বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
গুলি, সংঘর্ষ আর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় শেষ হয়েছে পাকিস্তান তেহরিকই ইনসাফের শেষ ডাক কর্মসূচি। এদিন পুলিশের গুলিতে ১২ জন পিটিআই নেতাকর্মী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা। গ্রেফতার হয়েছে চার হাজারের বেশি নেতা-কর্মী ও সমর্থক।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের ডাকা সমাবেশ ঘিরে মঙ্গলবার রাজধানী ইসলামাবাদ উত্তাল হয়ে ওঠে। পথে পথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধা ডিঙিয়ে এক পর্যায়ে ইসলামাবাদের ‘ডি-চকে’ সমাবেশস্থলে পৌঁছে যান দলটির নেতা-কর্মীরা। সমাবেশে যাওয়ার পথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তাঁদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানীতে সেনা মোতায়েন করে পাকিস্তান সরকার।
মঙ্গলবার পিটিআই নেতাকর্মীরা ডি চক এলাকায় জড়ো হলে ধরপাকড় শুরু করে আইনশৃঙ্খল বাহিনী। তারা ব্যাপকভাবে টিয়ারগ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়তে থাকে। ইসলামাবাদে পিটিআইয়ের কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও দলটির কেন্দ্রিয় নেতা আলী আমিন গান্দারপুর। এছাড়া ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবিও উপস্থিত ছিলেন কর্মসূচিতে। এক পর্যায়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ ও রেঞ্জার্স বাহিনী। পিটিআই নেতা শের আফজাল মারওয়াত বলেছেন, আমরা বিক্ষোভ করতে সেখানে জড়ো হয়েছিলাম; কিন্তু গুলির মুখে কর্মসূচি পালন করা যায় না।
এক পর্যায়ে বুশরা বিবি ও গান্দারপুর গ্রেফতার হয়েছেন এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তবে পিটিআই সূত্র জানিয়েছে, নিরাপদে খাইবার পাখতুন খাওয়া পৌছেছেন তারা।
এদিকে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মী-সমর্থকদের লড়াই করে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক বিবৃতির মাধ্যমে মঙ্গলবার এমন আহ্বান জানিয়েছেন কারাগারে বন্দি ইমরান। তাকে উদ্বৃত করে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি জনগণ ও পিটিআই কর্মীদের আমি স্যালুট জানাই যারা নিজেদের অধিকারের জন্য দাঁড়িয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছে এবং এই দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া মাফিয়ার কাছ থেকে সত্যিকারের স্বাধীনতা চাইছে।
ইমরান খান আরও বলেছেন, শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করুন। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা পেছনে ফিরব না। ##




