আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দিল্লি ও ইসলামাবাদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সিএনএনের সাংবাদিক নিক রবার্টসন দাবি করেছেন, পাকিস্তানের শক্তিশালী পাল্টা আক্রমণ ভারতের অবস্থানকে নাড়িয়ে দেয়, যার ফলে ভারত দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা কামনা করে।
নিক রবার্টসন বলেন, ‘ভারত যখন পাকিস্তানের তিনটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায়, তখন পাকিস্তান প্রবল ও লাগাতার মিসাইল ও রকেট হামলা চালায় ভারতের সামরিক স্থাপনা, বিমানঘাঁটি ও অস্ত্র গুদাম লক্ষ্য করে। এতে ভারত চরম বিপাকে পড়ে- তারা বুঝতেই পারেনি কী ঘটেছে।’
রবার্টসন বলেন, এই ঘটনাই ভারতকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়।
সিএনএনের লাইভ কাভারেজে যুক্ত হয়ে এই সাংবাদিক বলেন, আমি এক সোর্সের সাথে কথা বলেছি যিনি ওই সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাথে সেই রুমে ছিলেন। রুবিও গত ৪৮ ঘণ্টায় বিষয়টি নিয়ে দারুণ কাজ করেছে। রবার্টসন আরো বলেন, পাকিস্তান প্রথম দফা পাল্টা আঘাতের পর কিছুটা বিরতি দেয়। মূলত এটি ছিলো কূটনীতির জন্য সুযোগ তৈরি করা।
পাকিস্তানের হামলায় ভারতের ব্রাহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের ডিপো, এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমসহ প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার খবর প্রকাশ হয় শনিবার সকালে। এদিন ফজরের পর পাকিস্তান বুনিয়ানুম মারসুস নামে অভিযান শুরু করে।
দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা শুরু হয় ৭ মে, যখন ভারত সীমান্ত অতিক্রম করে মসজিদসহ পাকিস্তানের কয়েকটি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালায় এবং এতে অন্তত ৩১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন, যাদের মধ্যে শিশুও ছিল। সেদিনই পাকিস্তান পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ধ্বংস করে, যার মধ্যে তিনটি ছিল রাফাল, পাশাপাশি ডজনখানেক ড্রোন গুঁড়িয়ে দেয়।
৯ তারিখ সারাদিন চলে ড্রোন যুদ্ধ। এরপর ১০ তারিখ পাল্টা আঘাত শুরু করে পাকিস্তান। এতে বড় ধরণের ক্ষতির মুখে পড়ে ভারতীয় বাহিনী। তারপরই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে।




