বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
এর আগে এদিন সকাল ৬টার দিকে উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের গাববাড়িয়াা গ্রামের মোস্তফা ফরাজির বাড়িতে হঠাৎ করে হরিণটি চলে আসে। স্থানীয়রা প্রথমে বিষয়টি দেখে বিস্মিত হন এবং পরে বনবিভাগকে খবর দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাথরঘাটা উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় সুন্দরবনের সঙ্গে এর ভৌগোলিক দূরত্ব তুলনামূলক কম। এ কারণে অনেকের ধারণা, হরিণঘাটা সংরক্ষিত বন থেকে পথ হারিয়ে হরিণটি লোকালয়ে চলে এসেছে।
হরিণকে প্রথম দেখতে পাওয়া স্থানীয় যুবক আসাদুল জানান, তিনি সকালে ফসলের মাঠে কাজ করার সময় দূর থেকে হরিণটিকে দেখতে পান। পরে কয়েকটি কুকুর হরিণটিকে তাড়া করলে এটি দৌড়ে গিয়ে একটি জালে আটকে পড়ে। স্থানীয়রা জাল থেকে হরিণটিকে ছাড়িয়ে দিলে সেটি দৌড়ে মোস্তফা ফরাজির বাড়ির পুকুরপাড়ে গিয়ে আশ্রয় নেয়।
বাড়ির মালিক মোস্তফা ফরাজি বলেন, হরিণটি কোথা থেকে এসেছে তা বলতে পারছি না। কুকুরের তাড়া খেয়ে এটি আমার বাড়ির পুকুরপাড়ে এসে পড়ে। পরে আমি দ্রুত বনবিভাগ ও স্থানীয়দের খবর দিই। পরে বনবিভাগ এসে হরিণটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর হোসেন মৃধা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি একটি জীবিত হরিণ।
এ বিষয়ে স্থানীয় জ্ঞানপাড়া টহল অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুরজিৎ চৌধুরী বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বনবিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে গাববাড়িয়া ও কালিয়ার খাল গ্রাম থেকে দুটি হরিণ উদ্ধার করেছে। একটি হরিণ কিছুটা অসুস্থ ছিল। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে সেটিকে সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, হরিণগুলো কোনো চোরাকারবারির মাধ্যমে এলাকায় আনা হয়েছিল কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং কোনো ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




