ডেস্ক রিপোর্ট
ইউক্রেনকে সামরিক সহযোগিতা প্রদান সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বাগ্বিত-ার পর এ সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
ফক্স নিউজের বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, যতক্ষণ না ট্রাম্প মনে করবেন দেশটির নেতারা শান্তির প্রতি অঙ্গীকারের সদিচ্ছা দেখাচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত সহযোগিতা বন্ধ থাকবে। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে ফক্স নিউজ বলেছে, ‘এটি স্থায়ীভাবে সহযোগিতা বন্ধ নয়, এটি সাময়িক সময়ের জন্য।’
যুক্তরাষ্ট্রের যেসব সামরিক সরঞ্জাম এখন ইউক্রেনে নেই, সেগুলো এই সাময়িক সহযোগিতা বন্ধের আওতায় পড়বে। এর মধ্যে রয়েছে উড়োজাহাজ বা জাহাজে ইউক্রেনের পথে রয়েছে এবং ইউক্রেনে প্রবেশের অপেক্ষায় পোল্যান্ডে রয়েছে সেসব অস্ত্র।
সাময়িক এই অস্ত্র সহযোগিতা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইউক্রেনকে সামরিক সহযোগিতা প্রদান স্থগিত করা নিয়ে তিনি আলোচনা করেননি- হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এ কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই এ খবর প্রকাশিত হয়। তবে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটনের সহযোগিতার বিষয়ে জেলেনস্কির আরও কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত।
রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রায় তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেন কয়েকশো কোটি ডলারের সহযোগিতা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, রাশিয়ার সাথে শান্তিচুক্তির জন্য জেলেনস্কিকে পদত্যাগ করতে হতে পারে- এমন কথা উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়ালৎস বলেছেন, ইউক্রেনের একজন নেতা প্রয়োজন, যিনি আমাদের সঙ্গে কাজ করতে পারবেন, শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন এবং এই যুদ্ধ থামাতে পারবেন।’
ইউক্রেন যুদ্ধ বিষয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে রাশিয়ার সাথে আলোচনা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও সেই আলোচনায় ইউক্রেনকে রাখা হয়নি। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেনকে রাশিয়ার সাথে শান্তি চুক্তিতে রাজি হতে হবে। তবে ভূখ- ফেরত না পেলে চুক্তি করতে রাজি নন ভলোদেমির জেলেনস্কি । ##




