বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ করার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘দেশে-বিদেশে সবকিছুর লাইসেন্স ব্যবস্থা আছে। কিন্তু ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার খুলবেন, এগুলো কি আইনের আওতায় আসবে না মনে করেন? সব আস্তে আস্তে হবে।’
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কুমিল্লা অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা, প্রতিটি কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
তিনি বলেন, ‘চিহ্নিত করতে হবে কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে দুর্বল। সেভাবে শিক্ষকদের ব্যবস্থা নিতে হবে। এভাবে কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ করতে হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা অনেক কাজ করেছি। কিন্তু স্বপ্ন একটি, তারেক রহমানের আগামীর বাংলাদেশ গড়া। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আর দশটা মন্ত্রণালয়ের মতো না। এখানে যারা কাজ করছেন তারা সবাই সদকায়ে জারিয়াহ পাবেন।’
শিক্ষকদের উদ্দেশে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আপনারা যদি সত্যিকার অর্থে ছাত্রদের লেখাপড়া শেখান তাহলে সদকায়ে জারিয়া পাবেন। আমি বলেছিলাম শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা। এখানে আপনি অজু ছাড়া ঢুকতে পারবেন না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে থেকে অসৎ কাজ করা যায় না। এই মন্ত্রণালয়কে আমি পবিত্র করেছিলাম। সেখানে আপনারা কাজ করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকরা আবার না জিজ্ঞেস করেন শিক্ষাব্যবস্থায় ধস নামবে কি না? তাই সবাইকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিগত বছরগুলোর সঙ্গে মেলাতে হবে, জানতে হবে। জেন-জিরা আমাদের সত্য কথা বলতে শিখিয়েছে, তাদের কমিটমেন্ট থাকতে হবে শিক্ষকদের সহায়তা করবেন।’
তিনি বলেন, ‘১৯৭২ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত নকলে সহায়তা করেছিলেন শিক্ষকরা। আবার ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সালে আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলাম। পরে আমরা সরে গেলাম, আবার সেই একই অবস্থা। তার মানে যেভাবে সরকার চায়, আপনারা সেভাবে কাজ করবেন। এবার আমরা এসেছি, আমরা নকল চাই না।’