত সেই সংবাদকক্ষই হয়ে রইল তাঁর নিজের জীবনের শেষ অধ্যায়ের নীরব সাক্ষী।

 

জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়
প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক, বিএম কলেজ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, বরিশাল

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Are you human? Please solve:Captcha


Scroll to Top