চরফ্যাসন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে যুবদল অফিসে হামলা ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইয়াছিন ডাক্তার ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। হামলায় ফারুক (৩০) মমিন (২৬) নামে দুই ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদেরকে চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে । বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ৭টার দিকে আলম ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ফারুক ও মমিনের স্বজন হাসনাঈন বলেন, গত বুধবার আলম ঘাট নদীর পাড়ে নদীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ইয়াছিন ডাক্তার গ্রুপের কয়েকজনের সাথে আমার বাকবিতণ্ডা হয়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। এ সময় ইয়াছিন ডাক্তারের লোকজন আমাকে সহ আমাদের কয়েকজনকে মারধর করে। পরদিন (বৃহস্পতিবার) জোহরবাদ বিষয়টি ফয়সালার কথা ছিলো কিন্তু ফয়সালায় না বসে সন্ধ্যার দিকে
যুবদল অফিসে বসা অবস্থায় ইয়াছিন ডাক্তারের নেতৃত্বে ইসমাঈল(৩৫), জহির(২৫), দ্বীন ইসলাম(২০), হারুন (৩০) আনাস(৩০), হাসান (৩৫) লাঠিসোঁটা, দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাদের উপর হামলা করে ব্যাপক মারধর করে, পরে যুবদল অফিস ভাংচুর করে স্থান ত্যাগ করে।
স্থানীয়রা জানান, আলমঘাটে যুবদল অফিসের ভিতরে হৈচৈ শুনে গিয়ে দেখি ফারুক সহ কয়েক জন আহত অবস্থায় অফিসের মেঝেতে পড়ে আছে। এ সময় কয়েকজনকে দৌড়ে চলে যেতে দেখেছি। তবে অন্ধকার থাকায় তাদের মুখ পরিস্কার দেখতে পারিনি।
বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত ইয়াছিন ডাক্তার মুঠোফোনে বলেন, আমরা যুবদলের অফিস ভাংচুর করিনি, তারা নিজেদের লাঠির আঘাতে নিজেরাই আহত হয়েছে। আমাদের লোকজনও আহত হয়েছে।
শশীভূষণ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, বিষয়টি শুনেছি, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




