হিজবুল্লাহপ্রধানকে হত্যার পর নেতানিয়াহুকে মোদির ফোন

বরিশাল জার্নাল ডেস্ক

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ যখন লেবানন ও গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরোধীতা করছে, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তখন আবারো ইসরাইলকে সমর্থনের কথা জানান দিলেন। বোমা হামলায় হিজবুল্লাহ প্রধান সাইয়েদ হাসান নাসরুল্লাহকে হত্যার পরদিন সোমবার নরেন্দ্র মোদি টেলিফোন করেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, টেলিফোন আলাপে দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

ফোনালাপের পর অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে মোদি বলেছেন, আমাদের বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোন জায়গা নেই। আঞ্চলিক উত্তেজনা নিরসন ও সকল বন্দীদের মুক্তি ত্বরান্বিত করা গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, ইসরাইল ও তার মিত্ররা বরাবরই হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর কার্যক্রমকে সন্ত্রাসবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার কাজে সমর্থন দিতে ভারত অঙ্গীকারাবদ্ধ।

তবে নেতানিয়াহুকে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে রাজি করাতে মোদি কোন কথা বলেছেন কিনা সেটি জানা যায়নি।

নয়া দিল্লি বরাবরই ইসরাইলের মিত্র হিসেবে পরিচিত। নরেন্দ্র মোদি সরকারের সময়ে ইহুদিবাদী সরকারের সাথে ভারতের ঘনিষ্ঠতা আরো বেড়েছে। এর আগে গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে ঢুকে হামাস যোদ্ধাদের আক্রমণের পর মোদি টেলিফোন করে ইসরাইলকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। এমনকি গাজা যুদ্ধের মধ্যেই ইসরাইলকে রকেট ও বোমা সরবরাহ করেছে ভারত- এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে।

গত মে মাসে একটি অস্ত্র বোঝাই জাহাজকে স্পেনের বন্দরে ভিড়তে বাধা দেন দেশটির কয়েকজন এমপি। আলজাজিরা জানায়, জাহাজটিতে ভারত থেকে বিস্ফোরক বোঝাই করে ইসরাইলের আশদদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় চেন্নাই বন্দর থেকে জাহাজটি ইসরাইলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এরপর হুথিদের হামলার ভয়ে সেটি লোহিত সাগরের পরিবর্তে আফ্রিকান উপকূল ঘুরে ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Scroll to Top