চরফ্যাশন নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষকে মাউশির কারণ দর্শানোর নোটিশ

​চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

এনটিআরসিএ ই-রিকুইজিশনে প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও ‘গার্হস্থ্য অর্থনীতি’ বিষয়ে প্রভাষক পদের ভুল চাহিদা পাঠানোর অভিযোগে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজের (বর্তমান নাম: চেয়ারম্যানবাজার আইডিয়াল কলেজ) অধ্যক্ষ এ কে এম শাহাবুদ্দিনকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

১৬ জুন  মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কলেজ শাখা-৩ (বেসরকারি কলেজ) থেকে এই নোটিশটি জারি করা হয়। মাউশির সহকারী পরিচালক মো. মাহিন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই নোটিশের স্মারক নম্বর: ৩৭.০২.০০০০.১০৫.৯৯.০০১১.২৫.৪৪৮।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ই-রিকুইজিশনে শূন্য পদের চাহিদা পাঠাতে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম কাম্য শিক্ষার্থী থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজে ডিগ্রি (পাস) পর্যায়ে ‘গার্হস্থ্য অর্থনীতি’ বিষয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষক পদের চাহিদা পাঠানো হয়।

​পরবর্তীতে মাউশির আঞ্চলিক কার্যালয় কর্তৃক তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিষয়টি ভুল চাহিদা হিসেবে ধরা পড়ে। একই সঙ্গে যাচাইয়ের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ না করায় কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, এনটিআরসিএ’র ই-রিকুইজিশনে ভুল তথ্য প্রদান এবং যাচাইয়ের জন্য সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ না করার মাধ্যমে সরকারি বিধিমালা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘিত হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমন ভুল চাহিদার কারণে একদিকে যেমন প্রশাসনিক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে ভুল পদে কোনো প্রার্থী নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হলে পরবর্তীতে এমপিওভুক্তির (MPO) ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হন।

​এ কারণে ‘জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০ ২০২১’-এর ১৮.১(ঘ) ধারা অনুযায়ী কেন সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষের এমপিও স্থগিত বা বাতিল করা হবে না এবং গভর্নিং বডির সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণা করা হবে না—সে বিষয়ে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে মাউশিতে লিখিত জবাব পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​মাউশির এই কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজ (চেয়ারম্যান বাজার আইডিয়াল কলেজ) অধ্যক্ষ এ কে এম শাহাবুদ্দিন বলেন, ” আমি হাতে কোন নোটিশ পাইনি, নিধারিত সময়ের মধ্যে কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দিবো।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Are you human? Please solve:Captcha


Scroll to Top