পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চাঁদা দাবির অভিযোগে উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ পাঁচজনের বিরূদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মজিদবাড়িয়া হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো: হাবিবুর রহমান সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন, মজিদবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: মোজাম্মেল মৃধা,মোঃ মজনু মৃধা, মো: দুলাল মৃধা, আ: করিম ও মো: মাসুদ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ আগস্ট মাদরাসায় এসে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রসহ উপজেলার মজিদবাড়িয়া হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাও: মো: হাবিবুর রহমানের কাছে দুই লাখ চাঁদা দাবি করে। এরপর আসামিরা তাকে (সুপার) নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে তার পদত্যাগপত্র লেখায় এবং তার স্বাক্ষর নেয়। এখানে চাকরি করতে পারবে না বলে হুমকি দেয়।
বিষয়টি মাদরাসার সুপার মাও: মো: হাবিবুর রহমান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করলে তাকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করতে বলেন। ১২ আগস্ট মির্জাগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন। এরপর ১৮ আগস্ট তিনি মাদরাসায় গেলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদরাসার অফিস কক্ষে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে সুপার মাওলানা মো: হাবিবুর রহমানকে মারধর করে আসামিরা।
তবে আসামি মজিদবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: মোজাম্মেল মৃধা চাঁদাবাজির বিষয়টা অস্বীকার করে বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দেয়া হয়েছে। আমি তখন ঢাকায় ছিলাম ছেলের চিকিৎসার জন্য।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দিন নান্নু বলেন, চাঁদাবাজির ব্যাপারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা রয়েছে যে কেউ চাঁদাবাজি করলে, এর প্রমাণ পেলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। মো: মোজাম্মেল মৃধার এ বিষয় আমরা অবগত হয়েছি এবং পটুয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়া ও সদস্য সচিব স্নেহাংশু (কুট্টি) সরকার স্বাক্ষরিত চিঠি মারফত মজিদবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করে তিন দিনের মধ্যে উপযুক্ত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এরই মধ্যে মামলা হয়েছে। এখন দলের হাই কমান্ড সিদ্ধান্ত নিবে।




