আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দুই দিন অপেক্ষার পর পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। শনিবার ভোর রাতে ভারতের বিভিন্ন সামরিক টার্গেটে হামলা শুরু করে পাকিস্তানের সেনা ও বিমান বাহিনী। একযোগে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের বেশ কিছু সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের যেসব ঘাঁটি থেকে হামলা চালানো হয়েছে, সেসব ঘাঁটিকেই টার্গেট বানিয়েছে তারা। হামলার শুরুতেই ভারতের একটি এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে পকিস্তানের সেনাবাহিনী।
পাকিস্তান এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন বুনিয়ানুম মারসুস’। যার অর্থ সীসাঢালা প্রাচীর। পবিত্র কোরআনে মুমিন যোদ্ধাদের দৃঢ়তাকে সীসা ঢালা প্রচীরের সাথে তুলনা করা হয়েছে। পাকিস্তান সেখান থেকেই এই অপারেশনের নামটি উদ্বৃত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির খবরেও পাকিস্তানের তিনটি বিমান ঘাঁটিতে ভারতীয় হামলার কথা বলা হয়েছে। এরপরই ভারতীয় সেনা অবস্থানে পাল্টা আঘাত হানে পাকিস্তান। তারা শুরু করে অপারেশন বুনিয়ানুম মারসুস।
জিও নিউজকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়ছে, ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ৭টি টার্গেট লক্ষ্য করে শনিবার ভোররাতে হামলা শুরু করে পাকিস্তান। এর মধ্যে ছিলো পাঠানকোট বিমান ঘাঁটি, উধামপুর বিমান ঘাঁটি, গুজরাট বিমান ঘাঁটি, রাজস্থান বিমান ঘাঁটি এবং ব্রাহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের একটি মজুদ কেন্দ্র।
সংবাদ মাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, ভারতের উদামপুর বিমান ঘাঁটিতে ৩টি মিসাইল দিয়ে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এই হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে নিজস্ব উৎপাদিত ফাতেহ-১ মিসাইল, যার পাল্লা ১২০ কিলোমিটার। এছাড়া ভারতীয় সেনাদের একটি ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার ধ্বংসের কথা জানিয়েছে পাকিস্তান। উরি এলাকার একটি সেনা মজুদ কেন্দ্রেও হামলা করেছে। এছাড়া সাইবার হামলা চালিয়ে ভারতের পাওয়ার গ্রিড অনেকটাই দুর্বল করে দেয়া হয়েছে।
সেনা সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য ডনের খবরে বলা হয়েছে, শনিবারের হামলায় ভারতের একটি এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস করেছে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। চীন-পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে তৈরি চতুর্থ প্রজন্মের ফাইটার জেট জেএফ-১৭ থেকে একটি হাইপারসনিক মিসাইল ছুড়ে ওই এস-৪০০ ব্যাটারি ধ্বংস করা হয়।
এস-৪০০ রাশিয়ার তৈরি সর্বাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। যা শত্রুর যুদ্ধ বিমান ও মিসাইল ঠেকাতে খুবই কার্যকর অস্ত্র হিসেবে পরিচিত। পকিস্তানের হামলায় এই সিস্টেম ধ্বংস হওয়া ভারতীয় বাহিনীর জন্য একটি বিরাট আঘাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এছাড়া অধিকৃত কাশ্মিরের রাজৌরিতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একটি ট্রেনিং সেন্টার, কেজি টপ ব্রিগেড হেড কোয়ার্টার, দেহরাংগিরি আর্টিলারি পজিশন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।




