
বরিশাল জার্নাল ডেস্ক
পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে গত প্রায় ৫ মাস ধরে কুকুর, বিড়াল ও শিয়ালের কামড়ের প্রতিষেধক জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন (অ্যান্টি-রেবিস) না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। দীর্ঘদিন ধরে এ সংকট চলতে থাকায় পুরো জেলাজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ জন কুকুর বা বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসছেন। প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনের তীব্র সংকটের কারণে অধিকাংশ রোগীকেই খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। অনেককে বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে চড়া দামে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে নিম্নআয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন। অনেকে চিকিৎসা না নিয়েই বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে যথাসময়ে চিকিৎসা না পাওয়ায় তারা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন এবং অজান্তেই শরীরে প্রাণঘাতী রোগ বহন করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
এদিকে পটুয়াখালী শহরে কুকুর ও বিড়ালের উপদ্রব তুলনামূলক বেশি হওয়ায় প্রতিনিয়ত শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী নারী-পুরুষ এসব প্রাণীর আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। ফলে জরুরি ভিত্তিতে ভ্যাকসিনের চাহিদা দিন দিন বাড়লেও সরবরাহ না থাকায় পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে। সরকারি সরবরাহ বন্ধ থাকায় রোগীদের বাধ্য হয়ে স্থানীয় ফার্মেসি থেকে ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকা দামে প্রতিটি ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ভ্যাকসিন সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।
এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা এশিয়া পোস্টকে বলেন, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বরের পর থেকে সরকারিভাবে হাসপাতালে আর কোনো জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়নি। এশিয়া পোস্ট




