এইচ এম আনিছুর রহমান, মেহেন্দিগঞ্জ : মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী হিজলার ধুলখোলা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হারন-অর-রশীদ হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট দেওয়ান মোঃ মনিরের বিরুদ্ধে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে মেহেন্দিগঞ্জ প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে তিনি জানান, এই সংবাদ সম্মেলনটি হিজলা প্রেসক্লাবে করার কথা ছিলো কিন্তু জীবনের নিরাপত্তার জন্য বাধ্য হয়ে মেহেন্দিগঞ্জ প্রেসক্লাবে করতে হলো।
ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হারুন-অর-রশীদ তার লিখিত বক্তব্যে জানান, বিগত ২০২৪ সালের মা-ইলিশ রক্ষা অভিযানের সময় (২২দিন) তাকে নৌ-পুলিশের ট্রলারের মাঝি হিসাবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব দেওয়ান মনির তার কাছে দশ লক্ষ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে আট লক্ষ টাকায় রফা হয়। সেই মোতাবেক হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব দেওয়ান মনিরকে আমি নগদ তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং বাকি চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা বাবদ দেওয়ান মনিরকে আমার সই করা পূবালী ব্যাংক, মেহেন্দিগঞ্জ শাখার একটি ব্লাঙ্ক চেকের পাতা দেই। কিন্তু নগদ টাকা ও চেক প্রদান করার পরেও দেওয়ান মনির আমাকে নৌ-পুলিশের ট্রলারে মাঝি হিসাবে নিয়োগ দেয়নি।
পরবর্তীতে আমি একাধিকবার স্বশরীরে এবং মোবাইলে যোগাযোগ করে আমার টাকা ও চেক ফেরত চাইলে তিনি আমাকে তা দিতে অস্বীকার করেন এবং আমাকে জীবননাশের হুমকি প্রদান করেন। এক পর্যায়ের আমি বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি নেতাদের জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১২ জানুয়ারি, রবিবার তার পালিত ক্যাডার বাহিনীর সদস্য হারুন মৃধা, খবির রাড়ীসহ ১০/১২ জনকে দিয়ে স্থানীয় আলিগঞ্জ বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে আমাকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করান। আমি তার ক্যাডার বাহিনীর ভয়ে হিজলা থানায় অভিযোগ পর্যন্ত দিতে পারিনি। আমি সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে প্রশাসন ও দলীয় নেতৃবৃন্দের কাছে আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই এবং সেই সাথে হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট দেওয়ান মনিরের কাছে আমার পাওনা তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও আমার সই করা পূবালী ব্যাংক, মেহেন্দিগঞ্জ শাখার চেকের পাতাটি ফেরত চাই এবং তার ক্যাডার বাহিনী কর্তৃক আমাকে মারধরের বিচার চাই।




