বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় নির্মাণাধীন মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পের সাব-ঠিকাদারকে থাপ্পড় মেরেছন মো. শুভ জেলা ছাত্রদলের এক কর্মী। শুক্রবার (১ মে) উপজেলার মাছিমপুর এলাকায় নির্মাণাধীন স্টেডিয়াম চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
বাগাতিপাড়া পৌরসভার মাছিমপুর এলাকায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বাস্তবায়নে ‘উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প-২য় পর্যায় (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ চলছে। আট কোটি ৭৫ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৭ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের কার্যাদেশ পায় চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কন্ট্রাকশন ওয়ার্কস।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি প্রকল্পের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহার এবং মাঠ ভরাটের জন্য বালির পরিবর্তে মাটি ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। শুক্রবার বিকেলে এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা ছাত্রদলের সদস্য শুভ এবং বাগাতিপাড়া পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মুক্তার হোসেনের নেতৃত্বে ৮-১০ জন প্রকল্প এলাকায় যান। এ সময় সেখানে উপস্থিত প্রকল্পের সাব-ঠিকাদার মাহবুব হোসেনের কাছে তারা অনিয়মের বিষয়ে জানতে চান। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হলে মাহবুব হোসেনকে মারধর করেন শুভ।
অভিযুক্ত শুভ বলেন, স্টেডিয়ামে তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। ভরাট বালির পরিবর্তে মাটি দেওয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলে সেখানে থাকা ঠিকাদার আমাদের বলে আমরা ধান্দা করতে গেছি। এ কথা শুনে রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে একটা থাপ্পড় মেরেছি।
বাগাতিপাড়া পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মুক্তার হোসেন বলেন, আমরা অনিয়মের বিষয়ে কথা বলতে গেলে আমাদের এক ছোট ভাই শুভর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে শুভ রাগ করে একটা থাপ্পড় মারে।
নাটোর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলাম সৃজন বলেন, ছাত্রদলের কোনো কর্মী এসব অনিয়মের তদন্ত করতে পারে না। স্থানীয় হিসেবে তারা বড়জোর যথাযথ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাতে পারে। মারধরের ঘটনায় ছাত্রদলের কর্মী জড়িত থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে সাব-ঠিকাদার মাহবুব হোসেন বলেন, কাজে কোনো অনিয়ম থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো যেতে পারে। কিন্তু সে কারণে গায়ে হাত তোলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এশিয়া পোস্ট




