গৌরনদী (বরিশাল) সংবাদদাতা
গৌরনদীতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়া ২০টি পরিবারের চলাচলের রাস্তায় নির্মিত পাকা দেয়াল ভেঙে দিয়ে অবশেষে সদস্যদের চলাচলের একমাত্র রাস্তার উন্মুক্ত করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ফলে অবরুদ্ধ হয়ে পড়া পরিবারগুলো স্বস্ত্বির নিঃশ্বাস ফেলছে। প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তারা।
গৌরনদী পৌরসভার তিখাসার নামক গ্রামে রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক রিফাত আরা মৌরির নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান। তিনি জনসাধারনের চলাচলের পথ বন্ধ করে পৌরসভার অনুমতি ছাড়া নির্মিত দেয়াল ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, মাওলানা নুরুজ্জামান, দেলোয়ার হোসেনসহ একাধিক ব্যক্তিরা জানান, তিকাসার গ্রামের রবিউল ভিলা সংলগ্ন পাইক বাড়ি এলাকার প্রায় ২০টি পরিবারের লোক জনের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি তারা নিজস্ব অর্থায়নে একাধিকবার মেরামত করেছেন। সম্প্রতি গৌরনদী পৌরসভা থেকে রাস্তাটি সংস্কার করতে এলে ওই এলাকার বাসিন্দা প্রবাসী কামাল সরদার ও তার পরিবারের সদস্যরা জমি ক্রয়সূত্রে দাবী করে বাঁধা দেয়।
রাস্তার মধ্যে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন। ফলে ২০টি পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।
বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক রিফাত আরা মৌরি রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন পাঠান উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মেহেদী হাসানকে। তিনি জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে পৌরসভার অনুমতি না নিয়ে পাকা দেয়াল নির্মাণ করায় শ্রমিক দিয়ে নির্মিত দেয়াল ভেঙে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে প্রবাসী কামাল সরদার বলেন, ২০১১ সালে আমার কেনা ২০ শতাংশ সম্পত্তির মধ্যে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি তিনটি রাস্তা দাবি করেন। আমি প্রধান সড়কের জন্য ইতোমধ্যে এক শতাংশ জমি দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, বাকি দুইটি রাস্তার জন্য জমি না দেয়ায় আমার জমিতে নির্মিত দেয়াল স্থানীয়রা একাধিকবার ভেঙে ফেলেছে। পুনরায় দেয়াল নির্মাণ করলে প্রশাসনের লোকজন এনে আমার নির্মিত পাকা দেয়াল ভেঙে ফেলা হয়।




