ব্যাংকিং খাতে খেলাপিঋণ : সমস্যা ও উত্তরণ উপায়

মুফতি আবু সাঈদ 

প্রচলিত অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো ব্যাংক ব্যবস্থা। আর ব্যাংক ব্যবস্থার মূল প্রাণ হলো সুদব্যবস্থা। সেজন্য প্রচলিত অর্থনীতি নানা সমস্যায় জর্জরিত। এর অন্যতম প্রধান একটি সমস্যা হচ্ছে খেলাপিঋণ সমস্যা। আমরা এই প্রবন্ধে খেলাপিঋণের মূল কারণ, এবং তার সমাধান নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

খেলাপি ঋণ একটি অর্থনৈতিক পরিভাষা। এর ব্যাখ্যা নানা অর্থ ব্যবস্থায় বিভিন্নভাবে করা হয়। আমরা মৌলিকভাবে ইসলামী অর্থনীতি ও পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার আলোকে তা বিশ্লেষণ করব। কারণ, খেলাপিঋণ মৌলিকভাবে পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থারই সমস্যা। ইসলামে খেলাপিঋণের অবকাশ খুবই কম। আমরা এ প্রবন্ধে যেহেতু খেলাপিঋণের মূল কারণগুলো অনুসন্ধান করে তার সমাধান পেশ করার প্রয়াস পাবো, আর সমাধানের ক্ষেত্রে আমরা ইসলামের আশ্রয় গ্রহণ করব। সেজন্য দুই অর্থব্যবস্থার আলোকেই খেলাপিঋণের ব্যাখ্যা জানা উচিৎ।

পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় কোনো ক্লায়েন্ট বা ঋণগ্রহীতা যদি চুক্তিবদ্ধ মেয়াদে তার ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহলে ওই ঋণকে খেলাপিঋণ বলে। চাই ক্লায়েন্ট মূল পুঁজি পরিশোধে ব্যর্থ হোক বা সুদ পরিশোধে ব্যর্থ হোক। সুতরাং পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় খেলাপিঋণের মধ্যে সুদ ও মূল ঋণ উভয়টিই অন্তর্ভুক্ত।

আর ইসলামী অর্থনীতিতে ক্লায়েন্ট কোনো কারণে যদি চুক্তিবদ্ধ সময়ের মধ্যে পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহলে ওই ঋণকে খেলাপিঋণ বলা হয়। সুতরাং ইসলামের দৃষ্টিতে সুদ বা অন্য কোনো অতিরিক্ত জিনিস খেলাপিঋণের অন্তর্ভুক্ত নয়।

যে ক্লায়েন্ট খেলাপিঋণ করেন, তাকে ঋণখেলাপি বলা হয়। তবে একজন ক্লায়েন্ট খেলাপি হওয়ার পর কখন থেকে তাকে খেলাপি বলা হবে, এটি নির্ধারণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণখেলাপির পরিচয় নেয়া যাক। বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি আইনে ঋণখেলাপির পরিচয় এভাবে দিয়েছে যে

খেলাপী ঋণ গ্রহীতা অর্থ কোনো দেনাদার ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি যাহার নিজের বা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে প্রদত্ত অগ্রীম, ঋণ বা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা বা উহার অংশ বা উহার উপর অর্জিত সুদ বা উহার মুনাফা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত সংজ্ঞা অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ৬ (ছয়) মাস অতিবাহিত হইয়াছে। (ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১, ধারা ৫(গগ)।

এই সংজ্ঞা অনুযায়ী কোনো গ্রাহক চুক্তিবদ্ধ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর ছয় মাস পর্যন্ত ঋণখেলাপি বলে গণ্য হবে না। সুতরাং শাস্ত্রবিদ্যা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংজ্ঞাতে দুস্তর ব্যবধান। শাস্ত্রবিদ্যা বলছে, চুক্তিবদ্ধ সময়ের পরই গ্রাহক ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য হবে। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, চুক্তিবদ্ধ সময়েরও ছয় মাস পরে ঋণ খেলাপি হবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক পরে নতুন নিয়ম করে সময়টি আরো বাড়িয়ে দেড় বছর পর্যন্ত করেছে। অর্থাৎ চুক্তিবদ্ধ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর দেড় বছর পার হলো গ্রাহককে ঋণখেলাপি বলা হবে। এর আগে নয়।

দেশে যদি খেলাপিঋণ বেড়ে যায়, তাহলে সামগ্রিক অর্থনীতি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। তখন ডিপজিটরদের কষ্টার্জিত সম্পদও ঝুঁকিতে পড়ে। ব্যাংকের বিনিয়োগ ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে ব্যাংকের মুনাফাও হ্রাস পায়। তখন ব্যাংক তার পরিচালন ব্যয় মেটাতে মূলধনে হাত দেয়। এতে মূলধন ঘাটতিও দেখা দেয়, যা একপর্যায়ে ব্যাংককে দেউলিয়া অবস্থায় পৌঁছিয়ে দেয়। এছাড়া খেলাপিঋণে ব্যাংক দুর্বল হয়ে পড়লে নতুন কোনো শিল্পে আর্থিক সাপোর্ট দিতে পারে না। ফলে শিল্পব্যবস্থার অগ্রযাত্রাও ব্যাহত হয়। আর ব্যাংক অর্থনৈতিকভাবে বিপদগ্রস্ত হলে সরকার তাকে বেইল আউট দিতে হয়। এতে রাষ্ট্রের উন্নয়নও ব্যাহত হয়। তখন সরকার রাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনীতিতে সুষম বণ্টন করতে পারে না। এতে দেশে দারিদ্র্যের হারও বৃদ্ধি পায়। মোটকথা খেলাপিঋণ এমন এক সঙ্কট, যার ঘানি সরকার থেকে নিয়ে দেশের প্রতিটি নাগরিককে টানতে হয়। সেজন্য এই সমস্যা কোনোভাবেই বরদাশত করার মতো নয়।

এখন প্রশ্ন জাগে, তবে দেশে ঋণখেলাপি বাড়ছে কেন? সমসাময়িক অর্থনীতিবিদগণ এর কারণ অনুসন্ধান করেছেন। এর মধ্যে ছয়টি কারণ সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। সেটি হলো, খেলাপিগ্রাহক, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অদূরদর্শিতা, রাজনৈতিক বিবেচনা, আইনগত দুর্বলতা ও সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা। এসব কারণেই দেশে আজ দিন দিন ঋণখেলাপি বেড়ে চলেছে। কিন্তু এর কোনো স্থায়ী ও টেকসই সমাধান হচ্ছে না। উৎসগুলো যেহেতু ব্যাখ্যার দাবি রাখে, সেজন্য আমরা সংক্ষেপে তা ব্যাখ্যা করছি।

১. খেলাপি গ্রাহক
ঋণখেলাপি সৃষ্টি হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে খেলাপি গ্রাহক। এর কারণ হলো, দেশে এমনভাবে নৈতিক অবক্ষয় ঘটেছে যে মানুষের মাঝে এখন ঋণ নিয়ে তা ফেরত দেয়ার মানসিকতাই শেষ হয়ে গেছে। এছাড়া গৃহীত ঋণকে অনৈতিক খাতে বিনিয়োগ, ঋণ দিয়ে ব্যবসা না করে স্থায়ী সম্পদে বিনিয়োগ, আর্থিক বিষয়ে জ্ঞানের অভাব ও হালাল-হারামের জ্ঞান না থাকার কারণে তারা ঋণ ফেরত দেয় না।

২. ব্যাংক কর্তৃপক্ষ
ঋণখেলাপি সৃষ্টির পেছনে ব্যাংক কর্তৃপক্ষেরও দায় কম নেই। তারা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই না করেই ঋণ দিয়ে দেয়। গ্রাহক থেকে তারা পর্যাপ্ত জামানতও রাখে না। এছাড়া ব্যাংগুলো অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয় যে কে কার চেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করতে পারে। এছাড়া রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ প্রদান, ব্যাপকভাবে ঋণ পুনঃতফসিল করার সুযোগ প্রদান, ঋণের টাকা কোন খাতে ব্যয় হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণ না করা এবং সুদ ও ঋণভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালনার কারণেও খেলাপি ‍ঋণ সৃষ্টি হয়।

৩. কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
দেশে ঋণখেলাপি সৃষ্টি হওয়ার পেছনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও দায় আছে। কারণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বই হচ্ছে ব্যাংকিং সেক্টরে সঠিক প্রক্রিয়ায় ঋণ বা বিনিয়োগ বিতরণ হচ্ছে কিনা, সঠিকভাবে তা উসুল হচ্ছে, এসব বিষয়ে তদারকি করা। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেনি। উল্টো আরো খেলাপিঋণ নীতিমালা শিথিল করেছে। ঋণ পুনঃতফসিল নীতি, অবলোপন নীতি, খেলাপি ঋণের সময়সীমা বাড়ানো ইত্যাদি নানা উপায়ে কেবল শিথিলতাই প্রদর্শন করেছে। অথচ তাদের দায়িত্ব ছিল এসব কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। সেজন্য গ্রাহকরা খেলাপিতে উৎসাহিত হয়েছে।

এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের স্বার্থে খেলাপিঋণ শিথিল করা, রাজনৈতিক স্বার্থকে মূল্যায়ন করা এবং খেলাপিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থায় না নেয়ায় দিন দিন খেলাপি বেড়েই চলেছে।

৪. রাজনৈতিক বিবেচনা
ঋণখেলাপি সৃষ্টির পেছনে রাজনৈতিক প্রভাবও অন্যতম প্রধান দায়ী। কারণ, রাজনীতিবিদরা ক্ষমতায় বসে জনতার আমানত সুরক্ষা না করে তা লুটপাটে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকেও রাজনৈতিক প্রভাবে প্রভাবান্বিত করে। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এমনও সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা বাস্তবে জনতার স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। এছাড়া ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের অনৈতিক সমর্থন প্রদান করে। এতে রাজনৈতিক আশ্রয়েই অনেক ঋণ খেলাপি সৃষ্টি হয়। তখন রক্ষকই ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।

৫. আইনগত দুর্বলতা
দেশে ঋণখেলাপি সৃষ্টির পেছনে আইনগত দুর্বলতাও অনেকাংশে দায়ী। যেকোনো বিষয়ে আইন প্রণয়ন করা হয় চোরাই পথ বন্ধ করার জন্য। কিন্তু ঋণখেলাপির আইনের মাধ্যমে ঋণখেলাপি তো বন্ধই হয় না। উল্টো ঋণখেলাপির অবারিত সুযোগ করে দেয়। অবলোপননীতি, ঋণ পুনঃতফসিলকরণ ইত্যাকার নিয়ম এর একেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এছাড়া ব্যাংক পরিচালক সংক্রান্ত নীতি ও আইনেও রয়েছে এর দুর্বলতা। বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে ২০ বা তারো অধিক পরিচালক রয়েছে। সেখানে স্বতন্ত্র বা আমানতকারীদের পক্ষ থেকে মাত্র তিনজন পরিচালক থাকেন। এতে সিন্ডিকেট তৈরি করে ঋণ খেলাপি করা সহজ হয়ে দাঁড়ায়।

৬. সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা
ঋণখেলাপি সৃষ্টির পেছনে আরেকটি উপাদান হলো সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা। ব্যাংক সুদভিত্তিক ঋণ দেয়ার কারণে গ্রাহকের ব্যবসায় দখলি নিতে পারে না। এতে গ্রাহক সহজেই দুর্নীতির আশ্রয় নিতে পারে। ফলে সুদভিত্তিক ব্যবস্থা খেলাপিঋণের সহায়ক হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা যদি এই ছয়টি বিষয়কে সামনে রাখি, তাহলে একটু ফিকির করলেই বুঝতে পারবো যে এখানে মৌলিক সমস্যা তিনটি। তা হলো, ক্রোনি ক্যাপিটালিজম, ঋণভিত্তিক অর্থব্যবস্থা এবং সুদ। এই তিনটি সমস্যার সমাধান করা গেলে ঋণ খেলাপি মোটা দাগে কমে যাবে। এবার তবে এই তিনটি বিষয়ে সমাধান খোঁজা যাক।

এক্ষেত্রে প্রথমে আমাদেরকে অর্থব্যবস্থায় সুদকে সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে। ঋণভিত্তিক বিনিয়োগ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে ইক্যুয়িটিভিত্তিক বিনিয়োগ চর্চায় অগ্রসর হতে হবে। একইসাথে ইসলামী অর্থনীতির ঋণ ব্যবস্থাপনা চালু করতে হবে। সেজন্য আমাদেরকে দুই ধরনের কর্মসূচি হাতে নিতে হবে। একটি হলো ব্যাপক কর্মসূচি। আরেকটি হলো কেবল খেলাপিদের জন্য কর্মসূচি।

ব্যাপক কর্মসূচিতে থাকবে
-শিল্পের জন্য আলাদা স্বতন্ত্র শিল্প ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা। কারণ, শিল্পখাতেই সবচেয়ে বেশি ঋণ খেলাপি হয়। এতে সাধারণ মানুষের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংক নিরাপদ হবে।
-সুদমুক্ত অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে।
-ইসলামী অর্থনীতি, বিনিয়োগনীতি, অর্থনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট নৈতিকতার জ্ঞান চর্চা স্কুল-কলেলে বাধ্যতামূলক করা। এতে নৈতিকতাবোধ তৈরি হবে। তখন টেকসই ও কল্যাণমুখী অর্থব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।
-ঋণ পরিশোধ না করার ভয়াবহতার বিষয়ে গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে।
-ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তর্জাতিক ফিকাহ ফোরমগুলোর স্ট্যান্ডার্ডকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।
-ইন্টার্নাল ও এক্সটার্নালাল শরিয়াহ অডিটের উপর জোর দিতে হবে।
-প্রতিটি ইসলামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য শরীয়াহ এক্সপার্ট বোর্ড বাধ্যতামূলক এবং রেগুলেটরি বোর্ডের সমপর্যায়ে উন্নীত করতে হবে।

আর খেলাপি ঋণদের জন্য বিশেষ কর্মসূচিতে থাকবে
-ইচ্ছেকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা।
-খেলাপিদেরকে সমাজে ফাসেক হিসেবে সাব্যস্ত করা।
-বিচারক কর্তৃক ঋণ পরিমাণ সম্পদ জব্দ করা।
-তাজির বা শাস্তি আরোপ করা। এর জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল থাকা উচিৎ।
-মামলা সংক্রান্ত খরচের দায় আরোপ।
-জীবন-মান সংকীর্ণ করা।
– প্রয়োজনে কারাবন্দী করে রাখা।
-খেলাপির সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়া
-ইচ্ছেকৃত খেলাপিদের কালো তালিকা তৈরি করে তা গণজমায়েতের স্থানে ঝুলিয়ে দেয়া।

মোটকথা বিদ্যমান পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রথমে আমাদেরকে সুদমুক্ত টেকসই অর্থব্যবস্থা তথা ইসলামী অর্থব্যবস্থা চালু করতে হবে। একইসাথে পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করতে হবে। তবে ঋণ খেলাপির গর্ত থেকে বের হওয়া সম্ভব। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করেন। আমিন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Scroll to Top