মোঃমিজানুর রহমান, বোরহানউদ্দিন (ভোলা)
ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার লঞ্চঘাটে নোঙ্গর করা এমভি মানিক লঞ্চ যাত্রার পূর্ব মুহূর্তে পাখা পরিস্কার করতে গিয়ে খালে নেমে তাজুল ইসলাম (বড় মিয়া) নামের এক ইঞ্জিন রুমের স্টাফ নিখোঁজ হন। একদিন পর বৃহস্পতিবার তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
গত ৫ মার্চ বুধবার দুপুর ২ টার দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার খেয়াঘাটে এই ঘটনা ঘটে। ৬ মার্চ বৃহস্পতিবার এক কিলোমিটার অদূরে তার লাশ পাওয়া যায়। এমভি মানিক লঞ্চের স্টাফরা জানান, বোরহানউদ্দিন উপজেলার খেয়াঘাট থেকে প্রতিদিন এমভি মানিক লঞ্চটি ছেড়ে যায় বিকেল ৪ টার দিকে। লঞ্চ চেকের অংশ হিসেবে গতকাল যাত্রার পূর্ব মুহূর্তে লঞ্চের নিচে নামে পাখা পরিস্কার করার জন্য তাজুল ইসলাম খালের পানিতে ডুব দেয়। কিন্তু ১০ মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পরও পানির নিচ থেকে না উঠতে দেখে বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিসে ফোন করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অনেকক্ষণ চেষ্টা করেও তার সন্ধান পায়নি । পরে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ ডুবরি আনার জন্য অপেক্ষা করে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, লঞ্চ স্টাফ নিখোঁজের পর অনেক সময় অতিবাহিত হওয়ায় পর কিছু অতিউৎসাহী জনতা লঞ্চ ভাংচুর করে। একদিন অতিবাহিত হওয়ার পর বরিশাল থেকে আসা ডুবুরি দলের একটি টিম বোরহানউদ্দিন খেয়াঘাট খালে উদ্ধারে নেমে এক কিলোমিটার অদূরে সুরমা ব্রিকসের পাশে খাল থেকে উদ্ধার করে লঞ্চ স্টাফ তাজুল ইসলামের লাশ।




