বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
মোনাই অধিকারী রাতে অসুস্থ হয়ে পরলে, যদি তাকে ওইদিন রাতেই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাকে হয়তো বাঁচানো সম্ভব ছিলো বলে জানান তার স্ত্রী রিনা অধিকারী (৪৫)।
এর পূর্বে একই বাড়ির ব্রজেন হালদারের স্ত্রী কুমুদিনী (৯০) হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকেও টিনের উপর করে বাড়ির লোকজন দেড় কিলোমিটার পায়ে হেঁটে, মাথায় নিয়ে সড়কে পৌঁছে ভ্যান করে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে একই বাড়ির মোনাইর কাকা শ্বশুর সঞ্জয় হালদার বলেন, মোনাই অধিকারী রাতে অসুস্থ হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় পরের দিন দুপুরে আমি, শাওন, শ্রীনিবাস, দ্বিপংকর, বিদ্যুৎ ও হৃদয় হালদার বাঁশে নেট বেঁধে কেন মোনাই অধিকারীকে নেটের মধ্যে বসিয়ে কাঁধে ঝুলিয়ে দয়াল ওঝার দোকানের কাছে সড়কে পৌঁছে ভ্যানে করে হাসপাতালে যাই।
এ ব্যাপারে পশ্চিম জলিরপাড় গ্রামের মালা হালদার (৩০) ও গোলাপি হালদার (৫৫) জানান, বেশী ভোগান্তিতে পরতে হয় বর্ষাকালে। পায়ে হাঁটা যায় না, নৌকাও চলে না। এই এলাকায় শিক্ষার্থীরা কোদালধোয়া প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও পূর্ব জলিরপাড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতে অসুবিধায় পড়তে হয়য়। বেশী ভোগান্তিতে পরতে হয় সন্তান সম্ভবা কেউ অসুস্থ হলে। ভোটের আগে অনেক প্রার্থীরা আমাদের যাতায়াতের জন্য রাস্তা করার প্রতিশ্রুতি দেয়। ভোটের পরে আর আমাদের সংবাদ নেয় না।
বাকাল ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পরিমল হালদার বলেন, ইউএনও স্যার আমাকে বলেছে মাটির কাজের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। আপনারা স্থানীয়ভাবে মাটির কাজ করলে আমি হেরিংবন্ডের কাজ করে দেব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিখন বনিক এ বিষয়ে বলেন, পশ্চিম জলিরপাড় গ্রামের যে রাস্তাটি হওয়ার প্রয়োজন সে জায়গাটি দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংল নিউজ




