চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি
ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ১১নং রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের বাথরুমে জেলেদের জন্য বরাদ্দ ‘জেলে কার্ডের’ ২৭০ কেজি চাল পাওয়া গেছে। ১২ অক্টোবর শনিবার বিকেলে চাল উদ্ধারের পর ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারকারিরা চালের বস্তার ছবি পোস্ট করে এবং বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে।
পাশাপাশি চাল উদ্ধারের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ওই সচিব তৎপরতা চালাচ্ছেন বলেও গুঞ্জন ওঠে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সচিব আ: কাদের এই প্রতিবেদককে বলেন, যার বাসার বাথরুমে চাল পাওয়া গেছে তিনি তার ভাতিজা। ভাতিজা নোমান জেলে কিনা কিংবা কিভাবে চাল পেয়েছে তা তার জানা নেই।
১১নং রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের নিয়োজিত তদারকি কর্মকর্তা ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির এ বিষয়ে বলেন, গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার আমি উপস্থিতি থেকে জেলেদের মাঝে কার্ডের চাল বিতরণ করছি। কার্ডধারী কতিপয় জেলে না আসায় ৩০ বস্তা চাল রয়েছে গেছে। সেগুলো ইউনিয়ন পরিষদে রেখে এসেছি।
তিনি বলেন, সচিবের বাড়িতে চাল পাওয়ার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। সোমবার আমি পরিষদে যাবো। চাল ঠিকমত না পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।
অপরদিকে চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নওরীন হক সাংবাদিকদের বলেন, চালের বিষয়টি গতকাল শনিবারই সমাধান করেছি। জেলে কার্ডের চালে গড়মিল থাকায় সচিব চাল বাড়িতে নিয়ে রাখে। পরে ওই চালগুলো পরিষদে ফিরিয়ে আনা হয়।




