মহিব্বুল্যাহ ইলিয়াছ, মনপুরা : ভূমি আইন (দলিল যার জমি তার) উপেক্ষা করে ক্ষমতার দাপটে মনপুরায় এক বৃদ্ধের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে এক স্থানীয় প্রভাবশালী মানবাধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে। উপজেলার ১ নং মনপুরা ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ডের ওই ঘটনায় অভিযুক্ত তামজিদ হোসেন সাদ্দাম একটি অসহায় পরিবারের এওয়াজ বদলকৃত ও পৈত্রিক শত বছরের ভোগদখলীয় জমি দখলের পায়তারা চালাচ্ছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, মনপুরা উপজেলার ১ নং মনপুরা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড এর কাউয়ারটেক গ্রামের মৃত রাজামিয়ার ছেলে মোঃ মাবুবুল হক এওয়াজ মূলে দলিল ও পৈত্রিক সুত্রে ৩৪ শতাংশ জমির মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু বিভিন্ন ফন্দি এটে জোরপূর্বক ওই জমিট দখলের পায়তারা চালায় ওই এলাকার প্রভাবশালী মানবাধিকার কর্মী তামজিদ হোসেন সাদ্দাম।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মাহবুবুল হক জানান, বাগান বাড়ির পাশে একই দাগের দুই জনের জমি। অতঃপর আমি স্বপন চন্দ্র দাস এর কাছ থেকে ৪ শতাংশ জমি এওয়াজ বদল করে নেই। এরপর তামজিদ হোসেন সাদ্দাম জোর করে আমার এওয়াজকৃত জায়গায় একটি ঘর করলে আমি স্থানীয় লোকমান মেম্বার, রাজিব চৌধুরীসহ গণ্যমান্যদের জানালে তারা এসে তামজিদকে ঘর করতে বাধা দেয়। স্থানীয় মেম্বার এবং প্রভাবশালীদের কথা উপেক্ষা করে তামজিদ আমার এওয়াজবদলের জায়গায় ঘর উত্তলন করে।
তিনি জানান, অভিযুক্ত তামজিদ হোসেন সাদ্দাম মনপুরা ইসলামী ব্যাংক হাজীরহাট শাখার অফিসার এবং ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস্ অর্গানাইজেশন এর সাধারণ সম্পাদক। তামজিদকে নিয়ে এলাকায় একাধিকবার শালিস বৈঠক হয়, তবে শালিসের রায় সে উপেক্ষা করে।
মাহবুবুল হক আরো বলেন, তামজিদ হোসেন সাদ্দাম মঙ্গলবার আমার এওয়াজবদল কৃত সম্পত্তিতে আবারো জোর করে মাটি ভরাট করে। বাঁধা দিলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকিদেয়। হুমকির মুখে পরিবারের সকল সদস্যদেরকে নিয়ে আতঙ্কে রয়েছি। আমি আমার এওয়াজবদলকৃত, দলিলকৃত ও পৈত্রিক ভেগদখলীয় জমি দখল মুক্ত রাখার দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।
স্থানীয় ৬ নং ওয়ার্ডের লোকমান মেম্বার বলেন, এ ব্যাপারে আমরা দুই পক্ষকে পরবর্তী শালিসী সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে সকল প্রকার কাজ বন্ধ করার কথা থাকলেও তামজিদ কাজ বন্ধ রাখেনি।
তামজিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি যে জায়গায় আছি তার কোন কাগজ না থাকলেও যেহেতু আমার ঘরের সামনের জমি তাই আমি অস্থায়ী ঘর নির্মাণ করছি।




