<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>কলাম Archives - বরিশাল জার্নাল</title>
	<atom:link href="https://barishaljournal.com/archives/category/%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://barishaljournal.com/archives/category/কলাম</link>
	<description>বরিশাল থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল</description>
	<lastBuildDate>Tue, 05 May 2026 07:06:17 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://barishaljournal.com/wp-content/uploads/2024/09/cropped-bj-32x32.png</url>
	<title>কলাম Archives - বরিশাল জার্নাল</title>
	<link>https://barishaljournal.com/archives/category/কলাম</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
<site xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">238084018</site>	<item>
		<title>পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসায় যা যা ঘটতে পারে</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/15306</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/15306#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 May 2026 07:06:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=15306</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাজিব আহমদ ১. তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর প্রচুর নির্যাতন হবে। দলটির নেতাকর্মীদের বাড়িঘর, অফিস-টপিফে হামলা হবে। ভারতের অন্যান্য রাজ্যে এই কালচার নেই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ যেহেতু বাঙালি জাতির রাজ্য, তাই এটা অবধারিত। যেমন ত্রিপুরায় বিজেপি জেতার পর বাম, কংগ্রেস ও তৃণমূল মাইরের মুখে প্রায় নিশ্চিহ্নের পথে। তৃণমূল এই কাজটা এতদিন করতে পারেনি, কারণ দিল্লীতে বিজেপি ক্ষমতায়। কেন্দ্রীয় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/15306">পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসায় যা যা ঘটতে পারে</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto"><strong>রাজিব আহমদ</strong></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">১. তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর প্রচুর নির্যাতন হবে। দলটির নেতাকর্মীদের বাড়িঘর, অফিস-টপিফে হামলা হবে। ভারতের অন্যান্য রাজ্যে এই কালচার নেই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ যেহেতু বাঙালি জাতির রাজ্য, তাই এটা অবধারিত। যেমন ত্রিপুরায় বিজেপি জেতার পর বাম, কংগ্রেস ও তৃণমূল মাইরের মুখে প্রায় নিশ্চিহ্নের পথে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">তৃণমূল এই কাজটা এতদিন করতে পারেনি, কারণ দিল্লীতে বিজেপি ক্ষমতায়। কেন্দ্রীয় সরকার প্রটেক্ট করেছে রাজ্য বিজেপিকে। তৃণমূল এখন যেহেতু সর্বহারা, তাই ঢোলের মত মার খাবে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ইডি, সিবিআইসহ নানা কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে রাজ্য পুলিশ, সিআইডির চাপে থেকে বাঁচতে তৃণমূল নেতারা দল বেঁধে বিজেপিতে যেতে পারে। (তূণমূল শুধু কলকাতার ক্ষমতাতেই তৃণমূলের ৯ জন বিধায়ককে গত সাড়ে ৪ বছরে দলে এনেছে। এবার তো ডাবল ইঞ্জিন সরকার)।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">২. উত্তরপ্রদেশ, আসাম, উত্তরাখন্ডে ক্ষমতা পরিবর্তনে রাজ্যগুলোর বিরোধীদল সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেসের ওপর সেইভাবে নির্যাতন হয়নি। কারণ প্রতিহিংসার কালচার কম। কিন্তু বিশেষ করে এই তিন রাজ্যে সংখ্যালঘু মুসলমানদের জীবন বিষিয়ে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও তাই ঘটবে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সরকারি জমি দখলমুক্ত করার নামে মুসলমানদের কিছু বাড়িঘর, দোকান, মসজিদ ভাঙা হবে, রাস্তাঘাটে নামাজ পড়লে মারবে, হিন্দু ধর্ম অবমাননার নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, লাভ জিহাদের নামে, খাঁটি ভারতীয় কিনা তা পরীক্ষার নামে হেনস্তা করা হবে। বাংলাদেশি তকমা দিয়ে অপদস্ত করবে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">রাজ্য সরকার কিছু আইন করবে, শুধুমাত্র মুসলমানদের সেকেন্ড ক্লাস নাগরিক ফিল করানোর জন্য। মুসলমানরা ভয়ে ভয়ে আতঙ্কে থাকবে। উত্তরপ্রদেশ ও আসামের চিত্র মুসলমানদের জানা। ফলে যতই নির্যাতিত হোক, পাল্টা কিছু করে আরও নিপীড়নে পড়ার সাহস করবে না।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">৩. পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের মানে এই নয়, মুসলমানদের ধরে ধরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেবে। এটা করলে, আসাম ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসার পরও করত। পশ্চিমবঙ্গের কিছু ঘটনার কারণে, বাংলাদেশে মাঝেমধ্যে উত্তেজনা হবে। তবে তা মাত্রা ছাড়াবে না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">৪. পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার যত চোটপাটই করুক, তারা বাংলাদেশের কাউন্টার পার্ট নয়। কূটনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে দিল্লী ঢাকার সমকক্ষ।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">দিল্লী সরকার এই মুহুর্তে বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো ক্যাচাল লাগানোর মুডে নাই। তারা সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাইছে। তাদের অস্বস্তি ছিল, দিল্লীর কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যর্থতার প্রতীকে পরিণত হওয়া ইউনূস সরকার। এটা ছিল তাদের জন্য ব্ল্যাক হোলের মত।</div>
<div dir="auto">দিল্লী মুখিয়ে ছিল বাংলাদেশে একটি নির্বাচনের জন্য। তা হওয়ায় ব্ল্যাক হোল থেকে মুক্তি পেয়েছে। যে কারণে ভারত সরকার প্রায় ১৮ মাস ধরে ইনক্লুসিভ ইলেকশনের আলাপ করলেও, নির্বাচনের পরেরদিন তারেক রহমানকে ফোন করে মোদী অভিনন্দন জানিয়েছেন। সরকারের শপথে স্পিকারকে পাঠিয়েছে। খালেদা জিয়ার জন্য শোক প্রকাশে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠিয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">শুভেন্দুরা আলবাল বকলেও, এবারের পশ্চিমবঙ্গ এবং আসামের নির্বাচনে মোদী ও অমিত শাহদের মতো শীর্ষ নেতারা বাংলাদেশ বিরোধী ভাষণ দেননি। ঢাকায় মিত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময়ে মোদী ও অমিত শাহ বাংলাদেশ বিরোধী ভাষণে বরং সরগরম ছিলেন।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">৫. আরও তাৎপর্য ছিল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হওয়ার পরও ভারতের নিরবতা। গত ২৩ এপ্রিল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে প্রসঙ্গটি উঠলে ভারত সরকার এক লাইনে কথা সেরেছে। তা হলো, &#8216;আমরা পর্যবেক্ষণ করছি&#8217;।</div>
<div dir="auto">আর নিশ্চয় জানেন, কূটনীতিতে পর্যবেক্ষণ মানে কিছুই করছি না।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">শুধু বার্ষিক ২০ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য ও আর্থিক সম্পর্ক নয়, উত্তরপূর্বের সিকিউরিটির জন্য ঢাকার সঙ্গে বন্ধুত্ব দরকার ভারতের। ঢাকা যদি উত্তরপূর্ব নিয়ে না গলায়, দিল্লী মানিয়ে চলবে। চলতে হবে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তাই কবি বলেছেন, বেগানা শাদি ম্যা আবদুল্লাহর দিওয়ানা হওয়া বোকামি।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>লেখক : সিনিয়র রিপোর্টার, দৈনিক সমকাল</strong></div>
</div>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/15306">পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসায় যা যা ঘটতে পারে</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/15306/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">15306</post-id>	</item>
		<item>
		<title>গুমের রাজনীতি ও নীরব বিবেক: এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/14361</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/14361#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 07:23:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=14361</guid>

					<description><![CDATA[<p>মিজানুর রহমান খান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুম ও নিখোঁজের ঘটনাগুলো একটি গভীর উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বারবার সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মীর আম্মদ বিন কাশেমের সংসদে উত্থাপিত প্রশ্ন নতুন করে এই আলোচনাকে সামনে নিয়ে এসেছে। তার বক্তব্য শুধু একটি রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অসংখ্য প্রশ্নের প্রতিধ্বনি। গত এক দশকে বেশ কিছু আলোচিত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14361">গুমের রাজনীতি ও নীরব বিবেক: এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto"><strong>মিজানুর রহমান খান</strong></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুম ও নিখোঁজের ঘটনাগুলো একটি গভীর উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বারবার সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মীর আম্মদ বিন কাশেমের সংসদে উত্থাপিত প্রশ্ন নতুন করে এই আলোচনাকে সামনে নিয়ে এসেছে। তার বক্তব্য শুধু একটি রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অসংখ্য প্রশ্নের প্রতিধ্বনি।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><span style="font-size: 16px;">গত এক দশকে বেশ কিছু আলোচিত গুমের ঘটনা দেশের মানুষের মনে নাড়া দিয়েছে। ইলিয়াস আলীর রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়া, আমার আযমীকে পরিবারের কাছ থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, এবং আরও বহু অজানা-অচেনা মানুষের হঠাৎ অন্তর্ধান—এসব ঘটনা শুধু ব্যক্তি বা পরিবারের ট্র্যাজেডি নয়, বরং রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন।</span></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><span style="font-size: 16px;">মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের অনেকেরই কোনো সন্ধান আজও মেলেনি। এই সংখ্যাটি শুধু পরিসংখ্যান নয়—প্রতিটি সংখ্যার পেছনে আছে একটি পরিবার, একটি অপেক্ষা, এবং এক অনিশ্চিত যন্ত্রণা।</span></div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো, এই ঘটনাগুলোর প্রতি সমাজের প্রতিক্রিয়া সবসময় একরকম নয়। কেউ প্রতিবাদ করেন, কেউ নীরব থাকেন, আবার কেউ কেউ রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে এসব বিষয়কে উপেক্ষা করেন বা হালকাভাবে দেখেন। এই বিভাজন আমাদের সামাজিক বিবেকের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">একটি সুস্থ সমাজে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া শুধু একটি রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়, এটি একটি নৈতিক দায়িত্ব। গুম বা নিখোঁজের মতো গুরুতর অভিযোগগুলো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে গিয়ে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা প্রয়োজন। <span style="font-size: 16px;">কারণ, আজ যিনি ভুক্তভোগী—তিনি হয়তো কোনো দলের সদস্য, কিন্তু তার কষ্ট, তার পরিবারের কান্না—সেগুলো কোনো দলের নয়, সেগুলো মানবতার।</span></div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সমাজের একটি অংশের প্রতিক্রিয়া আরও বেশি বেদনাদায়ক। যখন দেখি, গুমের মতো সংবেদনশীল ও মানবিক ট্র্যাজেডিকেও কেউ কেউ সমর্থন করে কিংবা তা নিয়ে উপহাস করে, তখন প্রশ্ন জাগে—আমাদের বিবেক কি ধীরে ধীরে নিস্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে? আমাদের ঈমান-আমল, নৈতিকতা ও মানবিকতা কি কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে?</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">গুমের শিকার মানুষগুলো কোনো পরিসংখ্যান নয়—তারা কারো বাবা, কারো সন্তান, কারো প্রিয়জন। তাদের নিয়ে ঠাট্টা বা তুচ্ছতাচ্ছিল্য শুধু একটি মতের প্রকাশ নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধের এক গভীর সংকটের প্রতিফলন।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এই বাস্তবতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সত্যকে অস্বীকার করা, অন্যায়ের প্রতি উদাসীন থাকা বা তা নিয়ে উপহাস করা—এসবই একটি সমাজকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়। পবিত্র কোরআনে এমন মানুষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যারা সত্য দেখেও দেখে না, শুনেও শোনে না—অর্থাৎ তাদের বিবেক ও অনুভূতি অচল হয়ে পড়ে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>লেখক : লন্ডন প্রবাসী আইনজীবী</strong></div>
</div>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14361">গুমের রাজনীতি ও নীরব বিবেক: এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/14361/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">14361</post-id>	</item>
		<item>
		<title>হাম : ঝুঁকি ও করণীয়</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/14121</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/14121#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 04:58:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=14121</guid>

					<description><![CDATA[<p>দেশে আবার ভাইরাসজনিত রোগ হাম এর প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। চলতি মাসেই অন্তত ২১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং বিভিন্ন জেলার হাসপাতালে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এতে শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পাবনা, যশোর ও নাটোরে সংক্রমণের হার বেশি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14121">হাম : ঝুঁকি ও করণীয়</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p data-block-key="xozqy">দেশে আবার ভাইরাসজনিত রোগ হাম এর প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। চলতি মাসেই অন্তত ২১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং বিভিন্ন জেলার হাসপাতালে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এতে শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পাবনা, যশোর ও নাটোরে সংক্রমণের হার বেশি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২ শিশু, ময়মনসিংহে তিনজন, রাজধানীর সংক্রামক রোগ হাসপাতালে তিনজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরো তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে পরীক্ষায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথ সতর্কতা না নিলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে মহামারির রূপ নিতে পারে।</p>
<p data-block-key="xozqy">এসব বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন : <strong>ডা. মাহতাব হোসাইন মাজেদ, </strong>প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি</p>
<div class="flex justify-center mt-3 mb-3"></div>
<p data-block-key="1vsvc"><b>বর্তমান পরিস্থিতি</b></p>
<p data-block-key="blt7g">বাংলাদেশে ২০২৬ সালের শুরু থেকেই হাম আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। ঢাকার সংক্রামক রোগ হাসপাতালে মাত্র তিন মাসেই ২৫০-এর বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। আক্রান্তদের বড় অংশই পাঁচ বছরের নিচের শিশু। বিশ্ব পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৯০ লাখ মানুষ হাম আক্রান্ত হয় এবং এক লক্ষাধিক মৃত্যু ঘটে। উন্নয়নশীল দেশগুলোয় অপুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতার কারণে ঝুঁকি বেশি।</p>
<h3 data-block-key="a0co1"><b>হাম কী</b></h3>
<p data-block-key="blt7g">হাম রোগের ইতিহাস অনেক পুরোনো। নবম শতকে আবু বকর মুহাম্মদ ইবন জাকারিয়া আল রাজি প্রথম এই রোগের বিস্তারিত লিখিত বর্ণনা দেন। পরে ১৭৫৭ সালে ফ্রান্সিস হোম প্রমাণ করেন যে হাম একটি সংক্রামক জীবাণুর কারণে হয়ে থাকে। ১৯৫৪ সালে জন এন্ডার্স এবং টমাস পিবলস যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন শহরে হামে আক্রান্ত রোগীর নমুনা থেকে ভাইরাসটি আলাদা করতে সক্ষম হন।</p>
<p data-block-key="bsfc0">
<p data-block-key="723kf"><b>সাধারণ হাম</b></p>
<p data-block-key="4ko25">* জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া</p>
<p data-block-key="cs0br">* চোখ লাল হওয়া</p>
<p data-block-key="42ogn">* মুখ থেকে সারা শরীরে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়া। সঠিক যত্নে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সুস্থ হওয়া সম্ভব</p>
<p data-block-key="ffc35">
<figure id="attachment_14122" aria-describedby="caption-attachment-14122" style="width: 300px" class="wp-caption alignnone"><img decoding="async" class="size-medium wp-image-14122" src="https://barishaljournal.com/wp-content/uploads/2026/04/Measles-1-300x157.jpg" alt="" width="300" height="157" srcset="https://barishaljournal.com/wp-content/uploads/2026/04/Measles-1-300x157.jpg 300w, https://barishaljournal.com/wp-content/uploads/2026/04/Measles-1.jpg 768w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /><figcaption id="caption-attachment-14122" class="wp-caption-text">হাম রোগের ছবি</figcaption></figure>
<p data-block-key="3kf6n"><b>জটিল হাম</b></p>
<p data-block-key="frhar">* দীর্ঘস্থায়ী জ্বর</p>
<p data-block-key="6iquu">* তীব্র দুর্বলতা</p>
<p data-block-key="b72vv">* শ্বাসকষ্ট বা অন্যান্য জটিলতা।</p>
<p data-block-key="6kvib">অপুষ্ট শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।</p>
<p data-block-key="3ucsn">
<p data-block-key="deqsq"><b>অপ্রচলিত হাম</b></p>
<p data-block-key="64rpl">* অস্বাভাবিক র&#x200d;্যাশ</p>
<p data-block-key="e3ie5">* উচ্চমাত্রার জ্বর</p>
<p data-block-key="fsp3e">* শরীরে অস্বস্তি</p>
<h3 data-block-key="5k97v">হাম রোগের লক্ষণ</h3>
<p data-block-key="9ga2k">
<p data-block-key="9ga2k"><b>লক্ষণ : ধাপে ধাপে প্রকাশ</b></p>
<p data-block-key="du8ml"><b>প্রাথমিক পর্যায়</b></p>
<p data-block-key="ccprp">* উচ্চ জ্বর</p>
<p data-block-key="8l658">* শুকনো কাশি</p>
<p data-block-key="2gduh">* নাক দিয়ে পানি পড়া</p>
<p data-block-key="78s4d">
<p data-block-key="29s56"><b>মধ্যবর্তী পর্যায়</b></p>
<p data-block-key="3un2b">* চোখ লাল হওয়া</p>
<p data-block-key="c8043">* আলোতে অস্বস্তি</p>
<p data-block-key="2hvi7">
<p data-block-key="16rcl"><b>পরবর্তী পর্যায়</b></p>
<p data-block-key="fsgnc">* মুখে লালচে ফুসকুড়ি</p>
<p data-block-key="b3d8e">* পরে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া</p>
<p data-block-key="dmku5">
<p data-block-key="dmku5"><a href="https://barishaljournal.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%97/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a7%ae-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d/" target="_blank" rel="noopener"><strong>হামে বরিশালে ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ২০৬</strong></a></p>
<p data-block-key="6voba">
<p data-block-key="6voba"><b>হামের জটিলতা</b></p>
<p data-block-key="d4ka7">হাম অবহেলা করলে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে—</p>
<p data-block-key="81fc7">* নিউমোনিয়া : ফুসফুসে সংক্রমণ হয়ে শ্বাসকষ্ট</p>
<p data-block-key="a2mu2">* এনসেফালাইটিস : মস্তিষ্কে প্রদাহ ও স্নায়বিক সমস্যা</p>
<p data-block-key="em2h9">* ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা : শরীর দুর্বল হয়ে পড়া</p>
<p data-block-key="daha4">* অপুষ্টি বৃদ্ধি : খাওয়ার রুচি কমে যাওয়া। গবেষণায় দেখা গেছে, গুরুতর আক্রান্তদের একটি অংশ এসব জটিলতায় ভোগে এবং সময়মতো চিকিৎসা না পেলে তা প্রাণঘাতী হতে পারে</p>
<p data-block-key="cmmua">
<h3 data-block-key="cmmua">হাম কি ছোঁয়াচে রোগ</h3>
<p data-block-key="9mr1"><b>সংক্রমণ কীভাবে ছড়ায়?</b></p>
<p data-block-key="bjiu2">* কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়</p>
<p data-block-key="3nedv">* একই ঘরে থাকলে দ্রুত সংক্রমণ হয়</p>
<p data-block-key="d9uaf">* একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে গড়ে ৯-১০ জন সংক্রমিত হতে পারে</p>
<p data-block-key="6s6t0">
<h3 data-block-key="6s6t0">হাম হলে করণীয়</h3>
<p data-block-key="bu3or"><b>শিশু সুরক্ষায় করণীয়</b></p>
<p data-block-key="2vbfo">আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা</p>
<p data-block-key="el31r">* অন্তত ৮-১০ দিন অন্যদের থেকে দূরে রাখুন</p>
<p data-block-key="7gjno">* বাইরে যাওয়া বন্ধ রাখুন</p>
<p data-block-key="fmte6">
<p data-block-key="d5"><b>পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা</b></p>
<p data-block-key="47eq3">* নিয়মিত হাত ধোয়া</p>
<p data-block-key="e7njm">* কাশি-হাঁচির শিষ্টাচার মানা</p>
<p data-block-key="6hger">* ব্যবহার্য জিনিস পরিষ্কার রাখা</p>
<p data-block-key="ua9t">
<p data-block-key="6j324"><b>পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা</b></p>
<p data-block-key="cs1eu">* ফল, সবজি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার</p>
<p data-block-key="afhmf">* সহজপাচ্য ও তরল খাবার</p>
<p data-block-key="2d7n4">
<p data-block-key="fd5ut"><b>পর্যাপ্ত বিশ্রাম</b></p>
<p data-block-key="36fn1">* শিশুকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখা</p>
<p data-block-key="c177m">পানিশূন্যতা প্রতিরোধ</p>
<p data-block-key="5j4b7">* পর্যাপ্ত পানি ও তরল গ্রহণ</p>
<p data-block-key="882lr">
<p data-block-key="ar9ge"><b>ত্বক ও চোখের যত্ন</b></p>
<p data-block-key="4tmuo">* পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধোয়া</p>
<p data-block-key="9fsb4">* ফুসকুড়ি পরিষ্কার রাখা</p>
<p data-block-key="aebvf">
<p data-block-key="filad"><b>কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?</b></p>
<p data-block-key="e7db5">নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে—</p>
<p data-block-key="enj0">* শ্বাসকষ্ট</p>
<p data-block-key="arjor">* খিঁচুনি</p>
<p data-block-key="3k0r3">* অতিরিক্ত দুর্বলতা</p>
<p data-block-key="eg37k">* খাওয়াতে না পারা</p>
<p data-block-key="eeoh1">* তীব্র ডায়রিয়া</p>
<p data-block-key="ccv62"><b>ঝুঁকিপূর্ণ শিশু</b></p>
<p data-block-key="13g2p">* ৫ বছরের নিচের শিশু</p>
<p data-block-key="8spmh">* অপুষ্টিতে ভোগা শিশু</p>
<p data-block-key="5tp4o">* দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশু</p>
<p data-block-key="9j8jr">পরিশেষে বলতে চাই, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর যে চিত্র দেখা যাচ্ছে, তা স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দিচ্ছে। সঠিক সময়ে শনাক্তকরণ, পরিচর্যা ও সচেতন আচরণই পারে এই রোগের ঝুঁকি কমাতে। প্রকারভেদ, লক্ষণ ও জটিলতা সম্পর্কে ধারণা থাকলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, যা একটি শিশুর জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p data-block-key="9j8jr"><strong>দৈনিক আমার দেশের সৌজন্যে</strong></p>
<p data-block-key="9hjem">যুক্ত থাকুন বরিশাল জার্নালের ফেসবুক পেজে : <a href="https://www.facebook.com/barishaljournal24" target="_blank" rel="noopener">বরিশাল জার্নাল</a></p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14121">হাম : ঝুঁকি ও করণীয়</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/14121/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">14121</post-id>	</item>
		<item>
		<title>ইসলামে নারীর মর্যাদা ও অধিকার</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/12865</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/12865#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 06:32:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=12865</guid>

					<description><![CDATA[<p>আহমাদ সাব্বির ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বব্যাপী নারীর অধিকার, মর্যাদা ও সমতার দাবিকে সামনে এনে উদযাপিত হয় এই দিনটি। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা, মানববন্ধন, সেমিনার এবং গণমাধ্যমে বিশেষ আয়োজন করা হয়। এই দিবসের মাধ্যমে নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা সামনে আসে। অনেক সংগঠন নারীর প্রতি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/12865">ইসলামে নারীর মর্যাদা ও অধিকার</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আহমাদ সাব্বির</strong></p>
<p>৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বব্যাপী নারীর অধিকার, মর্যাদা ও সমতার দাবিকে সামনে এনে উদযাপিত হয় এই দিনটি। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা, মানববন্ধন, সেমিনার এবং গণমাধ্যমে বিশেষ আয়োজন করা হয়। এই দিবসের মাধ্যমে নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা সামনে আসে। অনেক সংগঠন নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের দাবি তুলে ধরে। তবে নারী দিবসকে কেন্দ্র করে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও আলোচিত হয়—ইসলাম নারীর মর্যাদা ও অধিকার সম্পর্কে কী দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেছে।</p>
<p>নারী দিবসের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর সূচনা ঘটে শ্রমজীবী নারীদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ নিউইয়র্কের একটি সেলাই কারখানার নারী শ্রমিকরা অমানবিক কর্মপরিবেশ, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং কম মজুরির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। তাদের এই আন্দোলন পরবর্তীতে নারীর অধিকার আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে। এরপর ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক নারী সম্মেলনে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিন ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে জাতিসংঘ ১৯৭৫ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি উদযাপন শুরু করে। তখন থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।</p>
<p>তবে ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিবেচনা করলে দেখা যায়, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার ধারণা আধুনিক যুগে সৃষ্টি হয়নি। বরং প্রায় পনেরো শত বছর আগে ইসলাম নারীর সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করেছে। ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বে পৃথিবীর বিভিন্ন সমাজে নারীর অবস্থা ছিল অত্যন্ত করুণ। বিশেষত আরবের জাহেলি যুগে নারীদের প্রতি অবমাননাকর আচরণ করা হতো। কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণকে লজ্জাজনক মনে করা হতো এবং অনেক ক্ষেত্রে জীবন্ত কন্যাশিশুকে মাটিতে পুঁতে ফেলার মতো নিষ্ঠুর ঘটনাও ঘটত। নারীদের উত্তরাধিকার বা সম্পত্তির অধিকার ছিল না। তারা ছিল সামাজিকভাবে অবহেলিত ও নির্যাতিত।</p>
<p>শুধু আরব সমাজেই নয়, পৃথিবীর অনেক সভ্যতায় নারীর মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। কিছু ধর্মীয় ও সামাজিক মতবাদে নারীকে পাপের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হতো। অনেক ক্ষেত্রে নারীকে কেবল ভোগের বস্তু হিসেবে দেখা হতো এবং তাদের মানবিক মর্যাদা অস্বীকার করা হতো। এমন একটি অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজব্যবস্থার মধ্যে ইসলাম আবির্ভূত হয়ে নারীর সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মানবজাতির জন্য যে জীবনব্যবস্থা উপস্থাপন করেছেন, তার মধ্যে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য ন্যায় ও ভারসাম্যপূর্ণ অধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>ইসলাম মানুষের মৌলিক মর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন এবং নারী-পুরুষ উভয়ই এই মর্যাদার অংশীদার। মানব সমাজ নারী ও পুরুষের সম্মিলিত অস্তিত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত। একে অপরের পরিপূরক হিসেবেই তারা পৃথিবীতে জীবনযাপন করে। নারী ছাড়া পুরুষের কিংবা পুরুষ ছাড়া নারীর অস্তিত্ব ও সামাজিক কাঠামো কল্পনা করা যায় না। তাই ইসলাম নারীকে সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।</p>
<p>নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ইসলাম পরিবারকে কেন্দ্রীয় গুরুত্ব দিয়েছে। একজন নারী মা হিসেবে যে মর্যাদা লাভ করেন তা ইসলামে অত্যন্ত উচ্চ। হাদিসে বর্ণিত আছে, ‘মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত।’ এই বক্তব্যের মাধ্যমে মায়ের সম্মান ও মর্যাদা কতটা উচ্চ তা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। কোরআনেও মায়ের কষ্ট ও ত্যাগের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সন্তানকে গর্ভধারণ, জন্মদান ও লালন-পালনের কঠিন দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আল্লাহ তাআলা সন্তানদের পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছেন।</p>
<p>স্ত্রী হিসেবে নারীর অধিকারও ইসলাম সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছে। ইসলামে বিবাহের সময় স্বামীর ওপর স্ত্রীকে মোহরানা প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটি নারীর আর্থিক নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। কোরআনে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, স্বামীরা যেন আনন্দের সাথে তাদের স্ত্রীদের মোহর প্রদান করে। এর মাধ্যমে ইসলাম নারীর সম্মান ও স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছে।</p>
<p>ইসলামে নারীর অর্থনৈতিক অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে। নারী নিজের সম্পদের মালিক হতে পারে এবং সে তার সম্পদ স্বাধীনভাবে ব্যবহার করার অধিকার রাখে। একইভাবে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রেও নারীর নির্দিষ্ট অংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ইসলামের আগের সমাজে যেখানে নারীরা উত্তরাধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত ছিল, সেখানে ইসলাম তাদের জন্য সুস্পষ্ট অংশ নির্ধারণ করে দিয়েছে। এটি নারীর আর্থিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।</p>
<p>এছাড়া ইসলাম কন্যাসন্তানকে অবহেলা করার পরিবর্তে তাদের লালন-পালনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। মহানবী (সা.) বলেছেন, যার তিনটি কন্যাসন্তান আছে এবং সে তাদের সঠিকভাবে লালন-পালন করে, তাদের প্রতি সদয় আচরণ করে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত। এই শিক্ষা সমাজে কন্যাসন্তানের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে এবং নারীর সম্মানকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</p>
<p>ইসলাম নারীর ইজ্জত ও সম্মান রক্ষার জন্য পর্দার বিধান প্রবর্তন করেছে। কোরআনে নারী ও পুরুষ উভয়কেই দৃষ্টি সংযত রাখা এবং পবিত্রতা রক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পর্দা মূলত নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার একটি সামাজিক ব্যবস্থা। এটি নারীকে বন্দি করার জন্য নয়, বরং তাকে সম্মান ও সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রণীত। ইসলাম নারীদের প্রয়োজনের ক্ষেত্রে সমাজে অংশগ্রহণের অনুমতিও দিয়েছে, তবে তা শালীনতা ও নৈতিকতার সীমার মধ্যে থেকে।</p>
<p>ইসলাম নারী-পুরুষের অধিকারকে সম্পূর্ণ সমান করে দেখেনি; বরং তাদের স্বভাব, দায়িত্ব ও সামাজিক ভূমিকার ভিত্তিতে ভারসাম্যপূর্ণ অধিকার নির্ধারণ করেছে। কিছু ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের অধিকার সমান, আবার কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন। তবে এই পার্থক্য কোনোভাবেই নারীর মর্যাদা হ্রাস করে না; বরং এটি সমাজের ভারসাম্য রক্ষার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।</p>
<p>মহানবী (সা.) নারীদের সাথে সদাচরণ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।’ এই হাদিস থেকে বোঝা যায় যে, পারিবারিক জীবনে নারীর প্রতি সদ্ব্যবহার ইসলাম অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে।</p>
<p>নারী দিবস বছরে একদিন নারীর অধিকার ও মর্যাদার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কিন্তু ইসলাম নারীর সম্মানকে কোনো নির্দিষ্ট দিবসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি। বরং ইসলামের জীবনব্যবস্থা নারীকে প্রতিদিন, প্রতিটি অবস্থায় সম্মান ও মর্যাদা প্রদান করেছে। একজন নারী মাতা, কন্যা, স্ত্রী বা সমাজের সদস্য—সব অবস্থাতেই ইসলাম তাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে।</p>
<p>নারীর প্রকৃত সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করতে হলে ইসলামের নির্দেশনাকে সঠিকভাবে বুঝতে হবে এবং তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে অনেক সময় নারীর অধিকার নিয়ে ভুল ধারণা তৈরি হয়। তাই সমাজের সবাইকে সচেতন হয়ে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরতে হবে, যাতে নারী তার প্রকৃত মর্যাদা ও সম্মান লাভ করতে পারে।</p>
<p>নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা কেবল একটি দিবস পালনের মাধ্যমে সম্ভব নয়; বরং এটি একটি অব্যাহত সামাজিক দায়িত্ব। ইসলাম এই দায়িত্ব পালনের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ পথ নির্দেশ করেছে, যা অনুসরণ করলে নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য একটি সম্মানজনক ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। <strong>জাগো নিউজ</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/12865">ইসলামে নারীর মর্যাদা ও অধিকার</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/12865/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">12865</post-id>	</item>
		<item>
		<title>কেমন আছেন চীনের মুসলিম নারীরা</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/12507</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/12507#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 06:37:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=12507</guid>

					<description><![CDATA[<p>শুক্রবার। জুমার নামাজ পড়তে যাব। আমার বাসস্থানের কাছাকাছি একটি মুসলিম মহল্লা রয়েছে। সেখানে দেশি-বিদেশি অনেকেই জুমা পড়েন। ঘটনাটি চীনের ইউননান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং শহরের। আমি ইউননান বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা বিভাগের শিক্ষক। শহরের একপ্রান্তে ছ্যংকুং জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কাছেই থাকি। এর কাছাকাছি লিয়ান্ডা স্ট্রিটে রয়েছে হুই মুসলিম কমিউনিটির একটি মহল্লা। সেই মসজিদে যাওয়াই সুবিধাজনক। হুইহুইইন মহল্লার [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/12507">কেমন আছেন চীনের মুসলিম নারীরা</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="ygwkw">শুক্রবার। জুমার নামাজ পড়তে যাব। আমার বাসস্থানের কাছাকাছি একটি মুসলিম মহল্লা রয়েছে। সেখানে দেশি-বিদেশি অনেকেই জুমা পড়েন। ঘটনাটি চীনের ইউননান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং শহরের। আমি ইউননান বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা বিভাগের শিক্ষক। শহরের একপ্রান্তে ছ্যংকুং জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কাছেই থাকি। এর কাছাকাছি লিয়ান্ডা স্ট্রিটে রয়েছে হুই মুসলিম কমিউনিটির একটি মহল্লা। সেই মসজিদে যাওয়াই সুবিধাজনক। হুইহুইইন মহল্লার এই মসজিদে নামাজ পড়ার অভিজ্ঞতা চমৎকার। এখানে স্থানীয় মুসলিমরা যেমন আসেন, তেমনি কাছাকাছি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকরাও আসেন। বহুতল মসজিদটির দোতলায় নারীদের নামাজ পড়ার জন্য বিশাল কক্ষ রয়েছে।</p>
<p data-block-key="73kr4">কুনমিং শহরে অনেকগুলো মসজিদ রয়েছে। সব মসজিদেই নারীদের জন্য নামাজ পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। চীনের প্রায় প্রতিটি শহরেই মুসলিম জনগোষ্ঠী আছে। সব শহরেই রয়েছে মসজিদ। আর সব মসজিদেই পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্যই নামাজ পড়ার ব্যবস্থা আছে। কোথাও পৃথক কক্ষ, আবার কোথাও একই হলঘরে নারী ও পুরুষ মুসল্লিদের মাঝখানে পর্দা দিয়ে পৃথক করা।</p>
<p data-block-key="78v4b">বিশাল দেশ চীন। এখানে রয়েছে ৫৬টি জাতিগোষ্ঠী। এদের মধ্যে দশটি জাতির মানুষ ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করে। তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিও রয়েছে। উইগুর, তাজিক, কাজাখ, তাতার, হুই—এমন অনেক জাতিগোষ্ঠী রয়েছে, যারা তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করে এবং ধর্ম হিসেবে ইসলামকে মেনে চলে।</p>
<p data-block-key="669nr">চীনের অনেক মুসলিম নারীর সঙ্গে আমার পরিচয় রয়েছে। কুনমিংয়ে আমার অনেক মুসলিম নারী বন্ধু আছেন, যারা শিক্ষকতা, চিকিৎসা, প্রকৌশলসহ বিভিন্ন পেশায় সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন। সিনচিয়াং অঞ্চলের উইগুর, তাজিক, কাজাখ জাতিগোষ্ঠীর নারীদের সঙ্গেও আলাপ হয়েছে। তাদের জীবনযাত্রা কাছ থেকে দেখেছি।</p>
<p data-block-key="87h8g"><span style="font-size: 16px;">চীনের মুসলিম নারীরা বেশ সাফল্য ও সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে চলেছেন জীবনের পথে। উইগুর নারীদের জীবন একসময় ছিল বেশ ট্র্যাডিশনাল। তখন ১৬-১৭ বছর বয়সেই তাদের বিয়ে হয়ে যেত। তারা শুধু পারিবারিক কৃষিক্ষেত্র এবং ঘর গৃহস্থালি ও সন্তান পালনে জীবন ব্যয় করতেন। সন্তানও হতো বেশ কয়েকটি। পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তারা তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারতেন না। স্কুল অবধি শিক্ষার ফলে তাদের উন্নত কোনো পেশা বেছে নেওয়ারও তেমন সুযোগ ছিল না। কিন্তু গত কয়েক দশকে উইগুর নারীদের জীবনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। তাদের মধ্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের হার অনেক বেড়েছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করছেন। শিক্ষক, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীও হচ্ছেন। বিভিন্ন পেশা গ্রহণ করছেন। উইগুর ও তাজিক নারীরা নিজেদের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে অনেক উদ্যোগও গ্রহণ করেছেন। গড়ে তুলেছেন অনেক প্রতিষ্ঠান। তাদের স্বাধীন উপার্জন বাড়ছে। সমাজে তাদের অবস্থানও পরিবর্তন হয়েছে অনেক। পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের ক্ষমতা অনেক বেড়েছে। প্রজনন বিষয়ে স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারও অর্জিত হয়েছে। ফলে অনেক নারী নিজেদের ক্যারিয়ার গঠনে সময় দিচ্ছেন। কমছে সন্তানের সংখ্যা। নারীরা ভাবছেন, দুটি বা তিনটি সন্তান হলে তারা নিজেদের জন্য অনেক বেশি সময় পাবেন, নিজেদের ক্যারিয়ারে উন্নতি ঘটাতে পারবেন। অনেকে এক সন্তানও গ্রহণ করছেন। চীনে এখন সবার জন্য তিন সন্তান নীতি; কিন্তু অনেক নারী স্বেচ্ছায় এক সন্তান নিচ্ছেন নিজের ক্যারিয়ারে উন্নতির জন্য। এই সিদ্ধান্ত যে তারা নিতে পারছেন স্বাধীনভাবে, এটা তাদের ক্ষমতায়নের পথে অনেক বড় বিষয় বলে আমার কাছে মনে হয়।</span></p>
</div>
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="6aer7">
<p data-block-key="aleou">চীন সব নারীর জন্যই খুব নিরাপদ। মুসলিম নারীর জন্যও একইভাবে নিরাপদ এই দেশ। চীনের মুসলিম নারীরা তাদের জাতির ঐতিহ্যবাহী পোশাক যেমন পরেন, আবার পাশ্চাত্য ধারার স্কার্ট, টপস, গাউন, শার্ট, প্যান্ট ইত্যাদিও পরেন। অনেকে পাশ্চাত্যের পোশাকের সঙ্গে মাথায় স্কার্ফ ব্যবহার করেন। সব মুসলিম নারীই যে স্কার্ফ পরেন তা নয়। স্কার্ফ ছাড়াও প্রচুর মুসলিম নারী দেখেছি।</p>
<p data-block-key="7gpl6">মসজিদে যখন একসঙ্গে জুমা পড়ি তখন দেখেছি, আমার মতো অনেকে স্রেফ ওড়না বা চাদর ধরনের একটি কাপড়ে মাথা ঢেকে রাখেন এবং মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর স্কার্ফ বা চাদর খুলে ফেলেন। বিয়ের সময় যার যার জাতির ঐতিহ্যবাহী কনের পোশাক পরেন। তবে এখন বিয়েতে পাশ্চাত্যের সাদা রঙের ওয়েডিং গাউন বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। অনেক মুসলিম নারী সাদা বা কালো টুপি পরেন।</p>
<p data-block-key="88pfs">
<p data-block-key="2th81">উইগুর ও তাজিক নারীদের মধ্যে গানবাজনা ও নাচের পারদর্শিতা অনেক বেশি। তারা ১২ মুকামসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী নাচে অংশ নেন। তাগ মেশরেপ নামে একটি ঐতিহ্যবাহী নাচ-গান রয়েছে। সেখানেও নারীদের অংশগ্রহণ খুব বেশি। আবার চীনের ঐতিহ্যবাহী ব্যালে নাচেও তারা অংশ নেন। মুসলিম নারীদের মধ্যে শিল্পী রয়েছেন প্রচুর।</p>
<p data-block-key="8bt0c">তারা সেলাই ও এমব্রয়ডারিতেও খুব দক্ষ। বিশেষ করে তাজিক নারীরা এক ধরনের এমব্রয়ডারি করে থাকেন। উইগুর নারীরাও সিল্ক বুননে খুব পারদর্শী।</p>
<p data-block-key="c93u6">ঐতিহ্যবাহী রান্নাতেও নারীরা পারদর্শী। কুনমিংয়ের মুসলিম কমিউনিটির বেশিরভাগই হুই জাতিগোষ্ঠীর। হুই মুসলিম নারীরা উচ্চশিক্ষিত। তারা বিভিন্ন পেশায় রয়েছেন। জুমা পড়ার সূত্রে তাদের অনেকের সঙ্গেই বেশ বন্ধুত্ব হয়ে গেছে।</p>
<p data-block-key="abof7">
<p data-block-key="2da7f">জুমার নামাজের পর নারীরা মুসল্লিদের মধ্যে নিজেদের তৈরি কেক, বিস্কুট, পিঠা, কাবাব ইত্যাদি খাবার বিতরণ করেন। চীনের একজন নাগরিক হিসেবে মুসলিম নারীরাও অন্য নারীদের মতোই পুরুষের সম-অধিকার ভোগ করেন।</p>
<p data-block-key="5n8i4">
<p data-block-key="bc33m"><strong>লেখক : শান্তা মারিয়া</strong></p>
<p data-block-key="bc33m">শিক্ষক, ইউননান বিশ্ববিদ্যালয়, চীন</p>
</div>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/12507">কেমন আছেন চীনের মুসলিম নারীরা</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/12507/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">12507</post-id>	</item>
		<item>
		<title>ইউপি মেম্বার থেকে পার্লামেন্টে</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/12321</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/12321#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 16 Feb 2026 13:13:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=12321</guid>

					<description><![CDATA[<p>আলী আহমদ মাবরুর আমাদের কিংবদন্তী দায়িত্বশীল মাওলানা আব্দুস সুবহান রহ. এর পর দ্বিতীয় আরেকজন জনপ্রতিনিধির সন্ধান আমি পেয়েছি যিনি একদম তৃণমূল থেকে শীর্ষে ওঠার যাত্রায় রয়েছেন। তার নাম আব্দুল গফুর। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল গফুর প্রায় ৪৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার রাগীব [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/12321">ইউপি মেম্বার থেকে পার্লামেন্টে</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আলী আহমদ মাবরুর</strong></p>
<p>আমাদের কিংবদন্তী দায়িত্বশীল মাওলানা আব্দুস সুবহান রহ. এর পর দ্বিতীয় আরেকজন জনপ্রতিনিধির সন্ধান আমি পেয়েছি যিনি একদম তৃণমূল থেকে শীর্ষে ওঠার যাত্রায় রয়েছেন। তার নাম আব্দুল গফুর। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল গফুর প্রায় ৪৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।<br class="html-br" /><br class="html-br" />জামায়াত নেতা আব্দুল গফুর এর আগে ৩৩ বছর জনপ্রতিনিধি ছিলেন। সর্বপ্রথম দুইবার ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার, তিনবার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, একবার উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে প্রথমবার সংসদ নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তার জীবনের কোনো নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন নাই।<br class="html-br" /><br class="html-br" />তার মরহুম পিতাও ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ছিলেন। পরে তিনি মেম্বার হন। এরপর একটানা ১৫ বছর ছিলেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে ইউপি চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করে মিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও আব্দুল গফুর বিপুল ভোটে জয়ী হন।<br class="html-br" /><br class="html-br" />জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি এখন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারী জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে হার্ট এ্যাটাক করে ইন্তেকাল করেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল হাশেম। এরপর থেকে জনাব আব্দুল গফুর ভারপ্রাপ্ত হিসেবে এই দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন।<br class="html-br" /><br class="html-br" />জনগণের নেতা জনপ্রতিনিধি আব্দুল গফুরের জন্য অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইলো।</p>
<p><strong>লেখকের ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেয়া</strong></p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/12321">ইউপি মেম্বার থেকে পার্লামেন্টে</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/12321/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">12321</post-id>	</item>
		<item>
		<title>৯২ স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির গলার কাঁটা</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/12046</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/12046#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 06:44:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=12046</guid>

					<description><![CDATA[<p>৭৯টি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। সংখ্যাটা বিরাট এবং নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দিতে এই সংখ্যাটা বড় ভুমিকা রাখতে পারে। যদি ধরে নেই, বিএনপি ১৮০ আসনে জয়ের টার্গেট সেট করেছে। তাহলে তার মধ্য ৭৯টি আসন জেতা তাদের জন্য কঠিন, অনেক ক্ষেত্রে অসম্ভব হয়ে উঠবে। যেটা দলটির জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। বিদ্রোহী প্রার্থী হয় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/12046">৯২ স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির গলার কাঁটা</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">৭৯টি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। <span style="font-size: 16px;">সংখ্যাটা বিরাট এবং নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দিতে এই সংখ্যাটা বড় ভুমিকা রাখতে পারে। </span><span style="font-size: 16px;">যদি ধরে নেই, বিএনপি ১৮০ আসনে জয়ের টার্গেট সেট করেছে। তাহলে তার মধ্য ৭৯টি আসন জেতা তাদের জন্য কঠিন, অনেক ক্ষেত্রে অসম্ভব হয়ে উঠবে। যেটা দলটির জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে।</span></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বিদ্রোহী প্রার্থী হয় কারা?</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">&#8211; যাদের ব্যক্তিগত ভোট ব্যাংক আছে, যারা টাকাওয়ালা এবং যাদের দলের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর গাটস আছে। অর্থাৎ এরা প্রভাবশালী। কোথাও কোথাও বিদ্রোহী প্রার্থীরা মূল প্রার্থীর চেয়েও বেশি প্রভাবশালী হয়। যেমন- রুমিন ফারহানা, হাসান মামুন, সাইফুল নিরব। কখনো কখনো বিদ্রোহীরা জিতেও যায়।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সাধারণত দেখা যায়, কোন আসনে ১ম নেতা দলীয় মনোনয়ন পেলে, ২য় নেতা বিদ্রোহী হয়। আবার দ্বিতীয় নেতা মনোনয়ন পেলে ১ম নেতা বিদ্রোহী হয়। বাইরে থেকে নতুন কেউ এসে মনোনয়ন নিলে ১ম ও ২য় নেতা একজোট হয়ে একজন বিদ্রোহী হয়। কাজেই প্রতিটি বিদ্রোহী প্রার্থী মানেই শক্তিশালী কেউ।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এই ৭৯টি আসনে বিএনপির ভোট ভাগ হয়ে যাবে। যার সুবিধা পাবে জামায়াত। বিএনপিকে ঘরের ও বাইরের ‘শত্রুর’ সাথে লড়াই করতে হবে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">গত চার সপ্তাহে তারেক রহমান প্রচুর চেষ্টা করেছেন বিদ্রোহী প্রার্থীদের বসিয়ে দিতে। অনেককে পেরেছেন, ৭৯টি আসনের ৯২ জনকে ম্যানেজ করতে পারেননি।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তবে ভোটের আগের দিন পর্যন্ত এই চেষ্টা তিনি করেই যাবেন। হয়তো কিছু বিদ্রোহী শেষ পর্যন্ত ম্যানেজ হয়ে যাবে এবং সেটা বিএনপির জন্যই ভালো।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">যদি ধরে নেই তারেক রহমান ৩০টি আসনের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ম্যানেজ করতে পারবেন, তারপরও ৫০টি আসন থাকবে গলার কাঁটা হয়ে।</div>
<div dir="auto"><span style="font-size: 16px;">বিদ্রোহী প্রার্থী সেসব আসনেই হয়, যেখানে দলের জেতার সম্ভাবনা থাকে। যে আসনে জামায়াত জিতবে বলে আগে থেকেই বোঝা যায়, সেখানে বিএনপির কেউ বিদ্রোহী হবে না সাধারণত। যে কারণে একজন বিদ্রোহী প্রার্থী মানেই একটি সম্ভাবনাময় আসন হারানোর শঙ্কা।</span></div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আরেকটি সমস্যা হলো, বিদ্রোহীরা জানেন- ভোটে জিতলে তাদের সমাদর করে গুলশানে ডেকে নেয়া হবে। বহিষ্কার হলো আইওয়াশ মাত্র। কাজেই তারা জিততে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এছাড়া যেসব বিদ্রোহী ভোটের আগমুহূর্তে দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে বসে যাবেন, তাদের কর্মীরা পড়বে বিব্রতকর অবস্থায়। অনেকে রাগ করে কেন্দ্রেই যাবে না।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তাছাড়া তাদের মার্কাও ব্যালট পেপারে থাকবে। যে কারণে তার একান্ত সমর্থকরা অনেকেই হয়তো ওই মার্কাতেই ভোট দেবেন। আবার প্রার্থীও চিন্তা করতে পারেন- কিছু ভোট পেলে অন্তত জামানতটা ফেরত পাওয়া যাবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">কাজেই ৭৯ আসনের বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপির জন্য বড় মাথা ব্যথার কারণ।</div>
</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>আহমেদ বায়েজীদ</strong></div>
<div dir="auto">সাংবাদিক</div>
<div dir="auto">(লেখকের ফেসবুক টাইমলাইন থেকে সংগৃহীত)</div>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/12046">৯২ স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির গলার কাঁটা</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/12046/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">12046</post-id>	</item>
		<item>
		<title>কলাম : এনসিপি শেষ পর্যন্ত কী করবে</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/10799</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/10799#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 13:37:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=10799</guid>

					<description><![CDATA[<p>সানাউল্লাহ সাগর রাজনীতির অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন হলো, এনসিপি একা নির্বাচন করবে, নাকি কোনো জোটে যাবে? যদিও দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বরাত দিয়ে বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এনসিপি ৩০০ আসনেই একক প্রার্থী দেবে, কোনো জোটে যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে তারা দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রিও শুরু করেছে, যা তাদের একক অংশগ্রহণের প্রস্তুতিরই ইঙ্গিত। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/10799">কলাম : এনসিপি শেষ পর্যন্ত কী করবে</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto"><strong>সানাউল্লাহ সাগর</strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">রাজনীতির অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন হলো, এনসিপি একা নির্বাচন করবে, নাকি কোনো জোটে যাবে? যদিও দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বরাত দিয়ে বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এনসিপি ৩০০ আসনেই একক প্রার্থী দেবে, কোনো জোটে যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে তারা দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রিও শুরু করেছে, যা তাদের একক অংশগ্রহণের প্রস্তুতিরই ইঙ্গিত।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><span style="font-size: 16px;">তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন হচ্ছে, এনসিপি শেষ পর্যন্ত বিএনপি কিংবা জামায়াতের জোটে যোগ দিতে পারে। কারণ কিছু গণমাধ্যমে ইতিমধ্যে সেরকম সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সেসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা বিএনপির কাছে ১০টি আসন চেয়েছে। যদিও দলটি এ ধরনের খবর অস্বীকার করেছে, কিন্তু রাজনৈতিক মহলে সন্দেহের মেঘ এখনো কাটেনি। বরং উল্টো, আলোচনা আরও ঘনীভূত হয়েছে। বিএনপি যদি তাদের প্রত্যাশা পূরণ না করে, তাহলে এনসিপি হয়তো জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের দিকেও ঝুঁকতে পারে।</span></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><span style="font-size: 16px;">কিন্তু বাস্তবতা কিছুটা কঠিন। বিএনপি হয়তো সর্বোচ্চ ১০টি আসন ছাড়তে পারে, আর জামায়াতের জোটে গেলে ২০টির বেশি নয়; কিন্তু এবারের নির্বাচনে এনসিপির প্রত্যাশা অনেক। তাই এই সীমিত আসনসংখ্যা এনসিপির প্রত্যাশার সঙ্গে যায় না। তাছাড়া, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, জোটে গেলেও দলগুলোকে নিজস্ব প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। ফলে ধানের শীষ বা দাড়িপাল্লা মার্কার বাইরে শাপলাকলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে এনসিপি প্রার্থীদের জেতার সম্ভাবনা কম।</span></div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এখন বাস্তবতা হলো বিএনপি কিংবা জামায়াত কোনো জোটেই এনসিপিকে নিয়ে রিস্ক নিতে চাইবে না। আবার বিএনপি জোটে গেলে তাদের রাজনীতিতে দ্বিতীয় সারিতে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে। আর জামায়াতের সঙ্গে গেলে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিতর্ক তাদের ঘাড়ে এসে পড়বে। এই দুই বিপরীত চাপের মধ্যে দলটি কৌশলগতভাবে একক নির্বাচনের পথ বেছে নিতে পারে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তবে বর্তমান অবস্থায় রাজনীতির মাঠে একা লড়াই করাও সহজ নয়। এনসিপি নতুন দল হিসেবে মাঠ পর্যায়ের সংগঠন, প্রভাবশালী প্রার্থী, এবং ভোটার-সংযোগে এখনো দুর্বল। সে কারণে ৩০০ আসনে একক প্রার্থী দাঁড় করানো রাজনৈতিকভাবে সাহসী পদক্ষেপ হলেও বাস্তবতার বিচারে তা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। ভোটের মাঠে অভিজ্ঞতার অভাব ও সংগঠনগত দুর্বলতা তাদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্যে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।</div>
</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><span style="font-size: 16px;">অন্যদিকে, বিএনপি-জামায়াত বলয়ের বাইরে সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি নতুন, মুক্তিযুদ্ধপন্থী, প্রগতিশীল রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের প্রত্যাশা করছে। তারা চায়, এমন একটি বিকল্প শক্তি দাঁড়াক যা দেশের রাজনীতিকে অতীতের মেরুকরণ বা পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে বের করে আনবে। এনসিপি যদি সত্যিই নিজেদের নাগরিক-রাজনীতি বা সংস্কারমুখী রাজনীতির প্রতিনিধি হিসেবে দাঁড় করাতে চায়, তাহলে বিএনপি-জামায়াতের পরিবর্তে গণঅভ্যুত্থান বা নাগরিক সমাজঘনিষ্ঠ শক্তিগুলোর সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়াই তাদের জন্য  কৌশলগতভাবে লাভজনক হতে পারে।</span></div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আর এভাবে এনসিপি নিজেদের তৃতীয় শক্তির অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারলে তারা শুধু এই নির্বাচনে নয়, ভবিষ্যৎ রাজনীতিতেও টেকসই অবস্থান তৈরি করতে পারবে। তবে সেই পথে যেতে হলে দরকার হবে সঠিক ডিসিশান ও নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় জনসম্পৃক্ততা।</div>
</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>লেখক : কবি ও কথা সাহিত্যিক</strong></div>
<div dir="auto">(লেখাটি লেখকের ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেয়া)</div>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/10799">কলাম : এনসিপি শেষ পর্যন্ত কী করবে</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/10799/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">10799</post-id>	</item>
		<item>
		<title>ডাকসু হোক পরিবর্তনের উপলক্ষ</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/10187</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/10187#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 Sep 2025 07:23:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=10187</guid>

					<description><![CDATA[<p>সানাউল্লাহ সাগর ডাকসুতে ছাত্রশিবিরের সমর্থিত সাদিক-ফরহাদ-মহিউদ্দিন পরিষদের বিজয়ে বাংলাদেশের আগামী দিনের রাজনীতিতে একটি নতুন সূচনা হলো। এই বিজয়ের ফলে রাকসু, জাকসু, চাকসু নির্বাচনে তারা মানসিকভাবে এগিয়ে থাকবে। এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জামাতের ভোটেও তার প্রভাব পড়বে। এর প্রভাবে জামায়াতে ইসলামীর অন্তত ২-৩% ভোট বেড়ে যেতে পারে। তবে ছাত্রদলের এবার প্রার্থী নির্বাচন খারাপ ছিল বলে মনে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/10187">ডাকসু হোক পরিবর্তনের উপলক্ষ</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সানাউল্লাহ সাগর</strong></p>
<p>ডাকসুতে ছাত্রশিবিরের সমর্থিত সাদিক-ফরহাদ-মহিউদ্দিন পরিষদের বিজয়ে বাংলাদেশের আগামী দিনের রাজনীতিতে একটি নতুন সূচনা হলো। এই বিজয়ের ফলে রাকসু, জাকসু, চাকসু নির্বাচনে তারা মানসিকভাবে এগিয়ে থাকবে। এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জামাতের ভোটেও তার প্রভাব পড়বে। এর প্রভাবে জামায়াতে ইসলামীর অন্তত ২-৩% ভোট বেড়ে যেতে পারে।</p>
<p>তবে ছাত্রদলের এবার প্রার্থী নির্বাচন খারাপ ছিল বলে মনে করি না। তারা গতানুগতিক সভাপতি-সম্পাদককে বাদ দিয়ে তুলনামূলক ক্লিন ইমেজের ছাত্রনেতাদের মনোনয়ন দিয়েছিল; কিন্তু ছাত্রদলের নিজস্ব কোনো বয়ান ছিল না। তারা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠিত বয়ানে এগুতে চেয়েছে। কিন্তু ২৪-এর অভ্যুত্থান আওয়ামী বয়ান ভেঙে দিয়েছে। আওয়ামী বয়ান যে এখন আর মানুষ গ্রহণ করবে না সেটা আবার প্রমাণিত হলো।</p>
<p>বিএনপি এবং অনেক রাজনৈতিক বিশ্লষকরা মনে করেছিল, বিএনপির বিশাল ভোট ব্যাংক এবং সাথে বৃহৎ আওয়ামীবিরোধী গোষ্ঠী থাকার কারণে ছাত্রদলের প্যানেল জিতে যাবে; কিন্তু এটা প্রমাণ হলো যে, শুধু এন্টি আওয়ামী লীগ বা পুরাতন ভোটব্যাংকের হিসেবের উপর নির্ভর করে তারা এগোতে চাইলে ভুল করবে। তাদেরকে নতুন বয়ান তৈরি করতে হবে; যেটা শিবিরের বয়ানকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।</p>
<p>অন্যদিকে এই ধাক্কা বিএনপির জন্য সুবিধা এনে দিতে পারে। তারা রাকসু, জাকসু, চাকসু নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচনের আগে নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নতুন করে তৈরি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।</p>
<p>মোটকথা, আবিদ-হামিমরা হারেনি। একটি ভালো নির্বাচন হয়েছে, যেখানে ডাকসু জিতেছে, জুলাই স্পিরিট জিতেছে। ডাকসুর এই নির্বাচন ধারাবাহিক হোক। সামনের দিনে ছাত্রদল হয়তো নিজদেরকে আরো প্রস্তুত করে ফিরে আসবে সেই প্রত্যাশা থাকলো। আর চব্বিশ পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংঘর্ষ না হোক । সহিংসতার রাজনীতি আমরা আর চাই না।</p>
<p><strong>লেখক :</strong> কবি, কলামিস্ট</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/10187">ডাকসু হোক পরিবর্তনের উপলক্ষ</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/10187/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">10187</post-id>	</item>
		<item>
		<title>চিকিৎসায় হয়রানিতে ক্লান্ত রোগী</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/9720</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/9720#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 15 Aug 2025 13:26:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=9720</guid>

					<description><![CDATA[<p>&#160; তাসফিয়া জান্নাহ তুবা বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় রোগীর সময়, অর্থ, আর ধৈর্যের কোনো মূল্য নেই- তা সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি। ডাক্তারদের চেম্বারে গিয়ে প্রায়ই দেখা যায় ‘সিরিয়াল’ নামের বিষয়টি কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ। সময়মতো উপস্থিত হয়েও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় অনেক রোগীকে, কারণ ‘রেফারেন্স’ থাকা রোগীরা আগে সুযোগ পান। তাদের জন্য কখনো কখনো বিশেষ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/9720">চিকিৎসায় হয়রানিতে ক্লান্ত রোগী</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>&nbsp;</p>
<p><strong>তাসফিয়া জান্নাহ তুবা</strong></p>
<p>বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় রোগীর সময়, অর্থ, আর ধৈর্যের কোনো মূল্য নেই- তা সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি। ডাক্তারদের চেম্বারে গিয়ে প্রায়ই দেখা যায় ‘সিরিয়াল’ নামের বিষয়টি কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ। সময়মতো উপস্থিত হয়েও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় অনেক রোগীকে, কারণ ‘রেফারেন্স’ থাকা রোগীরা আগে সুযোগ পান। তাদের জন্য কখনো কখনো বিশেষ আতিথেয়তা, চা-নাস্তা পরিবেশন; যেন চিকিৎসার অংশ হিসেবেই ধরা হয়।</p>
<p>আর এ দৃশ্য নীরবে দেখতে হয় দূর-দূরান্ত থেকে আসা অসহায় রোগীদের, যারা কষ্ট করে টাকা, সময়, আর শক্তি ব্যয় করে শুধুমাত্র ন্যায্য চিকিৎসা পাওয়ার আশায় আসেন। অথচ এই মৌলিক অধিকারটুকুই তাদের নাগালের বাইরে।</p>
<p>ডাক্তার ও সহকারীদের উদাসীনতা, অযৌক্তিক প্রাধান্য, অহংকারী ব্যবহার- সব মিলিয়ে রোগীর অধিকার বারবার পদদলিত হচ্ছে। কয়েক মিনিটের তড়িঘড়ি আলাপ, কোনো স্পষ্ট চিকিৎসা-পরামর্শ ছাড়া শুধু অতিরিক্ত টেস্টের চাপ আর এর জন্য ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা ফি।পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ফলো-আপে আবার অতিরিক্ত ২০০/৫০০/৭০০ টাকা ফি দিতে হয়- যা কোন আইনের ভিত্তিতে নেওয়া হয়, তা স্পষ্ট নয়। দরিদ্র রোগীদের জন্য কোথাও কমিশন বা ছাড়ের ব্যবস্থাও নেই।</p>
<p>অনেক ডাক্তার একই দিনে ৩-৪টি চেম্বার করেন, সময়মতো আসেন না, রোগীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন। রাত ১টা-২টা পর্যন্ত রোগী দেখার পর, বিশেষ করে সার্জনরা, রাত ২টা-৩টা পর্যন্ত অপারেশন করেন- ফলে শারীরিক ক্লান্তি থেকে ভুলের ঝুঁকি বেড়ে যায়।</p>
<p>আমরা টাকা দিচ্ছি চিকিৎসার জন্য, নাকি অসম্মান আর অবহেলার জন্য?</p>
<p>দেশের নাগরিক হিসেবে আমরা আমাদের অন্যতম মৌলিক চাহিদা- স্বাস্থ্যসেবা টাকা দেওয়ার পরও পাই না। এটি শুধু অবিচার নয়, বরং মৌলিক মানবাধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন। সরকারি বা বেসরকারি, যেখানেই যাই না কেন, রোগীর সম্মান ও প্রাপ্য সেবা এখন বিলাসিতা হয়ে গেছে। এই ভঙ্গুর, দুর্নীতিগ্রস্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা বদলানো জরুরি-এখনই।</p>
<p><strong>লেখক :</strong> শিক্ষার্থী<br />
এইচএসসি, ২য় বর্ষ<br />
সরকারি মহিলা কলেজ, বরিশাল।</p>
<p>(মতামত লেখকের নিজস্ব।)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/9720">চিকিৎসায় হয়রানিতে ক্লান্ত রোগী</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/9720/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">9720</post-id>	</item>
	</channel>
</rss>
