
ডেস্ক রিপোর্ট
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা। হামলার সময় তেহরানে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিন ধরে দেওয়া হুমকি ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলা চালানো হলো।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক বিবৃতিতে হামলার ঘোষণা দিয়ে বলেন, দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউইয়র্ক টাইমসকে মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারাও হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অন্তত তিনটি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
ইসরায়েলে সম্ভাব্য ইরানি পাল্টা হামলার আশঙ্কায় সারা দেশে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। নাগরিকদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরান যদি তার পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার দাবিসহ বিভিন্ন শর্ত না মানে, তবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তার শর্ত মানতে বাধ্য করার লক্ষ্যেই ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ মধ্যপ্রাচ্যে গড়ে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডে মধ্যস্থতাকারীর সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা শেষ মুহূর্তের বৈঠকে বসেন। আলোচনার বিষয় ছিল তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। তবে সেই বৈঠক কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়।




