বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
মস্তিষ্ক কীভাবে জমিয়ে রাখে স্মৃতি, জমে থাকা সেই স্মৃতি কীভাবে অনুভূতি ও আচরণে সাড়া দেয়, তা একটি বড় রহস্য হয়ে আছে বিজ্ঞানীদের কাছে। আর সেই রহস্য বোঝার একটি পদ্ধতি দেখিয়ে চিকিৎসার নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী।
এই তিন বিজ্ঞানী হলেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডাইসরথ ও পিটার হেগেমান এবং জার্মানির গিয়র্গ নগ্যল।
সোমবার নোবেল কমিটি এবছর চিকিৎসায় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে এই তিনজনের নাম ঘোষণা করেছে।
আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিকস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারে ভূষিত হচ্ছেন তারা।
নোবেল কমিটি জানিয়েছে, হেগেমান ও নাগেল ‘চ্যানেলরোডপসিন’ নামে একটি প্রোটিন আবিষ্কার করেন। পরে ডেইসারথ এই প্রোটিনকে স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণের জন্য আলো-নিয়ন্ত্রিত সুইচে রূপ দেন।
তাদের এই কাজ স্নায়ুবিজ্ঞানে যুগান্তকারী আবিষ্কার হিসেবে দেখছে নোবেল কমিটি।
কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, অপটোজেনেটিকসের মাধ্যমে জীবিত মস্তিষ্কে নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষের কার্যক্রম চালু বা বন্ধ করা সম্ভব হয়। মস্তিষ্কের রহস্য উন্মোচনে এখন বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণাগারে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।
গত বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের মেরি ব্রাঙ্কো ও ফ্রেড র্যামসডেল এবং জাপানের শিমন সাকাগুচি। ‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’ নিয়ে আবিষ্কারের জন্য তাদের পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।
বরাবরের মতো এবারও চিকিৎসা বিজ্ঞানে পুরস্কারজয়ীদের নাম প্রকাশের মধ্যদিয়ে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা শুরু হলো। এরপর ধারাবাহিকভাবে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও শান্তি ও অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা হবে।
আগামী ১০ ডিসেম্বর সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মনোনীতদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হবে।
প্রতিটি নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৩ কোটি টাকা।
সূত্র : রয়টার্স ও সিএনএন




