আন্তর্জাতিক ডেস্ক
কানাডায় চলমান জি-৭ সম্মেলন শেষ হওয়ার আগেই দেশে ফিরেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও দখলদার ইসরায়েলে মধ্যে যুদ্ধের মধ্যেই হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিটও মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যা চলছে সেটি বিবেচনা করে ট্রাম্প সম্মেলন শেষ হওয়ার একদিন আগে ফিরে যাচ্ছেন। প্রেস সচিব ক্যারোলিন বলেছেন, সম্মেলনে অনেক কিছু অর্জিত হয়েছে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যা হচ্ছে সেটির কারণে আজ রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে নৈশভোজ শেষে প্রেসিডেন্ট কানাডা ছাড়বেন।
ট্রাম্পের ফিরে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পরার আগে সামাজিক মাধ্যম ট্রুথে একটি পোস্ট করেন তিনি। সেখানে ইরানিদের যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক চুক্তির তাগাদা দিয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানের সাধারণ জনগণকে জরুরিভিত্তিতে সরে যাওয়ার জন্য বলেছেন। তার পোস্টের পর শঙ্কা তৈরি হয়েছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে যুক্ত হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে কিছু মার্কিন কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো যুদ্ধে যোগ দেয়ার কথা ভাবেনি।
কিছু মার্কিন সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ট্রাম্প কানাডা থেকে দেশে ফেরার আগেই হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমে জরুরী ভিত্তিতে নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠক ডাকা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। তবে বৈঠকের এজেন্ডা কী সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাতে পারেনি সংবাদ মাধ্যমগুলো। ট্রাম্পের কানাডা থেকে ফিরে ওই বৈঠকে যোগ দেয়ার কথা।
এদিকে ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধে যোগ দেয়া ঠেকাতে একটি বিল এনেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের একজন ডেমোক্রেটিক সিনেটর। বিলটিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যোগ দিতে চাইলে তাকে অবশ্যই এ বিষয়ে পার্লামেন্ট অর্থাৎ কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে।
আলজাজিরা জানিয়েছে, ভার্জিনিয়া থেকে নির্বাচিত সিনেটর টিম কাইন বিলটি উত্থাপন করেছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছে, আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন যে, বর্তমানে ইরান ইসরাইলের সঙ্ঘাত যুক্তরাষ্ট্রকে আরো একটি গন্তবহীন যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলতে পারে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সেনাবাহিনী পাঠাতে আমেরিকার জনগন আগ্রহী নয়। সেটি করতে হলে অবশ্যই পার্লামেন্টে বিতর্ক ও ভোটাভুটি করতে হবে।




