
ডেস্ক রিপোর্ট
নেত্রকোনার সদর উপজেলায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) রাজনীতি করায় হলফনামার মাধ্যমে ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন মীর মো. আব্দুল মালেক।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হলফনামার ছবি ভাইরাল হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মীর মো. আব্দুল মালেক বলেন, ছেলেকে শত চেষ্টা করেও তার রাজনীতি (ছাত্রলীগের) থেকে ফেরাতে পারিনি। তাই তার মঙ্গলের জন্যই ত্যাজ্যপুত্র করেছি।
এর আগে গত শুক্রবার (৬ মার্চ) নেত্রকোনা জেলা নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে ছেলেকে ত্যাজ্য করে আব্দুল মালেক একটি অ্যাফিডেভিট করেন; যার নাম্বার ৩১০।
‘ত্যাজ্যপুত্র’ ঘোষণা দেওয়া মীর মো. সাজেদুর রহমান ছোটন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি।
হলফনামায় আব্দুল মালেক উল্লেখ করেছেন, পরিবার ও স্বজনরা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক মতবিরোধ এবং বিভিন্ন সময়ে তার দাবি-দাওয়া আদায়ে অসদাচারণের কারণে তার সঙ্গে তিক্ততার সম্পর্ক চলমান রয়েছে। এসব কারণে ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সরকার (অন্তর্বর্তী) ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও ছেলে ছোটন বাবার নিষেধ উপেক্ষা করে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছেন। এ ঘটনা জানার পর বাবা তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। ভবিষ্যতে ছেলে কোনো বেআইনি কাজে জড়িত থাকলে তার দায়-দায়িত্ব তিনি নেবেন না।
এ বিষয়ে মীর মো. সাজেদুর রহমান ছোটন বলেন, আমি প্রায় ৩ বছর ধরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। কারণ তারা সবাই বিএনপি করেন। আমার বড় ভাই সাবেক ছাত্রদল নেতা। আমি ছাত্রলীগ করি বলে গত আগস্ট মাসেও ফেসবুকে আমার বাবা আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন। এখন দেখলাম, আমাকে ত্যাজ্যপুত্র করেছেন। রাজনীতির জন্য আজ আমার পরিবার রক্তের সম্পর্ক ছিন্ন করলেও আমি আমার রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হব না। এশিয়া পোস্ট




