ইসলামী আন্দোলন না থাকলে ৪৭ আসন কারা পাবে, যেভাবে সিদ্ধান্ত নেবে ১০ দল

ডেস্ক রিপোর্ট

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, শরিয়াহ আইন বা আদর্শচ্যুতি নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। তিনি জানান, বাকি থাকা ৪৭ আসন এবং ইসলামী আন্দোলনের বিষয়টি সমঝোতাকারী লিয়াজোঁ কমিটির মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হবে। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বলছে, জোট থেকে ইসলামী আন্দোলনের সরে দাঁড়ানো তাদের জন্য অপ্রত্যাশিত।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ১১ দলীয় ঐক্য থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এর পরপরই জোটের নেতৃত্বদানকারী দল জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া জানান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলনের আদর্শিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ বাস্তবতাবিবর্জিত। শুরু থেকেই ১১ দলীয় সমঝোতায় জামায়াতে ইসলামীর আন্তরিকতা ছিল বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষায়, বিদ্যমান সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের প্রশ্নে জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে এবং ইসলামী আন্দোলন যেসব দাবির কথা বলছে, সেগুলো নতুন বা অস্বীকৃত কোনো বিষয় নয়।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, এটি শুরু থেকেই একটি নির্বাচনি জোট। আসন সমঝোতার প্রক্রিয়াও সেই ধারাবাহিকতার অংশ। ঘোষিত নীতি অনুযায়ী সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কেউ যুক্ত হলে স্বাগত, আর কেউ না এলে জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পথ চলবে ১১ দলীয় ঐক্য।

বাকি ৪৭টি আসনের বিষয়ে তিনি জানান, ২৫৩টি আসনের প্রাথমিক ঘোষণা ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ৪৭টি আসন ইসলামী আন্দোলনসহ অন্যান্য দলের জন্য বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে জোটের শীর্ষ নেতারা লিয়াজোঁ কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবেন—এই আসনগুলো কীভাবে বণ্টন করা হবে। ডেইলি ক্যাম্পাস

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Are you human? Please solve:Captcha


Scroll to Top