
বোরহানউদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নে ‘একদল সন্ত্রাসীর’ হামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গসংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মী মোঃ সাদেক খান (৫০) ও তার ছেলে মোহাম্মদ কাউসার হোসেন (১৪) গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের তালুকদার বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় সন্ত্রাসী মুন্না (২৩), পলিন (২৩), হেলাল (২৪)সহ চার থেকে পাঁচজন মিলে লাঠিসোটা দিয়ে তাদের মারধর করে রক্তাক্ত করে। গত ১৯ জুন জাতীয় সমাবেশে অংশ নেওয়ার কারণেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা জানান। আহত সাদেক খান বলেন, আমি জামায়াত করি বলে আগেও কয়েকবার মারার চেষ্টা করেছে। আজকে এসএস পাইপ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে। আমার নাক ফাটিয়ে দিয়েছে এবং বাড়িঘরে হামলার হুমকি দিয়েছে। এমনকি চরের গরু নিয়ে যাওয়ারও হুমকি দিয়েছে।
তার ছেলে মোহাম্মদ কাউসার গঙ্গাপুর গোলাম রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। হামলার ভয়ে দীর্ঘ দুই মাস ধরে স্কুলে যেতে পারছে না। বর্তমানে তারা বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোঃ ইমরান হোসেন জানান, শক্ত লাঠির আঘাতে সাদেক খানের নাকের হাড় ভেঙে গেছে এবং বুকের পাজর গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।
এ ঘটনায় উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোঃ মাকসুদুর রহমান বলেন, গঙ্গাপুর ইউনিয়নের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মীর ওপর এ সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুন্নাকে ফোন করে সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি কল কেটে দেন।




