বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ভাইস চ্যাঞ্চেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে প্রশাসনিক কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টার দিকে তালা ঝুলিয়ে দেন কর্মচারীরা।
এ দিকে পদোন্নতির দাবিতে ২১ এপ্রিল থেকে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষকরা।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, ‘শিক্ষক সমাজ’র ব্যানারে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রত্যাশী শিক্ষকরা সোমবার সকাল ৯টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। পরে তারা রেজিস্ট্রারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভিসিকে প্রশাসনিকভাবে অসহযোগিতা করার আহ্বান জানান। একপর্যায়ে চাপের মুখে রেজিস্ট্রার তার কার্যালয় ত্যাগ করেন। এরপর কর্মচারীরা একে একে বিভিন্ন দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেন।
ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় বলেন, আমরা ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছি। তাকে আমরা প্রশাসনিকভাবে কোনো সহযোগিতা করবো না। বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকরা পদত্যাগ করছেন। ইতোমধ্যে তিনজন পদত্যাগ করেছেন। পদোন্নতি বোর্ড বসানোর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও ভিসি বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছেন। তাই আমরা আর তাকে প্রশাসনিক সহযোগিতা করবো না।
ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, সব বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায়। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করে এ ধরনের আন্দোলন সমীচীন নয়। কেউ আন্দোলন করলে ব্যক্তিগতভাবে কর্মবিরতি পালন করতে পারে। তবে অন্যের কাজে বাধা দেওয়া এবং কাউকে কাজ থেকে বিরত রাখা সম্পূর্ণ আইনবিরোধী। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত না থাকলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।




