বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
গাজা ও মিয়ানমারের মতো ভারতকেও একই তালিকায় রেখেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী- যেখানে মুসলিম জনগোষ্ঠিকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নিয়মিত। তবে খামেনীর এই বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে নয়া দিল্লি।
সোমবার খামেনীর অফিশিয়া এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দেয়া এক পোস্টে বলা হয়, ইসলামিক উম্মাহ পরিচয়ের ব্যাপারে ইসলামের শত্রুরা সব সময়ই আমাদের অনুৎসাহিত করে। গাজা, মিয়ানমার, ভারত কিংবা অন্য কোথাও একজন মুসলিম যে নির্যাতন ভোগ করছে সেটি ভুলে গেলে আমরা নিজেদের মুসলিম বলে পরিচয় দিতে পরি না।
এই পোস্টে ভারতের নাম যুক্ত হওয়ার কারণেই এর প্রতিবাদ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, ভারত সরকার এই মন্তব্যকে ভুল তথ্য যুক্ত আখ্যায়িত করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণবীর জয়সোয়াল বলেছেন, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ভারতের সংখ্যালঘুদের নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তার তীব্র নিন্দা জানাই আমরা। এগুলো ভুল তথ্য এবং অগ্রহণযোগ্য। যেসব দেশ সংখ্যালঘুদের নিয়ে কথা বলছে- পরামর্শ দিচ্ছি, তারা যেন অন্যদের নিয়ে পর্যবেক্ষণ দেওয়ার আগে নিজেদের কর্মকা-ের দিকে নজর দেয়।’
ইরানের ধর্মীয় নেতার বক্তব্যে ভারতের সংখ্যালঘুদের নিয়ে উদ্বেগ এই প্রথম নয়। ২০২০ সালের মার্চে দিল্লি দাঙ্গার সময় ওই ঘটনাকে মুসলিম গণহত্যা হিসেবে অভিহীত করেছিলেন খামেনী। সে সময় তিনি ভারতের প্রতি আহ্বান জানান, উগ্রবাদী হিন্দু ও তাদের দলগুলোকে মোকাবেলা করতে। নইলে ভারত মুসলিম বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
ভারতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মুসলিমসহ সংখ্যালঘু গোষ্ঠিগুলোর ওপর নিপীড়ন বেড়েছে। গরু গোশত খাওয়া, বাড়িতে রাখা এমনকি বহন করার কারণেও মুসলিমদের ওপর প্রায়ই নিপীড়নের ঘটনা ঘটে দেশটিতে।




