নিজস্ব সংবাদদাতা
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। রবিবার (২ আগস্ট) যুবদলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শামীম হাওলাদারের নেতৃত্বে ধাওয়া ইউনিয়ন জমায়াতের সভাপতি নাসির উদ্দিনের উপর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় আরো আহত হয়েছেন পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন।
জামায়াত নেতা নাসির উদ্দিন জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আমন্ত্রণে ‘গণতন্ত্র মুক্ত দিবস’ পালনের লক্ষ্যে সমন্বয় সভায় আলোচনার জন্য তিনি এবং আরো দু’জন সদস্য ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিসে যান।
অনুষ্ঠানের ব্যাপারে কথা বলতে গেলে উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শামীম হাওলাদার তাকে বাধা দেন। তিনি এর প্রতিবাদ করলে শামীম হাওলাদারের সাথে বিএনপি ও যুবদলের উপস্থিতিতে আরো ২০/৩০ জন সদস্য একযোগে তাকে বাধা প্রদান করেন। এ বিষয়ের ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনিও বিএনপিও ছাত্রদল- যুবদলের পক্ষ অবলম্বন করেন।
তিনি বলেন, বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে উপজেলা পরিষদ থেকে বের হয়ে আসার সময় শামীম হাওলাদারের নেতৃত্বে বিএনপি এবং যুবদল- ছাত্রদলের ২০/৩০ সন্ত্রাসী আমার উপরে হামলা চালায়। এ সময় আমার সাথে থাকা পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি সার্জেন্ট (অবসরপ্রাপ্ত) আনোয়ার হোসেন আহত হন। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।
হামলার সময়ে বিএনপির উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মনির আকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বিপ্লব, বাচ্চু সিকদার, ছাত্রদলের উপজেলা আহবায়ক হিরন উপস্থিত ছিলেন বলে জানান নাসির উদ্দিন।
পক্ষপাতিত্বের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিবুল হাসান বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে সকলের প্রতি সমান অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে, কারো পক্ষ অবলম্বন করা হয়নি। অনুষ্ঠানের বাইরে কিছু হয়ে থাকলে তার দায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপরে বর্তায় না।
ঘটনার ব্যাপারে জানতে উপজেলার যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শামীম হাওলাদারের সাথে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।




