<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ধর্ম Archives - বরিশাল জার্নাল</title>
	<atom:link href="https://barishaljournal.com/archives/category/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://barishaljournal.com/archives/category/ধর্ম</link>
	<description>বরিশাল থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল</description>
	<lastBuildDate>Thu, 14 May 2026 15:40:40 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://barishaljournal.com/wp-content/uploads/2024/09/cropped-bj-32x32.png</url>
	<title>ধর্ম Archives - বরিশাল জার্নাল</title>
	<link>https://barishaljournal.com/archives/category/ধর্ম</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
<site xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">238084018</site>	<item>
		<title>হঠাৎ রাগ নিয়ে যে পরামর্শ দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/15702</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/15702#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 14 May 2026 15:40:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=15702</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক কারো প্রতি রাগ হলে তৎক্ষণাৎ প্রকাশ না করে যতটা সম্ভব সময় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ পরামর্শ দেন তিনি। পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, কারো প্রতি রাগ হলে তৎক্ষণাৎ প্রকাশ না করে যতটা সম্ভব সময় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/15702">হঠাৎ রাগ নিয়ে যে পরামর্শ দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক</p>
<p>কারো প্রতি রাগ হলে তৎক্ষণাৎ প্রকাশ না করে যতটা সম্ভব সময় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।</p>
<div class="adDiv w320 hidden-print overflowHidden marginB30">
<div></div>
<div id="google_ads_iframe_/22845897056/JG_Desktop_Details_R-2_0__container__"></div>
</div>
<p>বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ পরামর্শ দেন তিনি।</p>
<p>পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, কারো প্রতি রাগ হলে তৎক্ষণাৎ প্রকাশ না করে যতটা সম্ভব সময় নিন। রাগের প্রকাশ যত বিলম্বে হবে, রাগ তত নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এবং এর পরিণতিও হবে তত সুন্দর।</p>
<p>পোস্টের কমেন্ট বক্স তিনি লিখেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাগ আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। রাগ যখন ঠান্ডা হয়, তখন আমরা সুস্থ মস্তিষ্কে চিন্তা করতে পারি।</p>
<p>শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও লেখেন, ‘তাই রাগ কমার আগে ধুম করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। এতে পরে লজ্জিত হতে হয়।’</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/15702">হঠাৎ রাগ নিয়ে যে পরামর্শ দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/15702/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">15702</post-id>	</item>
		<item>
		<title>শুক্রবারের যে আমল পৌঁছানো হয় মহানবীর (সা.) কাছে</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/15447</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/15447#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 08 May 2026 06:02:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=15447</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক জুমার দিনের গুরুত্ব অনেক। হজরত মুহাম্মদ (সা.) এ দিনকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। বিশেষ আমল করতেন। এ দিনের বেশ কিছু আমল আছে। এ আমলগুলো হজরত মুহাম্মদ (সা.) করেছেন। তিনি সাহাবিদের করার জন্য আদেশ দিয়েছেন। এ আমলগুলোর করার দ্বারা ব্যক্তির আমলনামা সওয়াবে ভরপুর হয়। ব্যক্তি জান্নাতে যাওয়ার সুযোগ লাভে ধন্য হয়। আমলকারীর কথা জানতে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/15447">শুক্রবারের যে আমল পৌঁছানো হয় মহানবীর (সা.) কাছে</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক</p>
<p>জুমার দিনের গুরুত্ব অনেক। হজরত মুহাম্মদ (সা.) এ দিনকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। বিশেষ আমল করতেন। এ দিনের বেশ কিছু আমল আছে। এ আমলগুলো হজরত মুহাম্মদ (সা.) করেছেন। তিনি সাহাবিদের করার জন্য আদেশ দিয়েছেন। এ আমলগুলোর করার দ্বারা ব্যক্তির আমলনামা সওয়াবে ভরপুর হয়। ব্যক্তি জান্নাতে যাওয়ার সুযোগ লাভে ধন্য হয়। আমলকারীর কথা জানতে পারেন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। আমলকারী বাঁচতে পারে দাজ্জালের ফেতনা থেকে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>জুমার নামাজের প্রতি গুরুত্বারোপ করে আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ, জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য ডাকা হয়, তখন আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও। বেচাকেনা ছেড়ে দাও, এটাই তোমাদের জন্য অতি উত্তম, যদি তোমরা জানতে!’ (সুরা জুমা, আয়াত: ৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিন একটু বেশি আমল করা হয়। নামাজের জন্য উত্তমভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। যারা সাধারণত সপ্তাহের অন্যান্য দিন নামাজ পড়েন না, তারাও জুমার দিন নামাজে আসেন। এই ব্যতিক্রম মুসলমানদের আনন্দ দেয়। ইবাদতে প্রাণ সঞ্চার করে। জুমার দিন পেয়ে আনন্দিত হওয়া সওয়াব। এটি সুন্নতও।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>হজরত মুহাম্মদ (সা.) এ দিনে একটি আমল বেশি বেশি করতে বলেছেন। কারণ, জুমার দিনের এ বিশেষ আমলটি তার কাছে উপস্থাপন করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা জুমার দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো, কেননা তোমাদের পাঠকৃত দরুদ আমার সামনে পেশ করা হয়।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৭)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ পড়ার অনেক গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। কোরআনে আছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে ইমানদাররা, তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং বেশি পরিমাণে সালাম পাঠ করো।’ (সুরা আহজাব, আয়াত: ৫৬)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>এখানে দশটি দরুদ উল্লেখ করা হলো—</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এক. <strong>উচ্চারণ:</strong> আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন, ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ।<br />
<strong>অর্থ:</strong> হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর এবং মুহাম্মদ (সা.)-এর বংশধরদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ১২৯২)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>দুই. <strong>উচ্চারণ: </strong>সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ।<br />
<strong>অর্থ:</strong> আল্লাহ মুহাম্মদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন। (সুনান নাসায়ি, হাদিস: ১৭৪৬)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>তিন. <strong>উচ্চারণ:</strong> আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিইয়িল উম্মিইয়ি, ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন।<br />
<strong>অর্থ:</strong> হে আল্লাহ, আপনি উম্মি (নিরক্ষর) নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর এবং মুহাম্মদ (সা.)-এর বংশধরদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৯৮১)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>চার. <strong>উচ্চারণ:</strong> আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন আবদিকা ওয়া রাসুলিক, ওয়া সাল্লি আলাল মুমিনিনা ওয়াল মুমিনাতি, ওয়াল মুসলিমিনা ওয়াল মুসলিমাত।<br />
<strong>অর্থ:</strong> হে আল্লাহ, তুমি রহমত বর্ষণ করো তোমার বান্দা ও রাসুল মুহাম্মদের ওপর এবং সব মুমিন নারী-পুরুষ ও মুসলিম নারী-পুরুষের ওপর। (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস: ৬৪৪)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>পাঁচ. <strong>উচ্চারণ:</strong> আল্লাহুম্মা আনজিলহু মাকআদাল মুকাররাবা, ইনদাকা ইয়াওমাল কিয়ামাতি।<br />
<strong>অর্থ: </strong>হে আল্লাহ, তাঁকে তুমি কিয়ামতের (কিয়ামতের) দিন তোমার কাছে মর্যাদাপূর্ণ জায়গা দিয়ো। আমার সুপারিশ তাঁর জন্য অনিবার্য হয়ে যাবে। (মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস: ৯৩৬)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>ছয়. <strong>উচ্চারণ:</strong> আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা বারাকতা আলা ইবরাহিমা, ওয়া আলি ইবরাহিমা ইন্নাকা হামিদুম্মাজিদ।<br />
<strong>অর্থ:</strong> হে আল্লাহ, মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের ওপর এমনভাবে বরকত দাও, যেমনভাবে দিয়েছ ইবরাহিম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর। নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ৬৮)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সাত. <strong>উচ্চারণ:</strong> আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন আবদিকা ওয়া রাসুলিক, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিমা, ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদিন, ওয়া আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইবরাহিমা।<br />
<strong>অর্থ: </strong>হে আল্লাহ, তোমার বান্দা ও রাসুল মুহাম্মদের ওপর এমনভাবে দরুদ পাঠ করো, যেমনভাবে করেছ ইবরাহিমের ওপর। আর মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের ওপর এমনভাবে বরকত দাও, যেমনভাবে দিয়েছ ইবরাহিমের ওপর। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ১২২৬)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আট. <strong>উচ্চারণ:</strong> আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন, ওয়া আজওয়াজিহি, ওয়া জুররি য়াতিহি, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিমা, ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদিন, ওয়া আজওয়াজিহি ওয়া জুররি য়াতিহি, কামা বারাকতা আলা ইবরাহিমা, ফিল আলামিনা ইন্নাকা হামিদুম্মাজিদ।<br />
<strong>অর্থ: </strong>হে আল্লাহ, মুহাম্মদ এবং তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি এমনভাবে দরুদ পাঠ করো, যেমনভাবে করেছ ইবরাহিমের ওপর। হে আল্লাহ, মুহাম্মদ এবং তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি এমনভাবে বরকত অবতীর্ণ করো যেমনভাবে করেছ ইবরাহিমের পরিবার-পরিজনের ওপর। নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৭৩৮)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>নয়. <strong>উচ্চারণ: </strong>আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন, আবদিকা ওয়া রাসুলিক, কামা সাল্লাইতা আলা আলি ইবরাহিমা, ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদিন, ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইবরাহিমা।<br />
<strong>অর্থ: </strong>হে আল্লাহ, তোমার বান্দা এবং রাসুল মুহাম্মদের ওপর এমনভাবে দরুদ পাঠ করো, যেমনভাবে করেছ ইবরাহিমের পরিবার-পরিজনের ওপর। আর মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের ওপর এমনভাবে বরকত দাও, যেমনভাবে দিয়েছ ইবরাহিমের ওপর। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৭৯৮)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>দশ. <strong>উচ্চারণ:</strong> আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদি নিন্নাবিইয়িল উম্মিইয়ি, ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিমা, ওয়া আলা আলি ইবরাহিমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।<br />
<strong>অর্থ:</strong> হে আল্লাহ, নিরক্ষর নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের ওপর এমনভাবে দরুদ পাঠ করো, যেমনভাবে করেছ ইবরাহিম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর। নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৩৭০)</p>
<p>এশিয়া পোস্ট</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/15447">শুক্রবারের যে আমল পৌঁছানো হয় মহানবীর (সা.) কাছে</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/15447/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">15447</post-id>	</item>
		<item>
		<title>আরব আমিরাতে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/15404</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/15404#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 May 2026 07:02:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=15404</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক পবিত্র ঈদুল আজহা তথা কোরবানির ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গণণার হিসাব অনুযায়ী, আগামী ২৭ মে (বুধবার) আরব আমিরাতে ঈদুল আজহা উদযাপন হতে পারে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ। &#160; দেশটির অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, আগামী ১৭ মে রোববার দিবাগত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/15404">আরব আমিরাতে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক</p>
<p>পবিত্র ঈদুল আজহা তথা কোরবানির ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গণণার হিসাব অনুযায়ী, আগামী ২৭ মে (বুধবার) আরব আমিরাতে ঈদুল আজহা উদযাপন হতে পারে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>দেশটির অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, আগামী ১৭ মে রোববার দিবাগত রাত ১২টা ০১ মিনিটে জিলহজ মাসের চাঁদ জন্ম নেবে। ওইদিন সূর্যাস্তের প্রায় ৫৮ মিনিট পর পর্যন্ত চাঁদটি দিগন্তের ১০ ডিগ্রি ওপরে অবস্থান করবে। মহাকাশ গবেষণা তথ্যের ভিত্তিতে তিনি জানান, আকাশ পরিষ্কার থাকলে ওই রাতে খালি চোখেই নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>যদি ১৭ মে জিলহজের চাঁদ দেখা যায়, তাহলে আগামী ১৮ মে (সোমবার) ওই মাসের প্রথম দিন গণনা করা হবে। সে হিসেবে, জিলহজ মাসের ৯ তারিখ অর্থাৎ আরাফা দিবস পড়বে ২৬ মে (মঙ্গলবার)। পরের দিন ২৭ মে (বুধবার) আরব আমিরাতে পবিত্র কোরবানির ঈদ পালিত হবে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>তারিখগুলো পুরোপুরি বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট করে বলেছেন, জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদুল আজহা পালিত হবে। দেশটির চাঁদ দেখা কমিটি ঈদের চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক তারিখ ঘোষণা করবে বলে জানান তারা।</p>
<div id="related_more" class="my-2"></div>
<p>&nbsp;</p>
<p>এর আগে পাকিস্তানের বিশেষজ্ঞ ও চাঁদ দেখা সংক্রান্ত গবেষণা কাউন্সিল বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে জানিয়েছে, আগামী ২৭ মে পাকিস্তানে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>রুয়েত-ই-হিলাল রিসার্চ কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল খালিদ এজাজ মুফতি জানান, এ বছর পাকিস্তান ও সৌদি আরবে একই দিনে ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা বেশ জোরালো। কারণ, ১৭ মে করাচি, পেশোয়ারসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সূর্যাস্তের পর প্রায় ৫৫ থেকে ৬৩ মিনিট পর্যন্ত চাঁদ দিগন্তে দৃশ্যমান থাকতে পারে—যা খালি চোখে দেখার জন্য পর্যাপ্ত সময় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের রিসার্চ কাউন্সিলের হিসাব অনুযায়ী, ১৬ ও ১৭ মে মধ্যবর্তী রাত ১টা ১৫ মিনিটে নতুন চাঁদের (নিউ মুন) জন্ম হবে, যা ইসলামী মাস গণনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, ১৭ মে সূর্যাস্তের সময় চাঁদের বয়স ১৮ ঘণ্টার বেশি থাকবে। সাধারণত চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার জন্য এই বয়সকে যথেষ্ট ধরা হয়। যদি ওই দিন আকাশ পরিষ্কার থাকে, তাহলে সন্ধ্যায় সহজেই জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ১৮ মে থেকে শুরু হবে জিলহজ মাস, আর ১০ জিলহজ অর্থাৎ ২৭ মে পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>তবে সবকিছুই নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। যদি কোনো কারণে ১৭ মে চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে জিলকদ মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। সে ক্ষেত্রে জিলহজ শুরু হবে ১৯ মে এবং ঈদুল আজহা একদিন পিছিয়ে ২৮ মে উদযাপিত হতে পারে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এদিকে সৌদি আরবের সরকারি ক্যালেন্ডার উম আল কুরার তারিখ অনুযায়ী, আগামী ২৭ মে দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে। এর আগের দিন হবে হজ।</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/15404">আরব আমিরাতে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/15404/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">15404</post-id>	</item>
		<item>
		<title>বজ্রপাত থেকে বাঁচতে মহানবী (সা.) যে দোয়া পড়তেন</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/15091</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/15091#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 06:26:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=15091</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক যখন আকাশে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়, বিদ্যুৎ চমকায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা দেখা দেয়, তখন মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই ভয় জাগে। এমন মুহূর্তে আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন এবং বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন। তেমনই একটি বিশেষ দোয়া হলো- اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ উচ্চারণ : [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/15091">বজ্রপাত থেকে বাঁচতে মহানবী (সা.) যে দোয়া পড়তেন</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক</p>
<article class="mb-5">যখন আকাশে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়, বিদ্যুৎ চমকায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা দেখা দেয়, তখন মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই ভয় জাগে। এমন মুহূর্তে আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন এবং বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন। তেমনই একটি বিশেষ দোয়া হলো-</p>
<p>اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ</p>
<p>উচ্চারণ :<br />
‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা, ওয়ালা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আফিনা ক্বাবলা জালিকা।’</p>
<p>অর্থ :<br />
‘হে আল্লাহ, আপনি আমাকে আপনার গজব দিয়ে হত্যা করবেন না এবং আপনার আজাব দিয়ে ধ্বংস করবেন না।</p>
</article>
<article class="my-5">এসবের আগেই আপনি আমাকে পরিত্রাণ দিন।’</p>
<p>হাদিস : আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবী (সা.) যখন বজ্রপাতের আওয়াজ শুনতেন ও বিদ্যুৎ চমক দেখতে পেতেন তখন এই দোয়া পড়তেন। (তিরমিজি, হাদিস নং : ৩৪৫০)</article>
<article class="my-5"><strong>কালের কণ্ঠ</strong></article>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/15091">বজ্রপাত থেকে বাঁচতে মহানবী (সা.) যে দোয়া পড়তেন</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/15091/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">15091</post-id>	</item>
		<item>
		<title>ঋণ থেকে মুক্তির দোয়া</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/14665</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/14665#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Apr 2026 15:23:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=14665</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল জানাল ডেস্ক মানুষের জীবনে অভাব-অনটন থাকা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার অংশ। অভাব বা আর্থিক দুরাবস্থায় পড়লে মানুষকে ঋণ করতে হয়। ঋণ নিয়ে প্রয়োজন পূরণ করতে হয়। কখনো ঋণ পরিশোধ ব্যক্তির জন্য কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আর্থিক দুরাবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া না গেলে ঋণের চাপ ব্যক্তিকে বিপর্যস্ত করে তোলে। এদিকে সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে কখনো [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14665">ঋণ থেকে মুক্তির দোয়া</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বরিশাল জানাল ডেস্ক</strong></p>
<p>মানুষের জীবনে অভাব-অনটন থাকা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার অংশ। অভাব বা আর্থিক দুরাবস্থায় পড়লে মানুষকে ঋণ করতে হয়। ঋণ নিয়ে প্রয়োজন পূরণ করতে হয়। কখনো ঋণ পরিশোধ ব্যক্তির জন্য কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আর্থিক দুরাবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া না গেলে ঋণের চাপ ব্যক্তিকে বিপর্যস্ত করে তোলে। এদিকে সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে কখনো ঋণদাতার কাছ থেকে শুনতে হয় কটু কথা। শিকার হতে হয় অসম্মানজনক আচরণের।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>ঋণগ্রহীতা সবসময় চান, দ্রুতই ঋণ পরিশোধ হোক। দ্রুত ঋণ পরিশোধ করতে হজরত মুহাম্মদ (সা.) দোয়া শিখিয়েছেন। দোয়াগুলো পড়লে ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এখানে কয়েকটি দোয়া উল্লেখ করা হলো—</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>১. একবার এক লোক ঋণ পরিশোধের জন্য হজরত আলির (রা.) কাছে কিছু সাহায্য চাইলেন। আলি (রা.) তাকে বললেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে কয়েকটি শব্দ শিখিয়ে দিয়েছিলেন, আমি কি তোমাকে সেটা শিখিয়ে দেব? সেটা পড়লে আল্লাহ তোমার ঋণমুক্তির দায়িত্ব নেবেন। তোমার ঋণ যদি পাহাড়সমান হয়, তাহলেও।’ এরপর আলি (রা.) ওই ব্যক্তিকে দোয়া শিখিয়ে দিলেন। দোয়াটি হলো—</p>
<p>&nbsp;</p>
<h3>اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكِ عَمَّنْ سِوَاكَ</h3>
<p><strong>উচ্চারণ: </strong>আল্লাহুম্মাক ফিনি বি হালালিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনি বিফাজলিকা আম্মান সিওয়াক।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>অর্থ: </strong>হে আল্লাহ, হারামের পরিবর্তে তোমার হালাল রুজি আমার জন্য যথেষ্ট করো। তোমাকে ছাড়া আমাকে কারও মুখাপেক্ষী করো না এবং তোমার অনুগ্রহ দিয়ে আমাকে সচ্ছলতা দান করো।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৬৩)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>২. ঋণ থেকে রক্ষা পেতে হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন। হাদিসে আছে, একবার ঋণ থেকে রক্ষা পেতে রাসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করছিলেন। এ অবস্থায় এক ব্যক্তি তাকে দেখে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি ঋণ থেকে খুব বেশি আশ্রয় প্রার্থনা করে থাকেন।’ তিনি বললেন, ‘মানুষ ঋণী হলে কথা বলতে গিয়ে মিথ্যা বলে এবং অঙ্গীকার করলে রক্ষা করে না।’ তিনি ঋণ থেকে রক্ষা পেতে এ দোয়াটি পড়তেন—</p>
<p>&nbsp;</p>
<h3>اللَّهُمَّ إنِّي أعُوذُ بكَ مِنَ الكَسَلِ والهَرَمِ، والمَأْثَمِ والمَغْرَمِ</h3>
<p><strong>উচ্চারণ:</strong> আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি, ওয়াল মাসামি, ওয়াল মাগরামি।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>অর্থ: </strong>হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে অলসতা, অধিক বার্ধক্য, গুনাহ এবং ঋণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬০০৭)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>৩. রাসুলুল্লাহ (সা.) আরেকটি দোয়া বেশি বেশি পড়তেন। দোয়াটি হলো—</p>
<p>&nbsp;</p>
<h3>اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ</h3>
<p><strong>উচ্চারণ:</strong> আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজানি, ওয়াল আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালায়িদ দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>অর্থ:</strong> হে আল্লাহ, নিশ্চয়ই আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৮৯৩)</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14665">ঋণ থেকে মুক্তির দোয়া</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/14665/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">14665</post-id>	</item>
		<item>
		<title>জুমার দিন যেসব আমল করবেন</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/14239</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/14239#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 03:39:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=14239</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক জুমার দিন আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন। এ দিনে আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিনই তাকে জান্নাতে দেওয়া হয় এবং এ দিনই জান্নাত থেকে পৃথিবীতে নামানো হয়। এ দিনই কেয়ামত হবে। জুমার নামাজের গুরুত্ব বর্ণনা করে আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ, জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য ডাকা হয়, তখন আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14239">জুমার দিন যেসব আমল করবেন</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক</strong></p>
<p>জুমার দিন আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন। এ দিনে আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিনই তাকে জান্নাতে দেওয়া হয় এবং এ দিনই জান্নাত থেকে পৃথিবীতে নামানো হয়। এ দিনই কেয়ামত হবে। জুমার নামাজের গুরুত্ব বর্ণনা করে আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ, জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য ডাকা হয়, তখন আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও। কেনাবেচা ছেড়ে দাও, এটাই তোমাদের জন্য অতি উত্তম, যদি তোমরা জানতে!’ (সুরা জুমা, আয়াত : ৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সপ্তাহের সেরা ও মর্যাদাপূর্ণ দিন জুমার দিন। আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন। হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তা আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১০৮৪)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>ফজিলতপূর্ণ এ দিনে হজরত মুহাম্মদ (সা.) বেশ কিছু আমল করতেন। সাহাবিদেরও সেসব আমল করার নির্দেশ দিয়েছেন। এখানে কয়েকটি আমলের কথা তুলে ধরা হলো—</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>গোসল করা: </strong>রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে জুমার দিন গোসল করে আতর ব্যবহারের পর ভালো পোশাক পরে নামাজের উদ্দেশে বের হয়, (মসজিদে গিয়ে একসঙ্গে থাকা) দুজনের মাঝে গিয়ে না বসে মনোযোগের সঙ্গে ইমামের খুতবা শোনে, ওই ব্যক্তির এক জুমা থেকে আরেক জুমা এবং অতিরিক্ত আরও তিন দিনের গোনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮৫৭)</p>
<div class="clearfix"></div>
<div id="related_more" class="my-2"></div>
<p><strong>উত্তম পোশাক পরা: </strong>রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে জুমার দিন গোসল করে উত্তম পোশাক পরে তার কাছে থাকা সুগন্ধি ব্যবহার করে জুমার নামাজে আসে। অন্য মুসল্লিদের গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না গিয়ে নির্ধারিত নামাজ আদায় করে। তারপর ইমাম খুতবার জন্য বের হওয়ার পর থেকে সালাম পর্যন্ত চুপ থাকে। তাহলে তার এই আমল পূর্ববর্তী জুমার দিন থেকে পরের জুমা পর্যন্ত সব সগিরা গোনাহের জন্য কাফফারা (ক্ষতিপূরণ) হবে।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৩)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>সুগন্ধি ব্যবহার করা: </strong>আবু সাইদ খুদরি (রা.) বলেন, ‘আমি এ মর্মে সাক্ষ্য দিচ্ছি, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিন সুগন্ধি পাওয়া গেলে তা ব্যবহার করবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮০)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>দ্রুত মসজিদে যাওয়া: </strong>জুমার দিন দ্রুত মসজিদে গেলে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘জুমার দিন মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করেন এবং ক্রমানুসারে আগে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার আগে আসে সে ওই ব্যক্তির মতো, যে একটি মোটাতাজা উট কোরবানি করে। এরপর যে আসে সে ওই ব্যক্তির মতো যে একটি গাভি কোরবানি করে। এরপর আগমনকারী ব্যক্তি মুরগি দানকারীর মতো…।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৯২৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনা:</strong> জুমার দিন মনোযোগসহকারে খুতবা শোনা গুরুত্বপূর্ণ আমল। আল্লাহ বলেন, ‘যখন কোরআন পড়া হবে, গভীর মনোযোগে শোনো ও চুপ থাকো, যেন তোমাদের ওপর দয়া করা হয়।’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ২০৪)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করা:</strong> রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে জুমার দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, আল্লাহ তাকে সব ধরনের ফেতনা থেকে পুরো সপ্তাহ নিরাপদ রাখবনে। যদি দাজ্জালও বের হয়, তবু আল্লাহ তাকে নিরাপদ রাখবেন।’ (আল-আহাদিসুল মুখতারা : ৪২৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>গুরুত্বের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায়: </strong>কোরআনের একাধিক জায়গায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার নির্দেশনা দিয়েছেন আল্লাহ। জুমার নামাজের বিষয়ে তিনি আলাদা করে তাগিদ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ, জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য ডাকা হয়, তখন আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও। বেচাকেনা ছেড়ে দাও, এটাই তোমাদের জন্য অতি উত্তম, যদি তোমরা জানতে!’ (সুরা জুমা, আয়াত : ৯)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>দোয়া করা:</strong> রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘জুমার দিনের ১২ ঘণ্টার মধ্যে একটি বিশেষ মুহূর্ত এমন আছে, তখন কোনো মুসলমান আল্লাহর কাছে যে দোয়া করবে আল্লাহ তা কবুল করেন।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮)। হাদিস বিশারদরা এ সময়টিকে আসরের পরের সময় বলে উল্লেখ করেছেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>বেশি বেশি দরুদ পাঠ:</strong> রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা ইমানের অংশ। তাঁর নাম শুনে দরুদ পড়া ওয়াজিব। জীবনে একবার দরুদ পড়া ফরজ। জুমার দিন দরুদ পড়ার বিশেষ সওয়াব আছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘জুমার দিন তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পড়ো। কারণ, আমার উম্মতের দরুদ আমার কাছে প্রতি শুক্রবারে পেশ করা হয়। যে আমার বেশি বেশি দরুদ পড়বে, সে কেয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে।’ (আস-সুনানুল কুবরা, হাদিস : ৬২০৮)</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14239">জুমার দিন যেসব আমল করবেন</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/14239/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">14239</post-id>	</item>
		<item>
		<title>১ হাজার বছরের পুরোনো কোরআন</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/14218</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/14218#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 14:58:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=14218</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ পাবলিক লাইব্রেরি এক হাজার বছর পুরোনো একটি দুর্লভ কোরআনের পাণ্ডুলিপি উন্মোচন করেছে। গারিব আল কোরআন শিরোনামের এই পাণ্ডুলিপিটি প্রখ্যাত প্রাচীন মুসলিম পণ্ডিত আবু উবাইদাহ মামার ইবনে আল মুথান্না রচিত। বুধবার (১ এপ্রিল) গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৩টি পাতায় রচিত চতুর্থ শতাব্দীর এই পাণ্ডুলিপিটির প্রত্যেকটির মাপ ১৭ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14218">১ হাজার বছরের পুরোনো কোরআন</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক</strong></p>
<p>সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ পাবলিক লাইব্রেরি এক হাজার বছর পুরোনো একটি দুর্লভ কোরআনের পাণ্ডুলিপি উন্মোচন করেছে। গারিব আল কোরআন শিরোনামের এই পাণ্ডুলিপিটি প্রখ্যাত প্রাচীন মুসলিম পণ্ডিত আবু উবাইদাহ মামার ইবনে আল মুথান্না রচিত।</p>
<p>বুধবার (১ এপ্রিল) গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৩টি পাতায় রচিত চতুর্থ শতাব্দীর এই পাণ্ডুলিপিটির প্রত্যেকটির মাপ ১৭ বাই ২২ সেন্টিমিটার। এতে সুস্পষ্ট আন্দালুসীয় লিপি ব্যবহার করা হয়েছে, আর সুরার নামগুলো কুফিক লিপিতে লেখা। এটি কোরআনিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এখনও অপ্রকাশিত কাজ হিসেবে বিবেচিত।</p>
<p>লাইব্রেরির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের সংগ্রহে কোরআনের তাফসির ও ভাষাতত্ত্ব সংক্রান্ত বিভিন্ন শতাব্দীর বিস্তৃত ও বিরল পাণ্ডুলিপি রয়েছে। এর মধ্যে আবু ইসহাক আল-জাজ্জাজ এবং ইবনে কুতাইবাহ আল-দিনাওয়ারির রচনাসমূহ উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি ষষ্ঠ শতকে নকল করা তাফসির আল-তাবারির কিছু অংশও এখানে সংরক্ষিত আছে।</p>
<div class="clearfix"></div>
<p>লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, তাদের লক্ষ্য হলো এসব বিরল পাণ্ডুলিপি, নথি, আলোকচিত্র, মুদ্রা ও প্রত্নবস্তুর সংগ্রহকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা। পাশাপাশি ঐতিহ্যের বহুমাত্রিক রূপ নিয়ে গবেষণা ও সম্পৃক্ততার নতুন দিগন্ত উন্মোচন এবং গবেষকদের জন্য এসব মূল্যবান পাণ্ডুলিপিকে আরও সহজলভ্য করে তোলা।</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14218">১ হাজার বছরের পুরোনো কোরআন</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/14218/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">14218</post-id>	</item>
		<item>
		<title>রাত ১২টার পর এশার নামাজ পড়া যাবে?</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/14185</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/14185#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 18:14:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=14185</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক সময় মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। নির্ধারিত সময়ের পর নামাজ পড়লে সেটি কাজা হয়ে যায়। আল্লাহ বলেন, ‘নামাজ মুমিনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১০৩) &#160; নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায়কারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন। তারা আল্লাহর প্রিয়। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (র.) বলেন, ‘আমি রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, কোন আমল আল্লাহর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14185">রাত ১২টার পর এশার নামাজ পড়া যাবে?</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বরিশাল জার্নাল ডেস্ক</strong></p>
<p>সময় মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। নির্ধারিত সময়ের পর নামাজ পড়লে সেটি কাজা হয়ে যায়। আল্লাহ বলেন, ‘নামাজ মুমিনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১০৩)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায়কারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন। তারা আল্লাহর প্রিয়। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (র.) বলেন, ‘আমি রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, কোন আমল আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়?’ তিনি বললেন, ‘যথাসময়ে নামাজ আদায় করা।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০২)</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের নির্ধারিত সময় আছে। এর ভেতরই নামাজ আদায় করতে হবে। এশার নামাজ শুরু হয় সাধারণত সূর্যাস্তের ঘণ্টাখানেক পর। এরপর থেকে সুবহে সাদিক (ফজর নামাজের সময় হওয়া) পর্যন্ত এশার নামাজ পড়া যায়। তবে আলেমরা শেষ রাতে এশার নামাজ পড়াকে মাকরুহ বলেছেন। তবে নামাজ পড়লে হয়ে যাবে। সুতরাং রাত ১২টার পর এশার নামাজ পড়লে নামাজ হয়ে যাবে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>হানাফি মাজহাবের আলেমদের মতে, এশার নামাজ তিনভাগে বিভক্ত—এক. উত্তম সময়, দুই. জায়েজ সময় ও তিন. অনুত্তম বা মাকরুহ সময়।</p>
<div id="related_more" class="my-2"></div>
<p>&nbsp;</p>
<p>সূর্যাস্তের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত যত ঘণ্টা হয়, সেটাকে ভাগ করে প্রথম এক তৃতীয়াংশের শেষের দিকে এশার নামাজ আদায় করা উত্তম। তবে এক তৃতীয়াংশের শেষের দিকে নামাজ পড়লে যদি একাকী নামাজ পড়তে হয়, তাহলে একাকী নামাজ না পড়ে জামাতে নামাজ পড়তে হবে। এক তৃতীয়াংশ থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দেরি করে এশার নামাজ পড়া জায়েজ আছে। মধ্যরাত ১২টাও হতে পারে। কোনো ঋতুতে আগে-পরে হতে পারে। মধ্যরাত থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত সময়ের ভেতর এশার নামাজ পড়া অনুত্তম বা মাকরুহ। বিশেষ কারণে কেউ যদি মধ্যরাত থেকে সুবহে সাদিকের সময়ের মধ্যে এশার নামাজ পড়েন, তাহলে তার নামাজ হয়ে যাবে। এটা অনুত্তম বলা যাবে না। কারণ, তিনি সমস্যয় পড়ে করছেন। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মাকরুহের সময় এশার নামাজ পড়া উচিত নয়।</p>
<p>আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ইউটিউবে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘কেউ যদি বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া অলসতা করে মধ্যরাতের পর এশার নামাজ পড়েন বা শেষ তৃতীয়াংশের ভেতর পড়েন, সে ক্ষেত্রে অনুত্তম বা মাকরুহ হবে। তবে তার নামাজ আদায় হয়ে যাবে। মাগরিবের নামাজের সময় শেষ হওয়ার পর থেকে ফজর নামাজের সময় হওয়া পর্যন্ত এশার নামাজ পড়া যায়।’</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/14185">রাত ১২টার পর এশার নামাজ পড়া যাবে?</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/14185/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">14185</post-id>	</item>
		<item>
		<title>যে সাহাবির শাহাদাতে আরশ কেঁপে উঠেছিল</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/13905</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/13905#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 06:16:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=13905</guid>

					<description><![CDATA[<p>ওমর ফারুক ফেরদৌস নবীজি (সা.) তখন মক্কায় ইসলাম প্রচার করছিলেন। হজের মৌসুমে মক্কায় আরবের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হজের জন্য মানুষ আসতো। তাদেরকেও তিনি ইসলামের দাওয়াত দিতেন। একবার হজের মৌসুমে আকাবা নামক স্থানে মদিনার খাযরাজ গোত্রের সাত ব্যক্তির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। তারা তখন মূর্তিপূজা করত। আল্লাহর রাসুল (সা.) তাদের ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানান। এর আগে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/13905">যে সাহাবির শাহাদাতে আরশ কেঁপে উঠেছিল</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ওমর ফারুক ফেরদৌস</strong></p>
<p>নবীজি (সা.) তখন মক্কায় ইসলাম প্রচার করছিলেন। হজের মৌসুমে মক্কায় আরবের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হজের জন্য মানুষ আসতো। তাদেরকেও তিনি ইসলামের দাওয়াত দিতেন। একবার হজের মৌসুমে আকাবা নামক স্থানে মদিনার খাযরাজ গোত্রের সাত ব্যক্তির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। তারা তখন মূর্তিপূজা করত। আল্লাহর রাসুল (সা.) তাদের ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানান। এর আগে তারা মদিনায় বসবাসরত ইহুদিদের কাছ থেকে আল্লাহর রাসুলের (সা.) সম্পর্কে শুনেছিল এবং জানতে পেরেছিল যে তিনি আল্লাহর প্রেরিত নবী। এ কারণে তারা আল্লাহর রাসুলের (সা.) আহবানে সাড়া দিয়ে ইসলাম গ্রহণ করে।</p>
<p>তারা মদিনায় ফিরে গিয়ে আল্লাহর রাসুলের (সা.) বার্তা প্রচার শুরু করে। পরের বছর মদিনার বারো জন ব্যক্তি নবীজির (সা.) সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন এবং আকাবায় তার হাতে বায়আত (অঙ্গীকার) করেন। এটিই ছিল আকাবার প্রথম বায়আত। তাদের সঙ্গে আল্লাহর রাসুল (সা.) মুসআব ইবনে ওমায়েরকে (রা.) পাঠালেন তাদের কোরআন শেখানো ও ইসলামি শিক্ষা প্রদান করার জন্য। মুসআব (রা.) মদিনায় আসআদ ইবনে জুরারার (রা.) মেহমান হন।</p>
<p>মুসআবের (রা.) মদিনায় আগমনের খবর শুনে মদিনার বড় গোত্র আওসের সর্দার সাদ ইবনে মুআয ও উসাইদ ইবনে হুযাইর তার সঙ্গে দেখা করতে যান। প্রথমে উসাইদ (রা.) গিয়েছিলেন মুসআবকে ইসলাম প্রচারে বাধা দিতে। কিন্তু মুসআবের কথা শুনে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। পরে সাদ ইবনে মুআযও (রা.) মুসআবের (রা.) কাছ থেকে ইসলাম সম্পর্কে শোনেন এবং তিনিও ইসলাম গ্রহণ করেন।</p>
<p>ইসলাম গ্রহণের পর সাদ (রা.) তার গোত্রের সবাইকে সমবেত করে বলেন, হে বনু আবদিল আশহাল, তোমরা জানো আমি তোমাদের মধ্যে কেমন ব্যক্তি? তারা বলল, আপনি আমাদের সর্দার এবং আমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি। সাদ (রা.) বললেন, তাহলে জেনে রাখ, তোমাদের পুরুষ ও নারীদের সঙ্গে কথা বলা আমার জন্য হারাম যতক্ষণ না তোমরা আল্লাহ এবং তার রাসুলের প্রতি ইমান আনো।</p>
<div class="adv-img text-center marginTopBottom20 hidden-print">
<div class="advertisement">
<div id="div-gpt-ad-1509258458742-11" data-google-query-id="CK6M6vS1v5MDFbBXnQkd56Mehw">
<div id="google_ads_iframe_/21655469720/JagoNews_Desktop_Details_News_Inner_B_0__container__"><span style="font-size: 16px;">সেদিন সন্ধ্যার মধ্যেই আওস গোত্রের সবাই ইসলাম গ্রহণ করে। সাদ ইবনে মুআযের (রা.) ইসলাম গ্রহণ ছিল মদিনায় ইসলামের দাওয়াতের জন্য একটি বড় বিজয়। এরপর দ্রুত মদিনায় ইসলাম ছড়িয়ে পড়তে থাকে। কিছুদিনের মধ্যে মদিনার প্রায় প্রতিটি ঘরে ইসলামের আলো পৌঁছে যায়।</span></div>
</div>
</div>
</div>
<p>মক্কায় তখন মুশরিকদের সঙ্ঘবদ্ধ অত্যাচার নির্যাতনে মুসলমানদের অবস্থা বিপর্যস্ত। নবীজির (সা.) দীর্ঘ ১৩ বছরের ইসলাম প্রচারের পরও মক্কার বেশিরভাগ মানুষ বিশেষত মক্কার নেতৃস্থানীয় ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বেশিরভাগ ইমান গ্রহণ করেনি। এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে মদিনায় হিজরতের নির্দেশ আসে। মুসলমানরা ধীরে ধীরে মক্কা ছেড়ে মদিনায় চলে যাওয়া শুরু করেন।</p>
<p>মক্কার কফেররা যখন বুঝতে পারে মুসলমানরা মদিনায় চলে যাচ্ছে, নবীজিও মদিনায় চলে যাবেন, তখন তারা নবীজিকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম) হত্যা করার ষড়যন্ত্র করে। এক রাতে তারা নবীজির বাড়ি ঘিরে রাখে। নবীজি (সা.) সকালে দরজা খুলে বের হলে তারা একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে হত্যা করবে এই ছিল তাদের পরিকল্পনা। নবীজি (সা.) আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের এই পরিকল্পনার কথা জেনে যান। রাতেই তিনি তাদের চোখে ধুলো দিয়ে বাড়ি থেকে বের হন এবং সাহাবি আবু বকরকে (রা.) সাথে নিয়ে মদিনার পথে বের হয়ে পড়েন।</p>
<p>মুশরিকদের সব প্রচেষ্টা ও চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়ে আল্লাহ তাআলা তার রাসুলকে মদিনায় পৌঁছে দেন। নবীজির (সা.) নেতৃত্বে মদিনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। মদিনার বড় গোত্র আওসের সর্দার হিসেবে সাদ ইবনে মুয়াজ হয়ে ওঠেন নবীজির (সা.) একজন গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী।</p>
<p>বদরের যুদ্ধের সময় নবীজিকে (সা.) সমর্থন করে সাদ ইবনে মুয়াজের বলিষ্ঠ বক্তব্য স্মরণীয় হয়ে আছে। বদর যুদ্ধের আগে রাসুলুল্লাহ (সা.) যুদ্ধ করার ব্যাপারে যখন আনসার সাহাবিদের মতামত জানতে চান, সাদ ইবনে মুয়াজ (রা.) বলেছিলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা আপনাকে বিশ্বাস করেছি এবং আপনার ওপর ইমান এনেছি। আমরা সাক্ষ্য দিয়েছি যে আপনি সত্য নিয়ে এসেছেন। আমরা আমাদের চুক্তি করেছি আপনাকে মান্য করার এবং আপনার নির্দেশ মেনে চলার। সুতরাং হে আল্লাহর রাসুল! যা করতে চান করুন। আমরা আপনার সঙ্গে আছি। সেই আল্লাহর কসম, যিনি আপনাকে সত্য দিয়ে পাঠিয়েছেন, আপনি যদি আমাদের নিয়ে সমুদ্রে ঝাঁপ দিতে চান, তবে আমরা ঝাঁপ দেব। আমাদের মধ্য থেকে একজনও পিছিয়ে থাকবে না। আমরা যুদ্ধে ধৈর্যশীল, শত্রুর মোকাবেলায় সত্যনিষ্ঠ। আশা করি আল্লাহ আপনাকে আমাদের মাধ্যমে এমন কিছু দেখাবেন যা দেখে আপনার চোখ শীতল হবে। আপনি আমাদের নিয়ে এগিয়ে চলুন!</p>
<p>সাদ ইবনে মুয়াজের (রা.) এই বক্তব্য শুনে রাসুল (সা.) আনসারদের সমর্থনের ব্যাপারে আশ্বস্ত হন এবং যুদ্ধের ঘোষণা দেন।</p>
<div class="adv-img text-center marginTopBottom20 hidden-print">
<div class="advertisement">
<div id="div-gpt-ad-1671883628774-0" data-google-query-id="CLCM6vS1v5MDFbBXnQkd56Mehw">
<div id="google_ads_iframe_/21655469720/JagoNews_Desktop_Details_News_Inner_D_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
<p>ওহুদের যুদ্ধে তিনি নবীজির (সা.) অবস্থানস্থল পাহারার দায়িত্ব পালন করেন। পেছন থেকে অতর্কিত আক্রমণে মুসলমানরা যখন কিছু সময়ের জন্য ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছিলেন, তখন যে ১৫ জন ব্যক্তি নবীজির (সা.) পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিলেন তাদের অন্যতম সাদ ইবনে মুয়াজ (রা.)।</p>
<p>খন্দকের যুদ্ধে কোরায়শের এক ব্যক্তি সাদের (রা.) পায়ের গোড়ালিতে তীর ছুড়ে মারলে তিনি গুরুতর আহত হন। নবীজি (সা.) মসজিদে নববিতে একটি তাঁবু স্থাপন করে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বেশ কিছুদিন অসুস্থ থেকে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।</p>
<p>নবীজি (সা.) বলেন, সাদের শাহাদাতে আরশ কেঁপে উঠেছে, আকাশের দরজাগুলো তার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে, সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জানাজায় অংশগ্রহণ করেছে। <strong>জাগো নিউজ</strong></p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/13905">যে সাহাবির শাহাদাতে আরশ কেঁপে উঠেছিল</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/13905/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">13905</post-id>	</item>
		<item>
		<title>গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নারীদের নামাজের ব্যবস্থা করা হোক</title>
		<link>https://barishaljournal.com/archives/13890</link>
					<comments>https://barishaljournal.com/archives/13890#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 05:13:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://barishaljournal.com/?p=13890</guid>

					<description><![CDATA[<p>মুহাম্মদ ছফিউল্লাহ হাশেমী বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় মসজিদের নগরী। এদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। বর্তমানে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় মুসলিম নারীদের অনেককেই পড়াশোনা, চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিভিন্ন সেবা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে ঘরের বাইরে অবস্থান করতে হয়। তাছাড়া অনেক সময় দেখা যায়, কোনো ধর্মপ্রাণ নারী তার স্বামী, সন্তান, বাবা বা [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/13890">গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নারীদের নামাজের ব্যবস্থা করা হোক</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মুহাম্মদ ছফিউল্লাহ হাশেমী</strong></p>
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="q71ug">বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় মসজিদের নগরী। এদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। বর্তমানে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় মুসলিম নারীদের অনেককেই পড়াশোনা, চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিভিন্ন সেবা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে ঘরের বাইরে অবস্থান করতে হয়। তাছাড়া অনেক সময় দেখা যায়, কোনো ধর্মপ্রাণ নারী তার স্বামী, সন্তান, বাবা বা ভাইয়ের সঙ্গে কেনাকাটা করতে বা কোথাও বেড়াতে বের হয়ে থাকেন। এ ধরনের অবস্থায় পুরুষরা নিকটবর্তী মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারলেও নারীদের জন্য পৃথক কোনো নামাজের জায়গা না থাকায় প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তারা নামাজ আদায় করতে পারছেন না। এজন্য তারা তীব্র মনঃকষ্টে ভোগেন। তাই মসজিদে মসজিদে নারীদের জন্য পৃথক নামাজের জায়গা থাকা জরুরি মনে করছি।</p>
<div class="flex justify-center mt-3 mb-3"></div>
<p data-block-key="fmdaa">দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য ফরজ। যদিও নারীদের জন্য তাদের নিজ নিজ গৃহের অভ্যন্তরেই নামাজ আদায় করাকে উত্তম বলেছেন মহানবী (সা.), তবুও বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারীরা কোনো প্রয়োজনে বাইরে বের হলে তার ফরজ নামাজ আদায়ের জন্য পৃথক নামাজের জায়গা প্রয়োজন। তাই সময়ের প্রয়োজনে নারীদের নামাজের জন্য পৃথক ব্যবস্থা থাকতে হবে, যাতে তারা প্রয়োজনে বাইরে গেলেও তাদের সুবিধামতো নামাজ আদায় করে নিতে পারেন।</p>
<div>
<div class="flex justify-center text-sm text-gray-500 mb-2"></div>
</div>
<p data-block-key="5me5">আমাদের কর্তব্য হবে, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, অফিস-আদালত, শিল্পকারখানা, শপিং সেন্টার, বাসস্টেশন, রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট, যানবাহন-যাত্রাপথ, পর্যটন এলাকা, বিনোদন কেন্দ্র, হোটেল-মোটেলসহ সব জায়গায়ই পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও যেন শরিয়তসম্মতভাবে নামাজ আদায় করতে পারেন, সে ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত করা। কেননা আমাদের দেশে এসব স্থানে পুরুষের পাশাপাশি প্রচুর নারীও বিভিন্ন প্রয়োজনে চলাচল করে থাকেন। নামাজের ওয়াক্ত হলে পুরুষরা ঠিকই নামাজ আদায় করতে পারেন, কিন্তু সুযোগের অভাবে প্রতিদিন নামাজ কাজা হচ্ছে অসংখ্য নারীর।</p>
<p data-block-key="14p4o"><span style="font-size: 16px;">আলহামদুলিল্লাহ! আশার কথা হলো, বর্তমানে ঢাকা শহরের বেশ কিছু এলাকায় নারীদের জন্য নামাজ আদায় করার পৃথক জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে অনেক মসজিদ, শপিং সেন্টার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে এ ব্যবস্থা রয়েছে।</span></p>
</div>
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="5budr">মসজিদের মধ্যে রয়েছে—বায়তুল মোকাররম মসজিদের নিচতলা, সোবহানবাগ জামে মসজিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ, ধানমন্ডি ১২/এ লেকের সঙ্গেই অবস্থিত বায়তুত তাকওয়া মসজিদ, সায়েন্স ল্যাবের বায়তুল মামুর জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলা, মিরপুর ১-এর ফেরদৌসী মসজিদ, ধানমন্ডি ৮-এর বায়তুল আমান জামে মসজিদ, উত্তরা ৪নং, ৬নং ও ৭নং সেক্টর মসজিদ এবং রমনা থানা জামে মসজিদ। এছাড়া রয়েছে মোহাম্মদপুর স্যার সৈয়দ রোডের আল আমিন মসজিদ, গুলশান ২-এর আজাদ মসজিদ, ঢাকা কলেজের পেছনে অবস্থিত নায়েম ভবন মসজিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন কাঁটাবন মসজিদ, ফার্মগেট এয়ারপোর্ট রোডের বায়তুশ শরফ মসজিদ এবং মহাখালী টিবি গেটের মসজিদ-ই-গাউসুল আজম।</p>
<p data-block-key="f82r3">যেসব এলাকার শপিং সেন্টারগুলোয়ও নারীদের জন্য নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে, সেগুলো হলো—ঢাকা নিউমার্কেট মসজিদ, জিগাতলার সীমান্ত স্কয়ার, ইস্টার্ন মল্লিকার ছাদে, মিরপুর রোডের রাপা প্লাজার পঞ্চম তলা ও জয়ীতা শোরুম, গাউছিয়া মার্কেটের নিচতলা, চাঁদনি চকের তৃতীয় তলা এবং যমুনা ফিউচার পার্কের পঞ্চম তলা।</p>
<p data-block-key="6pl14">এছাড়া আবদুল্লাহপুরের পলওয়েল কারনেশন সেন্টার, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের চতুর্থ তলা, মৌচাক মার্কেটের চতুর্থ তলা, ধানমন্ডি ২৭-এর জেনেটিক প্লাজার প্রথম তলা, গুলশান ১-এর ডিসিসি সুপার মার্কেট, টুইন টাওয়ার শপিং সেন্টারের চতুর্থ তলা, পিংক সিটির বেইজমেন্ট এবং উত্তরার নর্থ টাওয়ার মার্কেটের অষ্টম তলায় নারীদের জন্য নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে ।</p>
<p data-block-key="ejnh6">বেশ কিছু হাসপাতালেও নারীদের জন্য নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে, যেমন স্কয়ার হসপিটাল, ইউনাইটেড হসপিটালের তৃতীয় তলা, অ্যাপোলো হসপিটালের পঞ্চম তলা, কল্যাণপুরের ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ, ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক হসপিটালের ১.৫ তলা এবং ধানমন্ডির ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বেইজমেন্ট।</p>
<p data-block-key="376oa">পরিশেষে বলব, বাংলাদেশের নারীরা সাধারণত তাদের বাসা-বাড়িতেই নামাজ আদায় করে থাকে। কিন্তু যখন তারা ঘরের বাইরে কোনো কাজে বের হয়, তখন তো তাদের ফরজ নামাজ মাফ করে দেওয়া হয়নি। সেজন্য দেশের প্রতিটি জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে এবং বড় বড় মসজিদে নারীদের জন্য নামাজ পড়ার পৃথক ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। কেননা সুযোগের অভাবে কারো নামাজ কাজা হয়ে গেলে তার দায়-দায়িত্ব পুরো জাতির ওপরই পড়বে।</p>
<p data-block-key="dmugs">
<p data-block-key="7uuul">লেখক : সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, উত্তরা, ঢাকা</p>
<p data-block-key="7uuul"><strong>(দৈনিক আমার দেশ)</strong></p>
</div>
<p>The post <a href="https://barishaljournal.com/archives/13890">গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নারীদের নামাজের ব্যবস্থা করা হোক</a> appeared first on <a href="https://barishaljournal.com">বরিশাল জার্নাল</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://barishaljournal.com/archives/13890/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">13890</post-id>	</item>
	</channel>
</rss>
