বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
আজ ২৫শে বৈশাখ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন।
প্রতিবছর ২৫শে বৈশাখে রবীন্দ্রপ্রেমী বাঙালির মনে তৈরি হয় বিশেষ এক আবহ। কারণ দিনটি শুধু একজন কবির জন্মদিন নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি, মনন ও আত্মপরিচয়ের দিনও।
১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে মর্যাদার আসনে বসিয়েছিলেন। কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, শিশুতোষ সাহিত্য, চিত্রকলায় তাঁর সৃষ্টিশীলতার অসামান্য দীপ্তি ছড়িয়ে আছে। মানবতা, দেশপ্রেম, সত্য ও ন্যায়ের পথে তাঁর সৃষ্টিকর্ম যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।
সাহিত্যের বাইরে শিক্ষা, কৃষি, গ্রামীণ অর্থনীতি ও সমাজকল্যাণে রবীন্দ্রনাথের অবদান অনন্য। শান্তিনিকেতনে ব্যতিক্রমী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা কিংবা বাংলাদেশের শাহজাদপুর ও পতিসরে কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করা তাঁর বহুমাত্রিক চিন্তার পরিচয় বহন করে।
সময়ের স্রোতে সমাজ বদলেছে, বদলেছে মানুষের জীবনযাত্রা। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ আজও বাঙালির অনুভবে চিরনতুন।
যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেশব্যাপী রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন করবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এ বছর কবির জন্মবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে কুষ্টিয়ার শিলাইদহসহ কবির স্মৃতিবিজড়িত জেলাগুলোতে নেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পৃথক আয়োজন রাখা হয়েছে।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে তিন দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের মূল অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। কুষ্টিয়ার পাশাপাশি কবির স্মৃতিধন্য নওগাঁর পতিসরেও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।




