বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ভারতের বিপক্ষে কানপুরে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামার আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে দুই ফরম্যাটের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন তিনি।
এদিন সাকিব জানান, টি-টোয়েন্টিতে নিজের শেষ ম্যাচটা এরই মাঝে খেলে ফেলেছেন তিনি। টেস্ট ক্রিকেটের বিদায়টা তিনি নেবেন ঘরের মাটি থেকেই। অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে শেষবার বাংলাদেশের হয়ে সাদা পোশাকে দেখা যাবে সাকিব আল হাসানকে।
টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ক্যারিয়ার শেষের ঘোষণা দিলেও ওয়ান ডে ক্রিকেট আরো কিছুদিন চালাতে চান সাকিব। সেটা হতে পারে আগামী বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পর্যন্ত। এমন আভাস বৃহস্পতিবার নিজেই দিয়েছেন।
অবসরের কথা জানিয়ে সাকিব প্রেস কনফারেন্সে বলেন ‘আমার মনে হয় টি-টোয়েন্টি তে আমি আমার শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছি, মিরপুর টেস্টে (দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে) খেলতে পারলে সেটি হবে আমার শেষ টেস্ট’।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটাই ছিল ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণে সাকিব আল হাসানের শেষ ম্যাচ। সেমিফাইনালে ‘যেতে ডু অর ডাই’ হয়ে ওঠা সেই ম্যাচে ব্যাট হাতে প্রথম বলে আউট আর বল হাতে ১৯ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।
অনেক দিন ধরেই ব্যাট ও বল হাতে খুব একটা ভালো নেই সাকিবের পারফরম্যান্স। বয়সও ৩৫ পার হয়েছে। যে কারণে ক্যারিয়ার শেষ করার দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছিলেন এই তারকা।
সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তবে মাত্র ৭ মাসের মাথায় গণ আন্দোলনের মুখে পতন হয়েছে সেই সরকারের। সরকার পতনের সময় যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন তিনি। এরপর আর দেশে ফেরেননি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হোম সিরিজে খেলতে হলে ফিরতে হবে দেশে।
অবশ্য দেশে ফেরা নিয়ে সাকিবের কিছু ঝামেলা আছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার একটি মামলার আসামি তিনি। দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার বা অন্যভাবে হয়রানির একটা শঙ্কা আছে। সাকিব জানান, এ ব্যাপারে বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তিনি। দেশে ফিরতে এজন্য কিছু শর্তও জুড়ে দিয়েছেন।




