গাজা ৫ ইসরাইলি সেনাকে হত্যা

 

বরিশাল জার্নাল ডেস্ক : গাজা উপত্যকায় প্রতিরোধ যুদ্ধের ৪৪২তম দিন ছিলো শনিবার। যথারীতি এদিনও উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে দখলদার সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে প্রতিরোধ যোদ্ধারা।

হামাসের সামরিক শাখা আল কাসসাম ব্রিগেডস জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা এদিন জাবালিয়া শরনার্থী শিবির এলাকায় একটি জটিল অপারেশন চালিয়েছে। এ অভিযানে তিন ইহুদিবাদী সেনাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে এবং তাদের অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। যোদ্ধাদের ছুরিকাঘাতে ওই তিন সেনা ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে।

এরপর যোদ্ধারা ঝড়ের বেগে একটি বাড়িতে প্রবেশ করে একদল সেনাকে অবরুদ্ধ করে। বাড়ির গেটে অবস্থান নেয়া দুজন সেনাকে তারা হত্যা করে। এরপর বাড়ির ভেতরে থাকা সেনাদের সাথে খুব কাছ থেকে লড়াই হয় যোদ্ধাদের।

একই এলাকায় আরেকটি অপারেশনে আল কাসসামের যোদ্ধারা একটি ট্রুপ ক্যারিয়ারের কাছে থাকা সেনাদের ওপর হ্যান্ড গ্রেনেড ছুড়েছে। হামলায় সেখানে থাকা একদল সেনার সবাই নিহত ও আহত হয়েছে।

গত কিছুদিন ধরেই জাবালিয়া এলাকায় ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালাচ্ছে দখলদার বাহিনী। প্রতিরোধ যোদ্ধারাও এলাকাটিতে সেনাদের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে। গত কয়েক সপ্তাহে জাবালিয়ায় কয়েক ডজন দখলদার সেনাকে হত্যা করেছে প্রতিরোধ যোদ্ধারা। প্রায় প্রতিদিনই প্রতিরোধ যুদ্ধের ভিডিও প্রকাশ করছে আল কাসসাম ও আল কুদস ব্রিগেডস।

প্যালেস্টাইন ক্রনিকলের খবরে বলা হয়েছে, ইসরাইলি সেনারা যখন উন্নত প্রযুক্তি ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ওপর নির্ভর করছে তখন প্রতিরোধ যোদ্ধারা ব্যক্তিগত দক্ষতা ও নৈপুণ্যের ওপর নির্ভর করে তাদের মোকাবেলা করছে।

এদিকে গাজা উপত্যকায় হামলা চালিয়ে আরো ২১ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। এই হামলার পরে গাজায় নিহতের সংখ্যা অফিশিয়ালি ৪৫ হাজার ছাড়িয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই যুদ্ধে আহতের সংখ্যাও এক লাখের বেশি ছাড়িয়েছে।
তবে পর্যবেক্ষক ও উদ্ধারকারী সংগঠনগুলো জানিয়েছে, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা আরো বেশি হবে। কারণ বিধ্বস্ত ভবনের নিচে এখনো প্রচুর মানুষ চাপা পড়ে আছে। যুদ্ধ পরিস্তিতি ও যন্ত্রপাতির অভাবে তাদের উদ্ধার করা যাচ্ছে না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Scroll to Top