বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
ইয়েমেনে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে কমপক্ষে ২৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধাদের অবস্থান লক্ষ্য করে চালানো হামলায় হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। মূলত গাজা নিয়ে ইসরায়েলকে হুমকি দেওয়ার পর হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে এই হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
মূলত গাজা উপত্যকায় সম্পূর্ণ অবরোধের কারণে হুথিরা লোহিত সাগরে ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোতে পুনরায় আক্রমণ শুরু করার হুমকি দেওয়ার পরে যুক্তরাষ্ট্র এই হামলা চালাল। গাজা ভূখ-ে ইসরায়েলি অবরোধ তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইয়েমেনে বড় ধরণের হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছে। একই সাথে ট্রাম্প হুথিদের পৃষ্ঠপোষক ইরানকে সতর্ক করেছেন। দ্রুত হুথিদের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহর করে নিতেও বলেন ট্রাম্প। হুমকির সুরে ইরানকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দেয়, তাহলে তাদের পুরোপুরি জবাবদিহি করবে আমেরিকা। আমরা বিষয়টি কিছুতেই ভালোভাবে নেব না।
আল জাজিরা বলছে, মার্কিন হামলার পর ইয়েমেনে প্রাণহানির সংখ্যা প্রাথমিকভাবে ১৯ বলে জানানো হয়েছিল। তবে হুথিদের সহযোগী আল মাসিরাহ টিভি জানিয়েছে, ইয়েমেনের সাদায় মার্কিন হামলায় নিহতের সংখ্যা ছয় থেকে বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে চার শিশু এবং একজন নারী রয়েছেন। চ্যানেলটি আরও জানিয়েছে, হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন।
এছাড়া রাজধানী সানায় আরও ১৩ জন নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, মার্কিন হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। হুথিদের সহযোগী এই চ্যানেলটি আরো জানিয়েছে, সাদায় হামলায় সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যার ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
হামলার পর ট্রাম্প তার প্রতিষ্ঠিত ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে লিখেছেন, হুথি সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্যে বলছি- তোমাদের সময় শেষ। তোমাদের হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে এবং সেটি আজ থেকেই। সেটি না হলে তোমাদের ওপর নরক নেমে আসবে, যা তোমরা আগে কখনোই দেখনি। ##




